Jsc বাংলা ১ম সাজেশন ২০২১(jsc bangla examination) ৮ম শ্রেনির বাংলা সাজেশন

 Jsc বাংলা ১ম সাজেশন ২০২১(jsc bangla examination) ৮ম শ্রেনির বাংলা সাজেশন 

আসসামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা /শিক্ষার্থী। কেমন আছো তোমরা আশা করি সবাই ভাল আছো সব এভাবেই সবাই সবার নিজের কাজ করছ।।প্রতিদিনের মতোই আজও আমরা আরেকটি নতুন পোষ্ট নিয়ে আসলাম এই পোস্টে আমরা দিয়েছি মনে অনেক কিছু ঠিক বুজেছি কোন সাবজেক্ট সেটাই আমরা বলব আসতে আসতে কিন্তু আমরা মনে করি আপনারা অনেকেই ঘোরাঘুরি করতেছেন বাসার বাইরে যাচ্ছে কিন্তু দেশের অবস্থা খুব খারাপ তাই আপনার বাসা থেকে বের হবেন না বাসা থেকে অপারেশনে বের হলে এখন আমাদের আইন ব্যবস্থা কঠোর হচ্ছে আপনাদের বিপদে পড়তে পারেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের হবেন না।  stay home stay safe। 




অষ্টম শ্রেণির বাংলা প্রথম এর কিছু গদ্যপদ্য শিখব। আজ এই পোস্টে আমরা গত থেকে শিখব পদ্ম পরগনা থেকে আজ আমরা প্রথম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অধ্যায়ের ফুল বই আপনার বই থেকে পড়ে নেবেন আমরা তার ভেতর থেকে কয়েকটি প্রশ্ন সৃজনশীল প্রশ্ন দেবতার জেএসসির ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই প্রশ্নগুলো আপনারা ভালভাবে দেখে দেখে খাতায় নোট করে নেবেন এবং ভালোভাবে অনুশীলন করবেন যাতে আপনাদের gs63 এরকম কোন রিলেটেড প্রশ্ন প্রশ্ন আছে তাহলে আপনারা সহজেই লিখে দিতে পারেন সোজা সোজা। 

education 


এই সাইটটি অনলাইন শিক্ষামূলক সাইট এখন বাসায় বসে না আপনারা কি করবেন পড়াশোনা করতে পারেন না অনেক সলিউশন গাইড টাইটা অনেক কিছু থাকে বাট আমি যখন অ্যাসাইনমেন্ট দিয়েছে সেগুলো কোথায় পাবেন আমাদের হেল্পলাইনে আপনার অনলাইন থেকে কয়েকটি অনলাইন ভিত্তিক সাইট সাইট। সাইট বলা জেনেটিক ওয়েবসাইট অনলাইন টিক টিক টিক এডুকেশন শিক্ষামূলক একটি সাইট 100% সঠিক উত্তর বঙ্গ এবং অনেক কিছু প্রদান করে। 


আজ আমরা বাংলা প্রথমের প্রথম ও দ্বিতীয়  অধ্যায়ের 12 সৃজনশীল পরীক্ষা অনেক উপকারে আসবে সেম টু সেম আসতে পারে তাই আপনাকে দেখে দেখে লিখবেন খাতা এবং বারবার অনুসরণ করবে যাতে কোনো সমস্যা না হয় আমাদের নির্বুদ্ধিতা কোন প্রবলেম হয় না কথা অবশ্যই করবেন। 

গদ্য


১ম অধ্যায়ঃ অতিথির স্মৃতি 
২য় অধ্যায়ঃ ভাব ও কাজ 


প্রতি অধ্যায় থেকে একটি করে সৃজনশীল মোট ২টা সৃজনশীল ও তার উওর।

১ম অধ্যায়ঃ অতিথির স্মৃতি

সৃজনশীলঃ 
পানগাঁও গ্রামের কৃষক বিপ্লব দাস কৃষিকাজের পাশাপাশি চাষ করতেন। তিনি পুকুরে রুই, কাতলা, মৃগেল প্রভৃতি মাছের চাষ স্নান

করতেন। মাছগুলােকে তিনি প্রতিদিন দুই বেলা নিজ হাতে খাবা দিতেন, মাছগুলােও তাঁর হাত থেকে খাবার খেত। ওগুলাের মধ্যে দুটে কাতলা মাছ ছিল বিপ্লব দাসের অত্যন্ত প্রিয় ও আদরের। তিনি যখন করতেন তখন কাতলা দুটো তার কাছে চলে আসত এবং খেলত কোনাে কোনাে দিন তিনি যদি বাড়িতে না থাকতেন এবং খাবার দিতে দেরি হলে মাছগুলাে ঘাটে এসে লাফালাফি করত। 

ক, বেরিবেরির আসামি কারা?

খ. অতিথির স্মৃতি' গল্পে লেখকের কেনো মনে হতে লাগলোযে, হয়তে ওর মতাে তুচ্ছ জীব শহরে আর নেই! ব্যাখ্যা করাে। 

গ. উদ্দীপকের বিপ্লব দাস ও মাছ দুটোর সম্পর্কের সাথে অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখক ও অতিথির সম্পর্কের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকগুলাে বর্ণনা করাে।

ঘ,

“উদ্দীপক ও অতিথির স্মৃতি' গল্পের মূলবক্তব্য এক হলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন” – উত্তরের সপক্ষে তােমার যুক্তি উপস্থাপন

কবাে

উওরঃ 
ক) বেরিবেরির আসামি হলাে পা ফোলা অল্পবয়সি একদল মেয়ে। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখক দেওঘরে এসে একটি কুকুরের সঙ্গ লাভ

খ। অতিথির স্মৃতি' গল্পের অতিথি অসহায়, অবহেলিত একটি কুকুর। হওয়ায় লেখকের মনে হয়েছিল ওর চেয়ে তুচ্ছ জীব শহরে আর নেই ।

চিকিৎসকের পরামর্শে বায়ু পরিবর্তনের জন্য লেখক দেওঘরে এসেছিলেন। এখানে একাকী জীবনে তার এক সঙ্গী জুটে যায়, সঙ্গীটি হলাে একটি কুকুর । লেখক তাকে অতিথি’ বলে সম্বােধন করেছেন। অসহায়, অবহেলিত অতিথিকে লেখক আদর করে কাছে ডাকেন, তার সাথে গল্প করেন। কিন্তু লেখক জানেন যে, তিনি চলে গেলে অতিথি আবার অসহায় হয়ে পড়বে। তাই লেখক দেওঘর ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় আলােচ্য উক্তিটি করেন।

গ,) অসহায়, অবহেলিত প্রাণীর প্রতি অকৃত্রিম ভালােবাসা প্রকাশের দিক দিয়ে উদ্দীপকের বিপ্লব দাস ও মাছ দুটোর সম্পর্কের সাথে অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখক ও অতিথির সাদৃশ্য রয়েছে।

করেন। তিনি কুকুরটিকে স্নেহ-ভালােবাসা দিয়ে পরম মমতায় কাছে টেনে নেন। কুকুরটিও তাঁর ভালােবাসা পেয়ে বশ্যতা স্বীকার করে নেয়। বাড়ি ফেরার সময় তাই কুকুরটিকে ছেড়ে যাওয়ার যন্ত্রণায় দগ্ধ হন লেখক। উদ্দীপকের বিপ্লব দাস মাছ চাষ করতেন বিধায় মাছের সঙ্গে তার সখ্য গড়ে ওঠে। দুটো কাতলা মাছ ছিল তার অত্যন্ত প্রিয়। বিপ্লব দাস ও মাছ দুটোর মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। একই সম্পর্ক ‘অতিথির স্মৃতি' গল্পেও লক্ষণীয়। লেখকের সঙ্গে পথের একটি কুকুরের হৃদ্যতার সম্পর্ক গড়ে ঠার দিকটি আমরা লক্ষ করি ..লেখক কুকুরটির প্রতি আন্তরিক ভালােবাসা ও মমতা অনুভব করেন। আর এভাবেই অবলা জীবের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের দিকটির পরিচয় পাই। এ দিকটিই উদ্দীপকের বিপ্লব দাস ও মাছ দুটোর সম্পর্কের সাথে ‘অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখক ও অতিথির সম্পর্কের সাদৃশ্য তৈরি করেছে।

ঘ “উদ্দীপকে ও অতিথির স্মৃতি' গল্পের মূলবক্তব্য এক হলেও বিষয়বস্তু বিবেচনায় প্রেক্ষাপট ভিন্ন”- মন্তব্যটি যথার্থ ।

অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখক দেওঘরে বায়ু পরিবর্তনের জন্য এলে একটি কুকুর তার পিছু নেয়। হাঁটতে হাঁটতে কুকুরটি লেখকের বাড়ি পর্যন্ত চলে আসে। তখন লেখক কুকুরটিকে অতিথির মর্যাদা দিয়ে আপ্যায়ন করেন। একটি কুকুরের সঙ্গে অসুস্থ লেখকের কয়েকদিনের পরিচয়ের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা মমত্বের সম্পর্ক গল্পটিতে প্রকাশ পেয়েছে।

উদ্দীপকে বিপ্লব দাস ও তার চাষকৃত কাতলা মাছের মধ্যে গড়ে ওঠা সম্পর্কের দিকটি বর্ণিত হয়েছে। অনেক মাছের মধ্যে তাঁর প্রিয় দুটো কাতলা মাছকে তিনি যত্ন-আত্তি করে খাওয়ান। মাছ দুটোও তার

ভালােবাসা বুঝতে পারে। এভাবেই মাছের সাথে বিপ্লব দাসের হৃদ্যতার সম্পর্ক তৈরি হয়।

অতিথির স্মৃতি' গল্পে একটি অবলা প্রাণীর প্রতি লেখন্মে মমত্ববােধের দিকটি উঠে এসেছে।

এখানে দেখানাে হয়েছে একটি প্রাণীর সঙ্গে একজন অসুস্থ মানুষের গড়ে ওঠা মমত্বের সম্পর্কের বিষয়টি। অন্যদিকে উদ্দীপকেও অবলা প্রাণীর সঙ্গে মানুষের মমতার সম্পর্কটি উঠে এসেছে। কিন্তু উভয়ের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। একজন পথের কুকুরের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছেন অন্য জন মাছের সঙ্গে। সুতরাং প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

২য় অধ্যায়ঃ ভাব ও কাজ 

সৃজনশীলঃ

বাংলাদেশের ন্যায় উন্নয়নশীল দেশের ক্ষেত্রে  দেশের সার্বিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুবদের অফুরন্ত প্রাণশক্তি, সৃজনশীল কর্মক্ষমতা, ক্লান্তিহীন উৎসাহ, ঝড়ের ন্যায় গতিবেগ এবং তাদের কর্মস্পৃহা ও কমোদ্দীপনার ওপর জাতীয় উন্নতি অনেকাংশে নির্ভরশীল। মােট জনসংখ্যার প্রায় একতৃতীয়াংশ যুব; যা আনুমানিক ৫ কোটি, এই বিরাট যুবশক্তিকে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে সম্পৃক্ত করা প্রয়ােজন।

 ক, ভাব ও কাজ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক ভাবকে কীসের দাস করার কথা বলেছেন?

খ) ভাব ও কাজ' প্রবন্ধে উল্লিখিতযে তাহাকে নিঃস্বার্থ ত্যাগ ঋষি হইতে হইবে' কথাটি ব্যাখ্যা করাে।

গ.  উদ্দীপকে ‘ভাব ও কাজ' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে এটা? আলােচনা করােম।

ঘ. উদ্দীপকটি ভাব ও কাজ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের দৃষ্টিভঙ্গিকে সম্পূর্ণ ধারণ করে কি? যৌক্তিক মতামত দাও। 
  
 উওরঃ
ক) ভাব ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক ভাষকে কাজের দাস করার কথা বলেছেন।

খ) প্রশ্নোক্ত ভাব ও কাজ' প্রবন্ধের কথাটির মধ্য দিয়ে প্রাবন্ধিক মানুষের মনে ভাবের জাগরণ ঘটানাের ক্ষেত্রে নিঃস্বার্থ ও ত্যাগী নেতৃত্বের আবশ্যকতার কথা তুলে ধরেছেন।

প্রাবন্ধিক মনে করেন, মানুষকে জাগিয়ে তােলার জন্য, তার মধ্যে কর্মস্পৃহা তৈরির লক্ষ্যে ভাবের প্রয়ােজন রয়েছে। এজন্য নিঃস্বার্থ ও ত্যাগী নেতৃত্বের প্রয়ােজন। কেননা, নিঃস্বার্থ ও ত্যাগী না হলে সে নেতৃত্ব সামগ্রিক কল্যাণের লক্ষ্যে বেশিদূর এগিয়ে যেতে পারবে না। উপরন্তু উদ্যম এবং চেষ্টার অপচয় দেখে মানুষ কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। প্রশ্নোত উক্তিটিতে এ বিষয়টিই ব্যক্ত হয়েছে।

| গ) উদ্দীপকে ‘ভাব ও কাজ' প্রবন্ধে উল্লিখিত কর্মস্পৃহার গুরুত্বের দিকটি ফুটে উঠেছে।

‘ভাব ও কাজ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক ভাবের সঙ্গে কাজের সম্পর্কের দিকটি উপস্থাপন করেছেন। তিনি মনে করেন, ভাবের সঙ্গে কর্মস্পৃহার সমন্বয়েই কাজ পূর্ণতা পায়। বস্তুত, কাজকে বাস্তবায়িত করার জন্য কর্মস্পৃহার প্রয়ােজনীয়তা অপরিসীম। ||

উদ্দীপকে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উদ্যম ও কর্মস্পৃহার গুরুত্ব সম্পর্কে আলােকপাত করা হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের মতাে উন্নয়নশীল দেশের অগ্রগতির লক্ষ্যে যুবসমাজের অংশগ্রহণের প্রতি তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কেননা, তাদের উদ্যম এবং কর্মস্পৃহাই দেশকে এগিয়ে নিতে পারে। একইভাবে, ভাব ও কাজ' প্রবন্ধেও প্রাবন্ধিক পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য কর্মে প্রবৃত্ত হতে বলেছেন। তিনি মনে করেন, ভাবের সঙ্গে কর্মস্পৃহার মেলবন্ধন ঘটলেই কাজে সফলতা আসবে। প্রাবন্ধিকের এই মন্তব্য উদ্দীপকের বক্তব্যের অনুগামী। সে বিবেচনায়, উদ্দীপকটিতে আলােচ্য প্রবন্ধে উল্লিখিত কর্মস্পৃহার তাৎপর্যের দিকটিই ফুটে উঠেছে।

ঘ) উদ্দীপকটি 'ভাব ও কাজ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের দৃষ্টিভঙ্গিকে সম্পূর্ণ ধারণ করে না।

'ভাব ও কাজ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক ভাব ও কাজের স্বরূপ তুলে ধরে ভাবের সঙ্গে কাজের সম্পর্ক নিরূপণ করেছেন। প্রাবন্ধিক মনে করেন, ভাবকে কাজে পরিণত করতে পারলেই এর সার্থকতা; অন্যথায় এর মূল্য থাকে । তাই জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে নিঃস্বার্থ মনােভাব নিয়ে ভাব ও কাজের সমন্বয় সাধন করতে হবে।

উদ্দীপকে বাংলাদেশের মতাে উন্নয়নশীল দেশের সার্বিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে তরুণদের অফুরন্ত প্রাণশক্তি, তাদের কর্মোদ্যম এবং কর্মস্পৃহাকে জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

বস্তুত, তুরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের উৎসাহ এবং সৃজনশীলতা জাতীয় জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করবে। আলােচ্য প্রবন্ধের বিষয়বস্তু এর থেকে অনেকটাই ভিন্ন

ভাব ও কাজ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক আমাদের অকারণ ভাবােচ্ছাসকে লক্ষ করে ভাবপাগলা জাতি বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি মনে করেন, কেবল ভাবােচ্ছ্বাসে মগ্ন না হয়ে আমাদের কর্মতৎপর হওয়া উচিত। এর মধ্য দিয়েই সার্বিক উন্নয়ন সাধিত হবে। একইভাবে, উদ্দীপকেও দেশের উন্নয়নের জন্য কর্মস্পৃহাকে পুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে আলােচ্য প্রবন্ধটিতে প্রাবন্ধিক মূলত ভাবের সঙ্গে কাজের সমন্বয় সাধনের ওপর জোর দিয়েছেন। তাছাড়া ভাবকে নিরর্থক মনে না করে দেশ ও জাতির জাগরণের ক্ষেত্রে এর ভূমিকার কথা বর্ণনা করেছেন তিনি। উদ্দীপকে কবির এই দৃষ্টিভঙ্গির দিকটি সেভাবে পরিলক্ষিত হয় না। এ

বিবেচনায়, উদ্দীপকটি 'ভাব ও কাজ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের দৃষ্টিভঙ্গিকে সম্পূর্ণ ধারণ করে না বলেই আমি মনে করি ।
  

এই সাইট ১০০% সঠিকভাবে আপনাদের উত্তর দিয়।


আমাদের সাইট ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।,,,,

Md Nayeem Hasan neion

আমার নাম নাঈম হাসান (নিয়ন). আমি ব্লগ লিখতে ভালোবাসি .facebook

3 মন্তব্যসমূহ

নবীনতর পূর্বতন

জেএসসি