এসএসসি ইসলাম ধর্ম সাজেশন ২০২১ (islam ssc suggestion) ১০ ম শ্রেনির ইসলাম ধর্ম সাজেশন

 এসএসসি ইসলাম ধর্ম সাজেশন ২০২১ (islam ssc suggestion) ১০ ম শ্রেনির ইসলাম ধর্ম সাজেশন

আসসামু আলাইকুম আমার সব প্রিয় শিক্ষার্থী বিন্দুরা। কেমন আছেন সবাই। আশা করি সবাই ভালো আছো। আমি ও ভালো আছি।  প্রতি দিন এর মত আজ ও আমরা নতুন একটা পোস্ট নিযে এসেছি। 

আজ আমরা ১০ম শ্রেনির/ssc  islam  নিয়ে আলোচনা করবো। আজ আমরা ১০ম শ্রেনির .islam এর ১ অধ্যায় থেকে ২ টা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উওর দিবো। 

তাই আপনারা মনোযোগ দিয়ে দেখেন। আর কথা না বারিই. 



এসএসসি 

আমরা আগের পোষ্টে বলেছিলাম যে জেএসসি পড়ে এসেছি আসে। জেএসসির পড়েন সেই ইম্পোর্টেন্ট জিনিস হল শিশুর এসএসসি/ ssc পরীক্ষার। আপনাদের স্কুল লাইফের সেই সকল এসএসসি/ssc পরীক্ষা। 

তাই আপনাদের সেজদার ফেরোজে আপনাদের অবশ্যই ভাল রেজাল্ট করেছেন তাদের তাই আপনাদের jsc-jdc এর চেয়ে  এসএসসিতে গুরুত্ব দেওয়া লাগবে। 

সিটি কেবল মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং এসএসসি হলো উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার এবং আপনাকে স্কুলের শেষ ধাপ পরীক্ষা তারপরে আপনার কলেজে উঠে যাবে। যাকে সবাই মেটিক পরীক্ষা নামেই চিনি। 

ফোন করো না কালের জন্য এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না তাই তারা অ্যাসাইনমেন্ট পেপার এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা নিবে কারণ তাদের জানা আছে যে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতেছি। 

এস এসসি/ssc পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ তাই এসএসসি পরীক্ষা আপনাদের নিজের ডিসেম্বর বাংলা স্টরি নভেম্বর মাসে। তাই আপনার এইচএসসি পরীক্ষা অনেক ভালো রেজাল্ট করার জন্য ভালো ভালো করবেন সবসময় সাজেশন খেয়াল রাখবেন সবসময় বৈধতা দেবে পরীক্ষার আগ পর্যন্ত।


 আমি আর কথা না বাড়িয়ে চলুন আজকে এসএসসি এর ইসলাম ধর্ম  202১ এর সাজেশন আমরা নিয়ে আলোচনা করি। 


প্রশ্ন ও উওর 


জনাব 'ক' একজন মুসলিম। তিনি তার বাসার এক কোণায় তার পিরের ছবি রেখেছেন। তিনি প্রতিদিন ঐ ছবিটিকে সালাম করেন। অন্যদিকে তার ভাই জনাব ‘খ’ একজন কর্মকর্তা। তিনি প্রায়ই মদ পান করেন এবং অফিসে ফাইল আটকিয়ে অর্থ আদায় করেন। তার ভাই তাকে নিষেধ করলে জনাব ‘খ’ বলে, আমি এসব অবৈধ মনে করি না। তাছাড়া আমি নামাযও পড়ি, রােযাও রাখি। পাঠ৬ ও ৪ কাজ পাঠ্যবই পৃষ্ঠা-১৩ ও ১৫

ক. শাফাআত অর্থ কী? 


খ, আসমানি কিতাবে বিশ্বাস অপরিহার্য কেন? গ. জনাব ক’ এর কাজটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করাে। ৩ ঘ. জনাব ‘খ’ এর কাজের পরিণতি বিশ্লেষণ করাে। 



 প্রশ্নের উত্তর।

ক শাফাআত অর্থ— সুপারিশ করা, অনুরােধ করা

খ) ইমানের সাতটি মৌলিক বিষয়ের একটি হওয়ায় আসমানি কিতাবে বিশ্বাস করা প্রয়ােজন।



আল্লাহ তায়ালার পবিত্র বাণীসমষ্টি আসমানি কিতাব নামে পরিচিত । মানবজাতির কল্যাণের জন্য মহান আল্লাহ এসব কিতাব নাজিল করেছেন। আসমানি কিতাবসমূহে বিশ্বাস স্থাপন না করলে প্রকৃত মুমিন হওয়া যায় । 


কেননা আসমানি কিতাবগুলাের মাধ্যমেই মানুষ আল্লাহ তায়ালা, নবিরাসুল, ফেরেশতা, পরকাল ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পেরেছে।


 কেউ যদি আসমানি কিতাবসমূহে বর্ণিত কোনাে বিষয়ে অবিশ্বাস করে তবে সে প্রকৃতপক্ষে ইমানের অন্যান্য বিষয়কেও অস্বীকার করে। সুতরাং ইমানের পরিপূর্ণতার জন্য আসমানি কিতাবে বিশ্বাস রাখতে হবে।



গ। 'ক' এর কাজটিতে শিরক প্রকাশ পেয়েছে। শিরক শব্দের অর্থ হলাে অংশীদার সাব্যস্ত করা, একাধিক স্রষ্টা বা উপাস্যে বিশ্বাস করা । মূলত আল্লাহর সাথে কোনাে ব্যক্তি বা বস্তুকে শরিক করা কিংবা তার সমতুল্য মনে করাকে শিরক বলা হয়। ক’ এর কাজে যা লক্ষণীয়।

মহান আল্লাহ তায়ালা এক ও অদ্বিতীয়। তার কোনাে শরিক নেই। মানুষ মহান আল্লাহর সৃষ্টি যারা আল্লাহ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। মহান আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীর যেকোনাে কিছু যেকোনাে সময় ধ্বংস করে দিতে পারেন আবার তিনি চাইলে সংরক্ষণ করতে পারেন। 


'ক' যে কাজটি করেছে সেটি সম্পূর্ণ ইসলামবিরােধী কাজ। ইসলামের দৃষ্টিতে এ কাজটি শিরকের অন্তর্ভুক্ত। 'ক' তার বাসায় পিরের ছবি রেখেছে। সে প্রতিদিন ছবিটিকে সালাম করে। যা শিরকের অন্তর্ভুক্ত। যা অমার্জনীয় অপরাধ। আর ‘ক’ ইসলামের দৃষ্টিতে শিরক করে মহা জুলুম করেছে যা ক্ষমার অযােগ্য।

ঘ) জনাব ‘খ’ হারাম জিনিসকে হালাল মনে করে কুফরি করেছে যার পরিণতি খুবই ভয়াবহ।

কুফর শব্দের অর্থ অস্বীকার করা, অবাধ্য হওয়া ইত্যাদি। ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলাের কোনাে একটির প্রতি অবিশ্বাস করা বা অবাধ্য হওয়াকে কুফর বলে । আর যে ব্যক্তি কুফরি করে তাকে কাফির বলে। উদ্দীপকের জনাব ‘খ’ এর মধ্যে এটিই প্রকাশ পেয়েছে।


উদ্দীপকের জনাব 
‘খ’ মদ পান এবং অফিসে ফাইল আটকিয়ে অর্থ আদায় করেন। তিনি এসব কাজকে অবৈধ মনে করেন না। অথচ ইসলাম এসব বিষয়কে হারাম ঘােষণা করেছে। শরিয়ত নির্দেশিত কাজের পরিপন্থি কাজ করাই কুফরি। 

কুফরি বিভিন্নভাবে হতে পারে। হালাল জিনিসকে হারাম এবং হারাম জিনিসকে হালাল বা জায়েজ মনে করাও এক ধরনের কুফরি। মানব জীবনে কুফরির পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। কুফরের ফলে শুধু দুনিয়াতেই নয় বরং আখেরাতেও কাফেরদের শােচনীয় পরিণতি বরণ করতে হবে। 


পরকালে তাদেরকে জাহান্নামের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভােগ করতে হবে এবং সেখানে চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তায়ালা কাফেরদের পরিণতি সম্পর্কে বলেন, 'আর যারা কুফরি করবে এবং আমার আয়াতগুলােকে অস্বীকার করবে তারাই জাহান্নামি। সেখানে তারা চিরদিন থাকবে।' (সূরা বাকারা: ৩৯)

উপরের আলােচনার আলােকে বলা যায়, জনাব ‘খ’ মদ পান করে আল্লাহর আদেশকে অস্বীকার করেছে, সাথে সাথে অফিসে ফাইল আটকিয়ে অর্থ আদায় করার মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণ করাকেও হালাল মনে করে শরিয়তের আইন অমান্য করেছেন। এর পরিণামে তাকে জাহান্নামে কঠিন শাস্তি ভােগ করতে হবে ।

প্রশ্ন 2 

প্রেক্ষাপট-১ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জনাব ‘ক’ মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন, মানুষের উন্নতি ও সফলতার ক্ষেত্রে সৃষ্টিকর্তার কোনাে হাত নেই। তাই সে পৃথিবীতে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী জীবনযাপন করেন।

| প্রেক্ষাপট-২: জনাব ফজল আহমদ একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করেন। তিনি মনে করেন, নবি-রাসুলগণ আল্লাহর মনােনীত বান্দা। অশান্ত পৃথিবীকে শান্ত করার জন্য যুগে যুগে আল্লাহ তাদের প্রেরণ করেছেন। মুহাম্মদ (স) এর মাধ্যমে তিনি এই ধারা বন্ধ করে দিয়েছেন পাঠ-৬ ও ৯ কাজ পাঠ্যবই পৃষ্ঠা-১৩ ও ২১ /চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ

ক. শাফাআত কাকে বলে?


২ খ. প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে'— বুঝিয়ে লেখাে।

গ. প্রেক্ষাপট-১ এ বর্ণিত বিশ্বাসের কুফল ও পরিণতি বর্ণনা করাে। 

 ঘ. প্রেক্ষাপট-২ এর বর্ণিত বিষয়গুলাে যে সঠিক তা কুরআন ও হাদিসের মাধ্যমে প্রমাণ করাে। 8

 প্রশ্নের উত্তর 

ক হাশরের মাঠে কল্যাণ ও ক্ষমা লাভের জন্য আল্লাহ তায়ালার কাছে নবি-রাসুল ও নেক বান্দাদের সুপারিশ করাকে শাফাআত বলে।

খ মহান আল্লাহ সব প্রাণীর মৃত্যু নির্ধারণ করে রেখেছেন। মানুষের পরকালীন জীবনের শুরু হয় মৃত্যুর মাধ্যমে। দুনিয়ার কোনাে প্রাণীই এর থেকে রেহাই পাবেনা। ছােট-বড়, ধনী-দরিদ্র, সুস্থ-অসুস্থ, শাসক-শাসিত কেউই মৃত্যুকে এড়াতে পারবে না। যত বড় ক্ষমতাধরই হােক আর যত সুরক্ষিত স্থানে বাস করুক, নির্দিষ্ট সময়ে মৃত্যু হবেই। অন্যান্য প্রাণীর ক্ষেত্রেও মৃত্যু অনিবার্য। তাই আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।' (সূরা আল-ইমরান, আয়াত-১৮৫)

গ। প্রেক্ষাপট-১ এ বর্ণিত বিশ্বাস কুফরের অন্তর্ভুক্ত, যার পরিণতি অত্যন্ত

কুফর শব্দের আভিধানিক অর্থ অবিশ্বাস করা, ঢেকে রাখা, গােপন করা, অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা ইত্যাদি। এটি ইমানের বিপরীত। কুফরের ফলে দুনিয়া এবং আখিরাতে মানুষকে শােচনীয় পরিণতি বরণ করতে হয়। প্রেক্ষাপট-১ এ বিষয়টির প্রতিফলন ঘটেছে।

প্রেক্ষাপট-১ এর জনাব 'ক' মানুষের উন্নতি ও সফলতার ক্ষেত্রে সৃষ্টিকর্তার হাতকে অস্বীকার করে। তাই সে পৃথিবীতে নিজের ইচ্ছামতাে জীবনযাপন করে। তার এ বিশ্বাস এবং কাজ কুফরেরই ইঙ্গিত দেয়। কারণ আল্লাহ তায়ালার মনােনীত দীন ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলাের কোনাে একটিরও প্রতি অবিশ্বাস করাকে কুফর বলে । মানুষ নানাভাবে কাফির হতে পারে । তারমধ্যে একটি হলাে আল্লাহর গুণাবলি অস্বীকার করা। যেমন- আল্লাহকে রিজিকদাতা, সৃষ্টিকর্তা হিসেবে না মানা। 'ক' এর বিশ্বাস এ বিষয়টি লক্ষণীয়। আর মানবজীবনে কুফরের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। কুফর মানুষের মধ্যে অবাধ্যতার জন্ম দেয়। ফলে সে আল্লাহ তায়ালার বিধিনিষেধ অমান্য করে। এতে ব্যক্তি সমাজের নানা ধরনের পাপকাজের সাথে জড়িয়ে পড়ে। ফলে সমাজে অনৈতিকতা ও পাপাচার বৃদ্ধি পায়। এ কারণে আল্লাহ তায়ালা কাফিরদের প্রতি অসন্তুষ্ট হন। কাফিরদের পরিণতি পরকালের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আল্লাহ তায়ালা বলেন, যারা কুফরি করবে এবং আমার নিদর্শনগুলােকে অবিশ্বাস করবে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে।' (সূরা আলবাকারা, আয়াত-৩৯) সুতরাং দেখা যায়, প্রেক্ষাপট-১ এ কুফরি প্রকাশ পেয়েছে। দুনিয়া এবং আখিরাতে যার পরিণতি মারাত্মক।

ঘ কুরআন ও হাদিসের আলােকে প্রেক্ষাপট-২ এ বর্ণিত রিসালাত সম্পর্কিত বিষয়গুলাে সঠিক।

মহান আল্লাহর পবিত্র বাণী মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার দায়িত্বকে রিসালাত বলে। মানুষের হেদায়েতের জন্য আল্লাহ রিসালাত ও নবুয়তের ধারা চালু করেছেন। এটি আদম (আ) এর মাধ্যমে শুরু এবং মুহাম্মদ (স) এর মাধ্যমে শেষ হয়েছে। প্রেক্ষাপট-২ এ বিষয়েরই ইঙ্গিত দেয়। প্রেক্ষাপট-২ এ বলা হয়েছে অশান্ত পৃথিবীকে শান্ত করার জন্য আল্লাহ যুগে যুগে তার মনােনীত বান্দাদের প্রেরণ করেছেন। মহানবি (স) এর মাধ্যমে এ ধারা বন্ধ হয়ে যায়। এ বিষয়গুলাের সত্যতা আমরা কুরআনহাদিসে পাই । দুনিয়ার মানুষের অবাধ্যতা যখন চরমে উঠেছে তখনই তাদের সৎপথ প্রদর্শনের জন্য আল্লাহ মনােনীত বান্দা বা নবি-রাসুল প্রেরণ করেছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'আর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্যই পথপ্রদর্শক রয়েছে।' (সূরা আর-রাদ, আয়াত-৭) আর নবিরাসূল প্রেরণের ধারার সর্বশেষ ব্যক্তি হলেন হযরত মুহাম্মদ (স)। তার মাধ্যমেই দীনের পূর্ণতা ঘােষিত এবং নবুয়তের ধারা সমাপ্ত হয়েছে। আল-কুরআনে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, মুহাম্মদ তােমাদের মধ্যে কোনাে পুরুষের পিতা নন, বরং আল্লাহর রাসুল এবং শেষ নবি।' (সূরাআহযাব, আয়াত-৪০) মহানবি (স) বলেছেন, 'আমিই শেষ নবি । আমার পরে কোনাে নবি নেই ।' (সহিহ মুসলিম)

উপরের আলােচনা এবং কুরআন-হাদিসের আলােকে প্রেক্ষাপট-২ বর্ণিত বিষয়গুলো সঠিক হিসেবে প্রমাণিত হয়।

শেষ



আজকের মতো এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আল্লাহ হাফেজ 
Md Nayeem Hasan neion

আমার নাম নাঈম হাসান (নিয়ন). আমি ব্লগ লিখতে ভালোবাসি .facebook

1 মন্তব্যসমূহ

নবীনতর পূর্বতন

জেএসসি