৮ম শ্রেণির বাংলা সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান ২০২১

 ৮ম শ্রেণির বাংলা সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান ২০২১


আসসামু আলাইকুম সবাইকে।  কেমন আছেন। আশা করি সবাই ভালো আছো বা আছেন। আমি ও ভালো আছি তোমাদের দোওয়াই  আমি ভালো আছি। আর আমাদের দেশে স্কুল খুলবে।১২ তারিখ। 


আমাদের দেশ ১৭ মাস স্কুল বন্ধ থাকার পর আমরা আশা করছি ১২ তারিখ এই মাসের। এই ১৭ মাস স্কুল বন্ধ থাকার কারণে সরকার তোমাদের পাঠ দানের জন্য অনলাইন ক্লাস এবং তোমাদের এসাইনমেন্ট দেয়েছে। 




কিন্ত অবশেষে স্কুল খুলে দেওয়া  ঘোষণা এসেছে। আর এই এসাইনমেন্ট এর সব উওর তোমরা আমাদের মত আনেক সাইট থেকে উওর নিয়েছো। তাই ১৪ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট শেষ এসাইনমেন্ট বলে আমরা ধারণা করছি। তাই এখন থেকে আমরা বিভিন্ন ক্লাস এর সমাধান দিবো।

আর আজ আমরা বাংলার সাজেশা বা সৃজনশীল দিবো।

Meta tag:৮ম শ্রেণির বাংলা সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান ২০২১,৮ম শ্রেণির গণিত সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান,জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২১,জেএসসি পরীক্ষা হবে কিনা ২০২১


Class 8/জেএসসি

জেএসসি) হল একটি পাবলিক পরীক্ষা যা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা স্কুলের আট বছর সফলভাবে শেষ করার পর গ্রহণ করে। এর পরেই মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি)।  জেএসসি চালু হওয়ার আগে, তার জায়গায় এক একটি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল (তখন মাধ্যমিক ব্রিটি বা জুনিয়র স্কলারশিপ নামে পরিচিত)। এটি একটি স্বেচ্ছাসেবী বৃত্তিমূলক পরীক্ষা ছিল এবং বাধ্যতামূলক নয় তা । ২০১১ সাল থেকে, জেএসসি পরীক্ষার প্রশ্নে একাধিক প্রশ্নের (and থেকে ১১ এর মধ্যে, যার মধ্যে to থেকে ss টি সেটের উত্তর দেওয়া প্রয়োজন) চারটি প্রশ্নের সেট রয়েছে, প্রত্যেকটি বিষয়ে শিক্ষার্থীর জ্ঞান, বোঝাপড়া, আবেদন এবং উচ্চতর অর্ডার চিন্তা দক্ষতা থাকা প্রয়োজন হয় । সমাধান করার বিষয়। এই সিস্টেমকে সৃজনশীল (স্থানীয়ভাবে শ্রীজনশীল বলা হয়) প্রশ্ন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এটা বলা হয় [কার দ্বারা?] যে জেএসসি চালু করা হয়েছিল যাতে দেশের দরিদ্র ও নিituteস্নুষরা পরীক্ষায় ভালো করতে পারে। পরীক্ষার্থীরা, যদি তারা ব্যর্থ হয়, তাহলে পরের বছরে অন্যান্য নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের সাথে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।


আরো পড়ুন ঃ




১ প্রশ্ন সৃজনশীল 



প্রচণ্ড যানজটে আটকাপড়া ট্যাক্সির ভেতর বসে শাহেদা বেগম অস্থিরভাবে এদিক-ওদিক দেখছেন। কলেজছাত্র সঞ্জয় ও সাজিদ ঐ পথেই যাচ্ছিল। শাহেদা বেগমের অসহায় অবস্থা দেখে তারা এগিয়ে গিয়ে দেখল, মায়ের পাশে প্রচণ্ড জ্বরে প্রায় অচেতন অবস্থায় শুয়ে আছে তার সন্তান। সঞ্জয় দ্রুত শিশুটিকে কোলে নিয়ে শাহেদা বেগমকে নিয়ে এগােতে থাকে। অন্যদিকে, সাজিদ গাড়ির পাশ কাটিয়ে পথ তৈরি করে আগে আগে চলতে থাকে। এভাবে তারা দ্রুত অসুস্থ শিশুসহ শাহেদা বেগমকে হাসপাতালে পৌছে দেয়। কুক, বাে, ১৯/

ক. গ্রামের ভাদুই কুমাের লেখকদের বাড়িতে কেন এসেছিল? 

খ. বিধুর কাছে আসা লােকটি বিধুকে শাসিয়েছিল কেন?  

গ. উদ্দীপকের শাহেদা বেগম পড়ে পাওয়া' গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করাে।


ঘ. সঞ্জয় ও সাজিদ কি গল্পের কিশাের চরিত্রের সার্থক প্রতিরূপ? তােমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

১ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক) গ্রামের ভাদুই কুমাের লেখকদের বাড়িতে কুয়াে কাটানাের মজুরি চাইতে এসেছিল।

খ। মিথ্যে বর্ণনা দিয়ে বাক্স না পেয়ে বিধুর কাছে আসা লােকটি ক্ষোভে বিধুকে শাসিয়েছিল।

পড়ে পাওয়া বাক্সটি সঠিক মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিতে ছেলেরা বিজ্ঞপ্তি লিখে নদীর ধারে বিভিন্ন গাছে আটকে দেয়। তখন লােভে পড়ে “একজন লােক বিধুর কাছে এসে বাক্সটি চায়। বিধু লােকটির কাছে বাক্সের বর্ণনা জানতে চাইলে সে সার্বিক বর্ণনা দিতে ব্যর্থ হয়। এ কারণে বিধু লােকটিকে চলে যেতে বলায় সে রেগে গিয়ে তাকে শাসিয়ে চলে যায় ।


গ। উদ্দীপকের শাহেদা বেগম ‘পড়ে পাওয়া' গল্পের অম্বরপুরের নিঃস্ব কাপালি চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

‘পড়ে পাওয়া' গল্পের কথক ও তার বন্ধু বাদল আম কুড়ানাে শেষে বাড়ি ফেরার পথে একটা টিনের ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পায়। বাক্সটি ছিল অম্বরপুরের এক কাপালি পরিবারের। তার বাক্সের মধ্যে ছিল মেয়ের বিয়ের জন্য প্রায় আড়াই শাে টাকার গহনা আর পটল বেচার নগদ পঞ্চাশ টাকা। কাপালিদের এলাকায় বন্যা শুরু হলে তারা গৃহহীন হয়ে দিশাহারা হয়ে পড়ে। একের পর এক বিপদে তার অবস্থা দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। কিন্তু গল্পকথক ও তার বন্ধুদের সততা ও কর্মতৎপরতায় কাপালি তার হারিয়ে যাওয়া বাক্সটি ফিরে পায় ।

উদ্দীপকে বর্ণিত শাহেদা বেগম তার মুমূর্ষ সন্তানের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পথে প্রচণ্ড যানযটের কারণে তিনি দিশাহারা হয়ে অস্থিরভাবে এদিক-ওদিক তাকাতে থাকেন। কলেজছাত্র সঞ্জয় ও সাজিদ সে পথ দিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি লক্ষ করে। তারা বুদ্ধি করে শিশুটিকে কোলে নিয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌছে যায়। অসহায় শাহেদা বেগম তাদের মানবিক আচরণের কারণে বিপদ থেকে রক্ষা পান। একইভাবে, পড়ে পাওয়া' গল্পের কিশােরদের বাক্সটি ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে দরিদ্র কাপালি তার সমস্যা থেকে মুক্তি পায়। এভাবে গল্পের কাপালির অসহায় অবস্থা থেকে উদ্ধার পাওয়ার দিকটি উদ্দীপকের শাহেদা বেগমের মাঝেও ফুটে উঠছে।



ঘ ‘পড়ে পাওয়া' গল্পের কিশােরদের মধ্যে উন্নত মানবিকতাবােধের পরিচয় পাওয়া যায়, যা উদ্দীপকের সঞ্জয় ও সাজিদের মধ্যেও লক্ষণীয়।

‘পড়ে পাওয়া' গল্পে কথক ও বাদল পথে একটা ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পায় । বাক্সটির ভেতরের সম্পদ প্রথমে তারা নিজেরা রেখে দিতে চায়। পরবর্তীতে নৈতিকতা ও সততা তাদেরকে এই কাজ করতে বাধা দেয়। তাই তারা লােভ সংবরণ করে বন্ধুদের সাহায্য নিয়ে প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করে। এর মাধ্যমে গল্পের কিশােররা বয়সের তুলনায় অনেক বেশি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়।

উদ্দীপকের শাহেদা বেগম একজন অসহায় মা। তিনি তার মুমূর্ষ সন্তান নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পথে প্রচণ্ড যানজটের কারণে তিনি যথাসময়ে হাসপাতালে পৌঁছাতে পারছিলেন না। বিপদে পড়ে তিনি অস্থিরভাবে এদিক-ওদিক তাকাচ্ছিলেন। এমন সময় কলেজছাত্র সঞ্জয় ও সাজিদের বিষয়টি চোখে পড়ে। তারা বুদ্ধি করে শিশুটিকে কোলে নিয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে যায়। অসহায় শাহেদা বেগম তাদের মানবিকতার কারণে বিপদ থেকে রক্ষা পান। এর মাধ্যমে সঞ্চয় ও সাজিদের নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়।

‘পড়ে পাওয়া’ গল্প আর উদ্দীপক উভয়ক্ষেত্রেই চরিত্রগুলাের মধ্যে সততা ও নৈতিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। গল্পের চরিত্ররা কুড়িয়ে পাওয়া সম্পদ চাইলেই নিজেদের কাছে রাখতে পারত। কিন্তু তারা তা করেনি। প্রকৃত মালিককে জিনিস ফিরিয়ে দেওয়ার তাড়না কাজ করেছে তাদের মাঝে । লােভ সংবরণ করে তারা প্রকৃত মালিককে তার সম্পদ ফিরিয়ে দিয়ে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে। অন্যদিকে, কলেজছাত্র সঞ্জয় ও সাজিদ অন্যদের মতাে নিজের কাজে চলে যেতে পারত। কিন্তু তারা তা না করে এক অসহায় মায়ের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে। এটি তাদের মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতারই পরিচায়ক। সেদিক বিবেচনায় কলেজছাত্র সঞ্জয় ও সাজিদ আলােচ্য গল্পের

কিশােরদের সার্থক প্রতিরূপ হয়ে উঠেছে।

২ নং সৃজনশীল প্রশ্ন

 দৃশ্যকল্প-১: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী রেল স্টেশনের ৪০০ মিটার পূর্ব দিকে ঝিনা রেলগেটে লাইন ভাঙা দেখে দুই শিশু গলায় পেঁচানাে লাল মাফলার তুলে ধরে। এটা দেখে চালক ট্রেনটিকে থামিয়ে দেয়। দৃশ্যকল্প-২: দিনাজপুরের রায়গঞ্জের সুদর্শনপুরের বাসিন্দা শংকরী দেবী চায়ের দোকান চালিয়ে বহুদিনের জমানাে টাকায় দুটি সােনার চুড়ি কেনেন। কিন্তু অটোরিকশায় বাড়ি ফেরার পথে গহনাসমেত ব্যাগটি হারিয়ে যায়। ব্যাগটি কুড়িয়ে পান রিকশাচালক সদানন্দ মণ্ডল। তিনি তার এলাকার একজন পরিচিত ব্যবসায়ীর মাধ্যমে জেলার চেম্বার অব কমার্সের সহযােগিতায় তাদেরই অফিসে সেই গহনা শংকরী দেবীকে ফিরিয়ে দিয়েছেন।

১ ক. বাক্স ফেরত দেওয়ার কথা মনে আসতেই তাদের মধ্যে কী ধরনের অনুভূতি কাজ করেছিল?

খ. ঠাকুরমশাই, আপনারা মানুষ না দেবতা?'—উক্তিটি কাপালি কেন করেছিল? বর্ণনা করাে।  


গ. দৃশ্যকল্প-১ এ উল্লিখিত ছেলে দুটির সঙ্গে ‘পড়ে পাওয়া গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রের পরিচয় দাও। 


ঘ. “দৃশ্যকল্প-২ ‘পড়ে পাওয়া' গল্পের মূল উদ্দেশ্যকেই ধারণ করে।” —উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করাে। 

২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক) বাক্স ফেরত দেওয়ার কথা মনে আসতেই তাদের মধ্যে নৈতিকতার এক অদ্ভুত অনুভূতি কাজ করেছিল

খ। গল্পকথক ও তার বন্ধুদের সততায় মুগ্ধ হয়ে কাপালি প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছিল।

‘পড়ে পাওয়া' গল্পে গল্পকথক ও তার বন্ধুদের উন্নত নৈতিক মূল্যবােধের পরিচয় পাওয়া যায়। তারা ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পেলে তা প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেয়। বাক্সটির মালিক ছিল একজন দরিদ্র কাপালি। সে গল্পকথকের পরিবারের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় নানা সাহায্য সহযােগিতা পেয়েছে। তার ওপর নিজের হারিয়ে যাওয়া ক্যাশ বাক্স ফিরে পেয়ে কাপালি লােকটি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে। তাই আবেগে, কৃতজ্ঞতায় সে বলেছে, ঠাকুরমশাই, আপনারা মানুষ না দেবতা?

গ)  দৃশ্যকল্প-১-এ উল্লিখিত ছেলে দুটির সঙ্গে পড়ে পাওয়া' গল্পের কিশােরদের কিছুটা সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।

‘পড়ে পাওয়া' গল্পে গল্পকথক ও তার বন্ধুদের উন্নত মানবিক বােধের পরিচয় পাওয়া যায়। গল্প জুড়েই তারা দায়িত্ব ও কর্তব্যবােধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উপৃস্থাপন করেছে। সেখানে গল্পকথক ও তার বন্ধু বাদল একটি ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পেয়েও তা আত্মসাৎ করেনি। তারা বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে বাক্সটি প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াকে নিজেদের দায়িত্ব মনে করেছে। বাক্সের মালিকের কষ্টের কথা চিন্তা করে তারা সমব্যথী হয়েছে। গল্পকথক ও তার বন্ধুদের এরূপ মনােভাব তাদের দায়িত্ববােধের দিকটিকেই ফুটিয়ে তােলে।

উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১ এ দুটি ছেলের দায়িত্ববােধের দৃষ্টান্ত লক্ষ করা যায় তারা একটি ট্রেনকে নিশ্চিত দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করেছে উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে। তারা রেললাইন ভাঙা দেখে নিজেদের গলায় পেঁচানাে লাল মাফলার তুলে ধরেছে ট্রেনের চালককে উদ্দেশ্য করে । চালক ছেলে দুটির সংকেত বুঝতে পেরে যথাসময়ে ট্রেনটি থামিয়ে দিয়েছে। ছেলে দুটির এরূপ দায়িত্বশীলতা ট্রেনটিকে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করেছে। অর্থাৎ উদ্দীপকের ছেলে দুটির দায়িত্বশীল আচরণ ‘পড়ে পাওয়া' গল্পের কিশােরদের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

ঘ)  সততা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় প্রদানে দৃশ্যকল্প-২ এবং ‘পড়ে পাওয়া অনুরূপ গল্প হওয়ায় প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ ।

‘পড়ে পাওয়া' গল্পে একদল কিশােরের সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতা প্রকাশ পেয়েছে। গল্পে তারা একটি ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পেয়েও তা আত্মসাৎ না করে প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। এর মধ্য দিয়ে তাদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং নৈতিক মূল্যবােধের দিকটিই মূর্ত হয়ে উঠেছে। কিশােরদের মাঝে প্রকাশিত এরূপ মানবীয় গুণাবলির পরিচয় দিতেই গল্পকার ‘পড়ে পাওয়া’ নামে কাহিনির অবতারণা করেছেন।

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এ সদানন্দ মণ্ডলের আচরণের মধ্যে সতত গুণটি ফুটে উঠেছে। তিনি দরিদ্র এবং রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু তাঁর মধ্যে সততার ক্ষেত্রে কোনাে ব্যত্যয় ঘটেনি সেজন্যই গহনাসমেত ব্যাগ কুড়িয়ে পেয়েও তা আত্মসাৎ করেননি সততা, নিষ্ঠা ও নৈতিক মূল্যবােধে তাড়িত হয়ে তিনি গহনাসমেত ব্যাগটি প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন। সদানন্দ মণ্ডলের এই মানবীয় গুণের দিকটিই উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এর মূল প্রতিপাদ্য। “পড়ে পাওয়া' গল্পের মূল উদ্দেশ্য কিশােরদের সততা ও নৈতিকতার দিকটি সকলের মাঝে তুলে ধরা। গল্পের কিশােরেরা সুযােগ থাকা সত্ত্বেও কুড়িয়ে পাওয়া জিনিস আত্মসাৎ না করে দায়িত্বশীলতা এবং সততার পরিচয় দিয়েছে। গল্পের এ দিকটি উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ পূর্ণরূপে ধারণ করতে পেরেছে। কেননা, সেখানেও সদানন্দ মণ্ডলের আচরণের মধ্য দিয়ে সতত ও দায়িত্বশীলতার দিকটিই প্রধান হয়ে উঠেছে। তাই নিশ্চিতভাবেই বল যায়, “উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ ‘পড়ে পাওয়া' গল্পের মূল উদ্দেশ্যকেই ধারণ করে”- মন্তব্যটি যথার্থ 


শেষ

 আজকের পোস্টটি এখানেই শেষ করছি।

Md Nayeem Hasan neion

আমার নাম নাঈম হাসান (নিয়ন). আমি ব্লগ লিখতে ভালোবাসি .facebook

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

জেএসসি