এসএসসি ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা সাজেশন ২০২১ (islam ssc suggestion)

 এসএসসি ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা  সাজেশন ২০২১ (islam ssc suggestion) 


আসসামু আলাইকুম প্রিয় ছাএ/ছাএী বন্ধুরা। কেমন আছেন সবাই। আশা করি সবাই ভালো আছো। আমি ভালো আছি।প্রতি দিন এর মত আজ ও আমরা নতুন একটা পোস্ট নিযে এসেছি। 

আজ আমরা এসএসসি এর {এসএসসি ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা  সাজেশন ২০২১ (islam ssc suggestion) }  এই বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা বা কথা বা সাজেশন দিবো।  আমরা আমরা আজ এসএসসি এর অধ্যায় ৩ নিয়ে আলোচনা করবো। 

এসএসসি



এসএসসি

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বাংলাদেশের একটি পাবলিক পরীক্ষা যা যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন অন্তর্বর্তী হয় এবং মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড দ্বারা পরিচালিত করা  হয়। অংশগ্রহণের জন্য এক একজনকে জেএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এসএসসি ক্লাস 9/নবম এবং 10/দ্বাদশ  বইগুলির উপর ভিত্তি করে অনুষ্ঠিত হয়, যা সাধারণত একই। পাস করার জন্য, একজন শিক্ষার্থীকে লিখিত এবং ব্যবহারিক উভয় পরীক্ষায় পড়তে হয়। ধর্মীয় এবং ইংরেজি মাধ্যমের ধারার ছাত্ররাও তাদের নিজ নিজ পাবলিক পরীক্ষায় বসেন, দাখিল এবং ও-লেভেল, যা পরবর্তী শিক্ষার যোগ্যতা অর্জনের জন্য যথাক্রমে ব্রিটিশ কাউন্সিলের বোর্ডের অধীনে থাকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এক্সামিনেশনস (সিআইই) দ্বারা পরিচালিত হয়। কলেজে এবং পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য এসএসসি বা সমমান বাধ্যতামূলক থাকে। সাধারণত, এটি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। [2]


Meta tag:এসএসসি ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা  সাজেশন ২০২১ (islam ssc suggestion), ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা সৃজনশীল প্রশ্ন,এসএসসি শর্ট সিলেবাস 2021,ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ৯. 

এসএসসি প্রশ্ন ও উওর 

 প্রশ্ন ১। আমিন সাহেব একজন বিত্তবান ব্যক্তি। তিনি প্রতিবছর হজ পালন করেন। কিন্তু তিনি তার গরিব আত্মীয়-স্বজন ও সমাজের দরিদ্র অসহায় লােকদের খোঁজ-খবর রাখেন না। তার বন্ধু মুমিন সাহেব তাকে বলেন, সমাজে ধনী-গরিব বৈষম্য ভুলে গিয়ে সবার প্রতি সদয় হও। পাঠ- কাজ, পাঠ্যবই পৃষ্ঠা-১০০

ক, ইহরাম কী? ১

খ, নিসাব বলতে কী বােঝায়? 

গ. আমিন সাহেবের চিন্তাধারা কীসের পরিপন্থি? ব্যাখ্যা করাে। 

ঘ, মুমিন সাহেবের পরামর্শের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করাে। 


১নম্বর প্রশ্নের উত্তর 



ক) আনুষ্ঠানিকভাবে হজের নিয়ত করাই হলাে ইহরাম ।
  

খ) নিসাব বলতে ন্যূনতম সম্পদকে বোঝায়, যা থাকলে যাকাত ফরজ হয় । নিসাব' আরবি শব্দ। এর অর্থ নির্ধারিত পরিমাণ। শরিয়তের পরিভাষায় যাকাত ফরজ হওয়ার জন্য সম্পদের নির্ধারিত পরিমাণকে নিসাব বলে। নিসাবের পরিমাণ হলাে-সােনা কমপক্ষে সাড়ে সাত তােলা অথবা রুপা কমপক্ষে সাড়ে বায়ান্ন তােলা অথবা ঐ মূল্যের অর্থ বা সম্পদ।



গ)আমিন সাহেবের চিন্তাধারা শরিয়তের পরিপন্থি।
মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে তার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। ইসলামি শরিয়তে ইবাদত দুই ধরনের। একটি বান্দার সাথে সম্পর্কিত। অন্যটি আল্লাহর সাথে সম্পর্কিত। আমিনের মধ্যে বান্দার সাথে সংশ্লিষ্ট ইবাদতের ব্যাপারে উদাসীনতা লক্ষ করা যায়।



আমিন সাহেব হাক্কুল্লাহ আদায় করেন কিন্তু হাক্কুল ইবাদ আদায় করেন । হাক্কুল ইবাদ বাদ দিয়ে শুধু আব্দুল্লাহ পালন করার মাধ্যমে কেউ মুমিন ও পরহেজগার হতে পারে না। আমাদের চারপাশে যারা বসবাস করে তাদের প্রতি এবং আত্মীয়-স্বজনদের প্রতি আমাদের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।


 মহান আল্লাহ বলেন, “তােমরা তােমাদের পিতা-মাতা, আত্মীয়স্বজন, অনাথ-দরিদ্র, প্রতিবেশী, অনাত্মীয় প্রতিবেশী ও সহচরদের সাথে সদাচরণ করাে।' (সূরা আন-নিসা, আয়াত- ৩৬)। এ আয়াত দ্বারা বােঝা যায়, আমাদের চারপাশে যারা বাস করে তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব আছে। 
 

এটাকে হাক্কুল ইবাদ বলে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তার হক তথা হাক্কুল্লাহ পালন করার সাথে সাথে হাক্কুল ইবাদ পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই আল্লাহর হক আদায় করার পাশাপাশি হাক্কুল ইবাদ পালন করতে হবে। উদ্দীপকের আমিন সাহেব নিয়মিত সালাত আদায় করেন। কিন্তু তিনি আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী কারও বাড়ি যান না এবং তাদের খোঁজখবরও রাখেন না। এতে বান্দার হক লঙ্ঘিত হয়েছে, যা ইসলামের দৃষ্টিতে যথার্থ নয়।




ঘ) মুমিন সাহেবের পরামর্শ খুবই যুক্তিযুক্ত। মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করা মানব চরিত্রের একটি প্রশংসনীয় বৈশিষ্ট্য। যিনি মানুষের সেবা করেন তিনি মহৎপ্রাণ। সমাজে কেউ একা বাস করতে পারে না। তাই সবার উচিত সবধরনের বৈষম্য দূর করে একে অপরকে সহযােগিতা করা । এ ব্যাপারে ইসলামেও জোর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।


 মুমিন সাহেবের পরামর্শে এ বিষয়েরই সমর্থন রয়েছে। উদ্দীপকে মুমিন সাহেব আমিন সাহেবকে ধনী-গরিব বৈষম্য ভুলে সবার প্রতি সদয় হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
 

 তার এ কথার সমর্থন আমরা কুরআন-হাদিসে পাই । মহানবি (স) বলেছেন, “তােমরা পৃথিবীবাসীর প্রতি অনুগ্রহ করাে, তাহলে যিনি আসমানে আছেন তিনি তােমাদের প্রতি দয়া করবেন।' (তিরমিযি) এছাড়া হাদিসে মুমিন ব্যক্তিকে সর্বদা মানুষের খেদমতে নিয়ােজিত থাকতে বলা হয়েছে। সকল মানুষ ভাই ভাই। সকলেই আদম (আ)-এর সন্তান। 


তাই প্রকৃতপক্ষে মানুষের মধ্যে কোনাে ব্যবধান নেই। এজন্য আমাদের নবি (স) ছােট-বড়, ধনী-গরিব, মুসলিমঅমুসলিম, সবাইকে সাহায্য করেছেন। সবার খোঁজ-খবর নিয়েছেন। বিপদগ্রস্ত, অভাবী এমনকি চরম শত্রুও তার দয়া ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত হয়নি। তিনি বলেছেন, বান্দা যতক্ষণ তার ভাইয়ের সাহায্যে নিয়ােজিত থাকে ততক্ষণ আল্লাহ তাকে সাহায্য করতে থাকেন' (মুসলিম)


উপরের আলােচনা থেকে প্রমাণিত হয়, মানুষের প্রতি সদয় হওয়া অর্থাৎ মানবসেবা করা মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশিত ও পছন্দনীয় কাজ। তাই এ ব্যাপারে মুমিন সাহেবের পরামর্শ সঠিক।


পঠ-১ ও ২কাজপাঠ্যবই পৃষ্ঠা-১০২ ১৫A' রােযা রাখে কিন্তু নামায আদায় করে না। সে নামাযের ব্যাপারে উদাসীন। অথচ মহানবি (স) বলেছেন নামায ইমান ও | 


ক, নামায কোন ভাষার শব্দ? 

খ. নামাযের নামকরণ ব্যাখ্যা করাে।


গ. শরিয়তের আলােকে A-এর কাজটি ব্যাখ্যা করাে।


 ঘ. মহানবি (স) এর বাণীটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করাে।

 


২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর


ক) নামায ফার্সি ভাষার শব্দ।

খ) নামায ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ।

নামায ফার্সি শব্দ। এর আরবি প্রতিশব্দ সালাত, দোয়া, ক্ষমা প্রার্থনা করা ও রহমত কামনা করা। আল্লাহ তায়ালা দৈনিক পাঁচবার নামায আদায় করাকে মুমিনদের ওপর ফরজ করেছেন। সালাতের মাধ্যমে মানুষ আল্লাহ তায়ালায় নিকট দোয়া করে, দয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকে। যেহেতু মানুষ নামাযের মাধ্যমে প্রভুর কাছে দোয়া করে তাই একে নামায নামে নামকরণ করা হয়েছে।

গ) শরিয়তের আলােকে ‘A’ নামায আদায় না করে সঠিক কাজ করেনি। ইসলামের মৌলিক ইবাদতগুলাের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলাে নামায। এটি ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ। প্রত্যেক নির্দিষ্ট সময়ে, নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আল্লাহ তায়ালার কাছে দয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করাকে নামায বলে। প্রত্যেক মুসলমানের ওপর নামায আদায় ফরজ। কিন্তু 'A' এর কাজে এর বিপরীত চিত্র দেখা যায় ।


উদ্দীপকের 'A' রমযানের ফরজ রােযা রাখে কিন্তু নামায আদায় করে না। সে নামাযের প্রতি উদাসীন। ইসলামে ইবাদতের দুটি দিক রয়েছে; হাক্কুল্লাহ ও হাক্কুল ইবাদ। আল্লাহ তায়ালার সাথে সম্পর্কিত ইবাদতকে হাক্কুল্লাহ বলে। নামায, রােযা, হজ, যাকাত এগুলাে হাক্কুল্লাহ এর অন্তর্গত।


 আর আল্লাহর হক আদায় করা ফরজ। আল্লাহর হক অস্বীকার কিংবা অবজ্ঞা করার পরিণাম ভয়াবহ। সুতরাং বলতে পারি 'A' যদি রােযা রাখার সাথে সাথে নামায আদায় করে তাহলে তার দুনিয়া ও আখেরাতের জীবন সুন্দর হবে। অন্যথায় ফরজ ত্যাগের ফলে তাকে কঠিন শাস্তি ভােগ করতে হবে।

ঘ) উদ্দীপকে উল্লেখিত মহানবি (স)-এর বাণীর মধ্যে সালাতের ধমীয় গুরুত্বের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।

প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত বা নামায আদায় করা ফরজ। আল্লাহ তায়ালা নামায আদায়কারীদের জন্যে যেমন পরকালীন পুরস্কারের ঘােষণা করেছেন তেমনি নামায আদায় না করার শাস্তিরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। উদ্দীপকে এটিই প্রকাশিত হয়েছে।

উদ্দীপকে মহানবি (স)-এর একটি ছােট হাদিস উল্লেখ করা হয়েছে । যেখানে নবিজি (স) বলেন, 'নামায ইমান ও কুফরের মধ্যে পার্থক্যকারী'। দৃশ্যত নামায হলাে বাহ্যিক ইমানের প্রকাশ।


 মানুষের বুক ফেঁড়ে ইমান দেখা যায় না, কিন্তু বাহ্যিক ইবাদতের মাধ্যমে তার অবস্থা বােঝা যায় । প্রতিটি ধর্মের নিজ ধর্মীয় কর্মকাণ্ড রয়েছে যেগুলাে তার ধর্মের চিহ্নস্বরূপ। ইসলামেরও প্রাথমিক নিদর্শন হলাে নামায। নামাযের গুরুত্ব এত বেশি যে হাদিসে এসেছে, কিয়ামতের দিন সবার আগে নামাযের হিসেব নেওয়া হবে।'
 

 (মিশকাত) তাছাড়াও মহানবির প্রাথমিক জীবনী থেকে একথা জানতে পারি যে, কাফিররা নবিজি (সা.)কে নামায আদায়রত অবস্থায় দেখলে ব্যঙ্গ করত, উটের নাড়িভুড়ি মাথায় ঢেলে দিতে। সাহাবিরাও নামায আদায় করার কারণে অনেক বেশি অত্যাচারিত হয়েছিলেন।


উপরের আলােচনা থেকে এ কথাই প্রতীয়মান হয় যে, ইমানের বাস্তব আমল হিসেবে সালাত মুমিন ও কাফিরের মধ্যে পার্থক্যকারীরূপে ভূমিকা রাখে।

শেষ 

আজকের টপিক টি এখানে শেষ করছি আমি।  সবাই ভালো থাকবেন। 


 আরো পড়ুন ঃ

Md Nayeem Hasan neion

আমার নাম নাঈম হাসান (নিয়ন). আমি ব্লগ লিখতে ভালোবাসি .facebook

1 মন্তব্যসমূহ

নবীনতর পূর্বতন

জেএসসি