এসএসসি বাংলা ১ম সাজেশন ২০২১ (Bangla ssc suggestion) ১০ ম শ্রেনির বাংলা সাজেশন
আসসামু আলাইকুম আমার সব প্রিয় শিক্ষার্থী বিন্দুরা। কেমন আছেন সবাই। আশা করি সবাই ভালো আছো। আমি ও ভালো আছি। প্রতি দিন এর মত আজ ও আমরা নতুন একটা পোস্ট নিযে এসেছি।
আজ আমরা ১০ম শ্রেনির/ssc bangla নিয়ে আলোচনা করবো। আজ আমরা ১০ম শ্রেনির বাংলা ১ম এর ১ অধ্যায় থেকে ২ টা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উওর দিবো।
তাই আপনারা মনোযোগ দিয়ে দেখেন। আর কথা না বারিই।
এসএসসি
আমরা আগের পোষ্টে বলেছিলাম যে জেএসসি পড়ে এসেছি আসে। জেএসসির পড়েন সেই ইম্পোর্টেন্ট জিনিস হল শিশুর এসএসসি/ ssc পরীক্ষার। আপনাদের স্কুল লাইফের সেই সকল এসএসসি/ssc পরীক্ষা।
তাই আপনাদের সেজদার ফেরোজে আপনাদের অবশ্যই ভাল রেজাল্ট করেছেন তাদের তাই আপনাদের jsc-jdc এর চেয়ে এসএসসিতে গুরুত্ব দেওয়া লাগবে।
সিটি কেবল মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং এসএসসি হলো উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার এবং আপনাকে স্কুলের শেষ ধাপ পরীক্ষা তারপরে আপনার কলেজে উঠে যাবে। যাকে সবাই মেটিক পরীক্ষা নামেই চিনি।
ফোন করো না কালের জন্য এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না তাই তারা অ্যাসাইনমেন্ট পেপার এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা নিবে কারণ তাদের জানা আছে যে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতেছি।
এস এসসি/ssc পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ তাই এসএসসি পরীক্ষা আপনাদের নিজের ডিসেম্বর বাংলা স্টরি নভেম্বর মাসে। তাই আপনার এইচএসসি পরীক্ষা অনেক ভালো রেজাল্ট করার জন্য ভালো ভালো করবেন সবসময় সাজেশন খেয়াল রাখবেন সবসময় বৈধতা দেবে পরীক্ষার আগ পর্যন্ত।
আমি আর কথা না বাড়িয়ে চলুন আজকে এসএসসি এর বাংলা 2020 এর সাজেশন আমরা নিয়ে আলোচনা করি।
অধ্যায়ঃ বঙ্গবানী
সৃজনশীল ২ টা
প্রশ্ন ও উওর
হাজার বছরে পৃথিবীর কতাে ভাষা মরে গেছে, হারিয়ে গেছে। বহু ভাষা শুধু লাশের মতাে রক্ষিত হয়ে আছে কাগজের কফিনে। কোথায় আজ ভাষার রাজারা, গ্রিক-লাতিন-সংস্কৃত? কোথায় পালিপ্রাকৃত? ওই সব ভাষা আজ শুধু পণ্ডিতদের আনন্দ। কোনাে মানুষের বুক থেকে মুখ থেকে সেগুলাে মুখর হয়ে ওঠে না। কিন্তু বাঙলা জীবিত ও জীবন্ত ভাষা, মুখর হয়ে ওঠে বাঙালির মুখ থেকে। বুক থেকে। রক্ত ও অস্তিত্ব থেকে। জন্মের পর কেটে গেছে তারও জীবনের হাজার বছরেরও বেশি সময়। এতাে বছর ধরে স্থির অবিচল থাকে নি বাঙলা ভাষা। নানাভাবে বদলে গেছে তার রূপ। বদলে গেছে তার স্বর । কালেকালান্তরে নতুন থেকে নতুনতর হয়ে উঠেছে বাঙলা । [তথ্যসূত্র : কতাে নদী সরােবর বা বাঙলা ভাষার জীবনী-যুমায়ুন আজাদ
ক, হাবিলাষ' অর্থ কী?
খ, আরবি ফারসি শাস্ত্রে নাই কোন রাগ- ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকটি বঙ্গবাণী' কবিতার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর। ?
ঘ, “বাংলা ভাষার গুরুত্বের দিক থেকে বঙ্গবাণীএবং উদ্দীপকের মূলভাব একসূত্রে গাঁথা।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
উওরঃ
"ক) হাবিলাষ' অর্থ অভিলাষ বা প্রবল ইচ্ছা।
খ) অনুধাবন
‘আরবি ফারসি শাস্ত্রে নাই কোন রাগ'- চরণটির মধ্য দিয়ে এই ভাষাগুলাের প্রতি কবি তার শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন । ‘বঙ্গবাণী' কবিতায় কবি দেশি ভাষা বাংলার স্তুতি করেছেন। বাংলা ভাষার প্রতি নিজের শ্রদ্ধা ও ভালােবাসা বলিচিত্তে প্রকাশ করেছে কবি স্পষ্টভাবে এও বলেছেন যে, আরবি-ফারসি ভাষার প্রতি তাঁর মােটেই বিদ্বেষ নেই। এসব ভাষায় আল্লাহর বাণী ও মহৰিৰ বর্ণিত হয়েছে। তাই তিনি আরবি-ফারসি ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রশ্নোক্ত চরণটির মধ্য দিয়ে এ মনােভাবেরই প্রকাশ ঘটেছে।
সারকথা : কবি মাতৃভাষায় গভীরভাবে অনুরাগী এবং অন্যান্য ভাষার প্রতিও শ্রদ্ধাশীল।
গ) প্রয়ােগ
উদ্দীপকটি মাতৃভাষা বাংলার টিকে থাকা ও গুরুত্বের দিক থেকে বঙ্গবাণী' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। মানুষের সর্বাপেক্ষা বােধগম্য ভাষা হচ্ছে মাতৃভাষা। বাঙালির মাতৃভাষা বাংলা। বাংলা ভাষা হাজার বছরের পুরনাে। কালের বিবর্তনে বহু ভাষা হারিয়ে গেছে। কিন্তু বাংলা ভাষা টিকে আছে। এ ভাষার শেকড় অত্যন্ত দৃঢ় এবং তা বহু গভীরে বিস্তৃত। উদ্দীপকে বাংলা ভাষা টিকে থাকা এবং বাঙালির মুখে তা মুখর হয়ে ওঠার কথা বলা হয়েছে। বাংলা ভাষা বহু পুরনাে হওয়া সত্ত্বেও টিকে আছে। অথচ পৃথিবীর বহু সচল ভাষা আজ অচল। কোনাে কোনােটি একেবারে হারিয়ে গেছে অথবা বিলুপ্তির পথে। সেই তুলনায় বাংলা ভাষা স্বমহিমায় উজ্জ্বল। উদ্দীপকের এমন ভাবধারায় বাংলা ভাষার গুরুত্বের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এই বিষয়টি বঙ্গবাণী' কবিতায় প্রতিফলিত বাংলা ভাষার প্রতি গভীর অনুরাগকে নির্দেশ করে। কবি এখানে বলেছেন, বংশানুক্রমে বাংলাদেশেই আমাদের বসতি, বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভূমি এবং বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। কবিতার এ বিষয়টির সঙ্গেই উদ্দীপকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
সারকথা : উদ্দীপকে বিভিন্ন ভাষার বিলুপ্তির প্রসঙ্গ টেনে বাংলা ভাষায় টিকে থাকার দিকটি তুলে ধরা হয়েছে।
ঘ) উচ্চতর দক্ষতা
“বাংলা ভাষার গুরুত্বের দিক থেকে বঙ্গবাণী’ কবিতা ও উদ্দীপকের মূলভাব একসূত্রে গাঁথা।”- মন্তব্যটি যথার্থ। মাতৃভাষা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে মিশে থাকে। মাতৃভাষার মাধ্যমেই মানুষের চিন্তাচেতনা সার্থকভাবে প্রকাশ পায়।
স্বদেশীয় ভাষার প্রতি যারা অনুরাগ দেখায়, তাদের জীবন সার্থক। আর যারা তা পারে না, তারা ব্যর্থ। উদ্দীপকে বাঙালির মাতৃভাষা বাংলার টিকে থাকার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। কালের স্রোতে অনেক ভাষা বিলুপ্ত হলেও বাংলা ভাষা ক্রমশ উজ্জ্বলতা লাভ করেছে।
বাঙালির মুখে মুখে এ ভাষা মুখর হয়ে উঠেছে। এখানে বাংলা ভাষার গুরুত্বের দিকটি নির্দেশিত হয়েছে। বাংলা ভাষার এ দৃঢ়তা ও গভীরতার বিষয়টি বঙ্গবাণী' কবিতায় প্রতিফলিত বাংলা ভাষার প্রতি কবির গভীর অনুরাগের সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। কবি এখানে স্বদেশীয় ভাষাবিদ্বেষীদের বিরােধিতা করে তাঁর মাতৃভাষা বাংলার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। বঙ্গবাণী' কবিতায় কবি মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন।
তিনি একই সঙ্গে এ ভাষাবিদ্বেষীদের স্বদেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যেতে বলেছেন। কবির এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষার যে গুরুত্ব প্রকাশ পেয়েছে তা উদ্দীপকেও প্রতিফলিত হয়েছে। উদ্দীপকে হাজার বছরে বহু ভাষা হারিয়ে গেলেও বাংলা ভাষার টিকে থাকার বিষয়টি এ ভাষার গুরুত্বকে নির্দেশ করেছে। এসব বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
প্রশ্ন ২)
আমাদের বাড়ি নােয়াখালি হলে কী হবে কখনও আমাদের নােয়াখালি যাওয়া হয়নি। মার দেশ ছিল কুমিয়া। ভাগ্য ভালাে আফা ননায়াখালির আঞ্জলিক ভাষা মিলিয়ে কথা বলতেন। বাবার কথাবার্তা এবং দেশের বাড়ি থেকে যে আত্মীয়স্বজন, লােকজন আসত, ওদের থেকেই নিজের জেলার আঞ্চলিক ভাষাটা একটু শিখতে পেরেছি। নিজের জেলার ভাষা না জানলে কী লজ্জার ব্যাপার হতো মা? এমনিতেও ভাষার প্রতি আমার একটু দুর্বলতা আছে। আমার বড় ইচ্ছে হয়, আহা! আমি যদি সব অঞ্চলের ভাষা বলতে পারতাম, তবে কী ভালােই না হতাে।
[তথ্যসূত্র : স্মৃতির মণিকোঠায় আমার বাৰা- ফেরদৌসী মজুমদার।
ক. ‘আপে' শব্দের অর্থ লেখ।
খ. নিজ দেশ তেয়াগী কেন বিদেশ ন যায়’– ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকটি 'বঙ্গবাণী' কবিতার কোন দিকটিকে নির্দেশ করেছে? ব্যাখ্যা কর। ?
ঘ. উদ্দীপকের মূলভাব এবং বঙ্গবাণী' কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা”- মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ কর ।
প্রশ্নের উত্তর =
ক) ‘আপে’ শব্দের অর্থ স্বয়ং, আপনি।
খ) অনুধাবন
স্বদেশ ও মাতৃভাষার প্রতি যাদের বিন্দুমাত্র অনুরাগ নেই কবি তাদেরকে আলােচ্য কথাটি বলেছেন। বাংলাদেশ মাতৃভূমি হলেও কিছু কূপমণ্ডুক ব্যক্তি বাংলা ভাষাকে অবজ্ঞা করে। বিদেশি ভাষা ও বিজাতীয় সংস্কৃতির প্রতি তারা আগ্রহী অন্যদিকে বাংলা ভাষার প্রতি তাদের কোনাে আগ্রহ ও মমতা নেই। কবি এ শ্রেণির মানুষকে নিজ দেশ ত্যাগ করে বিদেশে চলে বলেছেন।
সারকথা : স্বদেশ ও মাতৃভাষার প্রতি অনুরাগ না থাকার কারণে কবি তাদের নিজ দেশ ত্যাগ করে বিদেশে যেতে বলেছেন।
গ)
প্রয়ােগ উদ্দীপকটি 'বঙ্গবাণী' কবিতার নিজের মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগের দিকটিকে নির্দেশ করেছে। মানুষের আত্মপ্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হচ্ছে তার মাতৃভাষা।
মাতৃভাষার মাধ্যমেই মানুষের বিকাশ ঘটে। মানুষের চিন্তা-চেতনা, সাধনা ও মত প্রকাশ সুন্দর ও সার্থকতা লাভ করে মাতৃভাষার মাধ্যমে ।
উদ্দীপকে মাতৃভাষা বাংলার আঞ্চলিক রূপের প্রতি অনুরাগের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে লেখক নিজের অজুলের ভাষা না জানাকে লজ্জার বিষয় মনে করেছেন। লেখক যতটুকু আয়ত্ত করেছেন তাতেই আত্মতৃপ্তি পেয়েছেন।
সেই সঙ্গে এদেশের সব অঞলের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলার ইচ্ছাপােষণ করেছেন। উদ্দীপকের লেখকের হৃদয়ের এই অভিব্যক্তি স্বভাষা তথা মাতৃভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালােবাসার প্রকাশ।
বঙ্গবাণী' কবিতায়ও কবি বাংলা ভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ করেছেন। তিনি এ ভাষায় কাব্য রচনাকে সাধারণ মানুষের কল্যাণের কাজ মনে করেছেন। আর যারা এদেশে জন্মগ্রহণ করেও নিজেদের মাতৃভাষা বাংলাকে অবহেলা করে হিন্দুর বাণী' বলে নিন্দা করে তাদেরকে তিনি এ দেশ ছেড়ে অন্য কোনাে দেশে চলে যেতে বলেছেন।
কবি তাদের জন্মকে কটাক্ষ করে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন; যার মধ্য দিয়ে তার মাতৃভাষাপ্রীতিই প্রকাশ পেয়েছে।
সারকথা : পৃথিবীতে সব জাতি-গােষ্ঠীর মানুষের কাছেই তার মাতৃভাষা অত্যন্ত প্রিয়। মাতৃভাষার মাধ্যমেই তারা মনের ভাব প্রকাশ করে।
ঘ) উচ্চতর দক্ষতা
“উদ্দীপকের মূলভাব এবং বঙ্গবাণী' কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা”- মন্তব্যটি যথার্থ। মাতৃভাষা সবার কাছে অত্যন্ত পবিত্র। জন্মের পর শেখা মাতৃভাষা মানুষের মানসিক বিকাশের প্রধান মাধ্যম।
পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষ ও জাতিই তার মাতৃভাষাকে নিয়ে গর্ববােধ করে। বঙ্গবাণী' কবিতায় কবি আবদুল হাকিম বাংলা ভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ ও ভালােবাসা প্রকাশ করেছেন।
তিনি মাতৃভাষায় কাব্যচর্চাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছেন। মাতৃভাষাকে যারা অবহেলা ও অবজ্ঞা করে, তাদের প্রতি কবি ঘৃণা প্রকাশ করেছেন। কারণ কবি মনে করেন, যে ভাষা সবার বােধগম্য সেই মাতৃভাষাই মানুষের জন্য হিতকর এবং তার প্রতি সবার শ্রদ্ধা থাকা উচিত।
উদ্দীপকের লেখকের উক্তিতে ভাষার প্রতি এই শ্রদ্ধার প্রকাশ লক্ষ করা যায়। সেখানে সাধারণ মানুষের মুখের আঞ্চলিক ভাষা না জানাকে অসম্মানের এবং জানাকে সম্মানের বিষয় হিসেবে নির্দেশ করা হয়েছে।
নিজের জেলার ভাষা না জানাকে লজ্জার বিষয় হিসেবে উল্লেখ করার মধ্যেই তার ভাষানুরাগের বিষয়টি স্পষ্ট। ‘ বঙ্গবাণী' কবিতায় কবি বাংলা ভাষার জয়গান করেছেন। অন্য কোনাে ভাষার প্রতি তার কোনাে ক্ষোভ নেই। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাদের প্রতি, যারা এদেশে জন্মগ্রহণ করে এদেশের মানুষের ভাষা, তথা মাতৃভাষা বাংলাকে ঘৃণা করে এবং এ ভাষায় সাহিত্য রচনা করতে অনীহা প্রকাশ করে।
কবি তাদেরকে এদেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যেতে বলেছেন। কবির এই অনুরাগ এবং ভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা উদ্দীপকের লেখকের চেতনাতেও প্রকাশ পেয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
শেষ
আজকে আমরা আপনাদের সামনে এসএসসি এর বাংলা েে সাজেশনর দিলাম আপনাদের কেমন লাগছে।অবশ্যই আমাদের কমেন্ট এ জানাবেন।
