Jsc বাংলা ১ম পদ্য/কবিতা সাজেশন,(jsc bangla examination) ৮ম শ্রেনির বাংলা পদ্য সাজেশন ২০২১
আসসামু আলাইকুম প্রিয় সব ছাএী এবং ছাএরা কেমন আছো তোমরা সবাই। আশা করি সবাই ভালো আছো।আমি ও আল্লাহর নিয়ামতে ভালো আছি। প্রতিদিন এর মত আজ আমরা আবার নতুন একটা পোস্ট নিযে এসেছি। ৮ম শ্রেণির ১ম এর বাংলা পদ্য নিয়ে আলেচনা করবো। তাই সবাই মনোযোগ দেও।
Jsc বাংলা ১ম পদ্য/কবিতা সাজেশন,(jsc bangla examination) ৮ম শ্রেনির বাংলা পদ্য সাজেশন ২০২১ এটা নিয়ে আলোচনা করবো। বাংলা এর ১ম এর পদ্য ১ম কবিতা থেকে আজ আমরা ২ টা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উওর দিবো। তাই আজকের টপিক টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।
Jsc examination
জেএসসি পরীক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। জেএসসি পরীক্ষায় আপনাদের ভাল রেজাল্ট করতে হবে কনজিসি পক্ষে বোঝা যাবে যে আপনারা নাইন এবং টেনের ওটা ক্যানসেল করে জেএসসি পরীক্ষা অনেক কিছু শেখার আছে তাই আপনাদের অনেক কিছু শিখতে এবং পড়তে হবে যা আপনাদের নাইনে অনেক কাজে লাগবে যাতে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে অনেক সোজা হয়ে যাবে। তাই আপনারা অষ্টম শ্রেণী বা জেএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেবেন এবং ভালোভাবে পড়বে না কারণ আপনার জেএসসি এসএসসি এসএসসি দিতে পারে তাহলে লাস্ট আসবে আপনার ফাইনাল পরীক্ষা এইচএসসি পাশ করলেই আপনারা ইউনিভার্সিটি তে ভালোভাবে চলে যেতে পারবেন তাই আপনাকে সেটা ভালোভাবে পড়বেন এবং মনোযোগ দিয়ে কিছু বলবেন।
অধ্যায়ের প্রশ্ন উত্তর
অধ্যায় কবিতা
মানবধর্ম
আজ আমরা মানবধর্ম পাধ্যায়ের থেকে দুইটি সেন ছিল তার উত্তর দেবো আপনার ভালো ভালো করুন।
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১
আফতাব সাহেবের বাড়ির সিঁড়ি মোছার কাজ করে সবিতা। দারােয়ান তালেবুর দুই ইদে দুটি ছুটি নেয় আর সবিতা ছুটি পায় পূজায়। আর দারোয়ান তালেবুর সবিতার ছেলেকে নিজের নাতির মতােই আদর করে । দুজন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হওয়া সত্ত্বেও তাদের সম্প্রীতি দেখে আফতাব সাহেব ভাবেন, পৃথিবীতে মানবতা আর মনুষ্যত্বই মানুষের পরিচয়।
ক. হিন্দুদের কাছে গাজল কীসের প্রতীক? কেন?
খ. লালন শাহ ‘জেতের ফাতা' সাত বাজারে বিকিয়েছেন
গ. উদ্দীপকে মানবধর্ম' কবিতার কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করাে।
ঘ. “বিষয়বস্তুর গভীরতায় উদ্দীপক থেকে মানবধর্ম’ কবিতার পরিসর অধিকতর বিস্তৃত”– মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করাে।
উওরঃ
ক)হিন্দুদের কাছে গঙ্গাজল পবিত্রতার প্রতীক।
খ) লালন শাহ্ জাতি-ধর্মের বিভেদকে গুরুত্ব দেন না বিধায় তিনি ‘জেতের ফাতা’ সাত বাজারে বিকিয়েছেন ।
মানবধর্ম' কবিতায় লালন শাহ জাত ও ধর্মের ভিন্নতায় বিশ্বাস করেন । তাঁর মতে মানুষ বৃথাই জাতের বড়াই করে। এই জাত-ধর্মের বড়াই লালনের কাছে গুরুত্বহীন। তাঁর কাছে মানুষের মনুষ্যত্বই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই তিনি জাতপাতের গৌরবকে দূরে রেখেছেন। আর লালন তাঁর এই মনােভাব বােঝাতেই জেতের ফাতা সাত বাজারে বিকিয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন।
গ) উদ্দীপকে ‘মানবধর্ম’ কবিতায় বর্ণিত জাতি-ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে মনুষ্যত্বের আহ্বানের দিকটিই প্রকাশ পেয়েছে।
মানবধর্ম' কবিতায় লালন শাহ্ মানুষের জাতের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। তিনি মানুষের জাত-পরিচয়কে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন । তার কাছে মনুষ্যধর্মই মূল কথা। তিনি তাঁর গানের মাধ্যমে মানুষের মানুষ পরিচয়কেই মুখ্য করে তুলেছেন। জাত-ধর্মের বিভেদের কোনাে স্থান তার কাছে নেই।
উদ্দীপকে দারােয়ান তালেবুরের কর্মকাণ্ডে জাতভেদের কোনাে প্রভাব নেই। ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হয়েও সে সবিতার ছেলেকে নাতির মতােই আদর করে। তালেবুরের মাঝে মানবতা ও মনুষ্যত্বের এই পরিচয় দেখে বাড়িওয়ালা আফতাব সাহেবও মুগ্ধ হয়েছেন। তিনি তালেবুরের মাঝে প্রকাশিত বিষয়টিকেই মানুষের প্রকৃত পরিচয় মনে করেছেন। আর মনুষ্যধর্মের এই পরিচয়টির কথাই বলেছেন আলােচ্য কবিতার কবি । এদিক বিচারে তাই বলা যায়, উদ্দীপকে মানবধর্ম' কবিতার মনুষ্যত্বের দিকটিই প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ) বিষয়বস্তুর নিরিখে উদ্দীপকে ‘মানবধর্ম’ কবিতার মনুষ্যত্বের দিকটি প্রকাশ পেলেও আলােচ্য কবিতার ভাব আরও গভীর হওয়ায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ ।
মানবধর্ম' কবিতায় লালন শাহ্ মানুষের মনুষ্যধর্মকে মুখ্য করে তুলেছেন। তার মতে, মানুষ অযথাই জাতপাত নিয়ে গৌরব করে। এই জাতের বড়াই করা ঠিক নয়। কেননা, মানুষ জন্ম কিংবা মৃত্যুর সময় জাত নিয়ে জন্মগ্রহণ বা মৃত্যুবরণ করেন। একই জল যেমন বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন নাম ধারণ করে, তেমনি জাতের বিষয়টিকেও লালন অনুরূপ মনে করেন। একই মানুষ ভিন্ন স্থানে ভিন্ন জাতের হয়ে ওঠে। তাই লালন মানুষের জাতভেদের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। তিনি মানুষের মনুষ্যধর্মকেই মুখ্য করে দেখেছেন। উদ্দীপকেও মানুষের জাতভেদের বিপরীতে মনুষ্যত্ববােধই মুখ্য হয়ে উঠেছে। সেখানে দারােয়ান তালেবুরের কর্মকাণ্ডে জাতিভেদের ঊর্ধ্বে উঠে ভিন্ন | ধর্মাবলম্বী সবিতার ছেলেকে আদর করতে দেখা যায়। আর তালেবুরের এই কর্মকাণ্ড বাড়ির মালিক আফতাব সাহেবও ইতিবাচকভাবে দেখেছেন। তিনি মনে করেছেন, মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার মনুষ্যত্বে ও মানবতায়।
মুখ্য করে দেখা হলেও
মানবধর্ম’ কবিতা এবং উদ্দীপকে মনুষ্যত্বকে কবিতায় বিষয়টি আরও ব্যাপকভাবে ফুটে উঠেছে। কবিতায় লালন মানুষের জাতভেদের বিষয়টিকে গঙ্গাজলের সাথে তুলনা করে বিস্তৃত আকারে ব্যাখ্যা করেছেন। তাছাড়া লালন নিজেও জাতভেদকে গুরুত্বপূর্ণ মনে না করে নিজের অবস্থানও পরিষ্কার করেছেন। অপরদিকে, উদ্দীপকে কেবল একটি ঘটনার মাধ্যমে মনুষ্যত্ববােধের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। তাই সার্বিক বিচারে বলা যায়, “বিষয়বস্তুর গভীরতায় উদ্দীপক থেকে মানবধর্ম’ কবিতার পরিসর অধিকতর বিস্তৃত প্রশ্নোক্ত এই মন্তব্যটি যথাযথ ।
প্রশ্নঃ
দৃশ্যকল্প-১: নিয়াজ চৌধুরী তার অতীত বংশ-বিত্ত নিয়ে সর্বত্র গলগল্প করেন। তিনি বলেন- আমার পূর্বপুরুষ খানদানি পির ছিলেন। ত্ৰামরা অন্য মানুষের মতাে নই ।
দৃশ্যকল্প-২: ননান বরন গাভি রে ভাই একই বরন দুধ,
(জগৎ বেড়িয়া দেখি একই মায়ের পুত। এন্ড কলেজ, ঢাকা)
ক. যাওয়া কিংবা আসার বেলা’ অর্থ কী?
খ. মূলে এক জল, সে যে ভিন্ন নয়’– কেন বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা ২
করাে। গ. দৃশ্যকল্প-১-এ মানবধর্ম’ কবিতার কোন দিক ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করাে।
ঘ. দৃশ্যকল্প-২-এর বক্তব্য ‘মনবধর্ম' কবিতার প্রতিপাদ্য— মন্তব্যটি মূল্যায়ন করাে।
উওরঃ
ক) যাওয়া n কিংব আসার বেলা’ অর্থ— জন্ম বা মৃত্যুর সময়।
খ) এখানে জলের অভিন্ন উপাদানের মধ্য দিয়ে অভিন্ন মানবসত্তাকে বােঝানাে হয়েছে।
স্থানবিশেষে, অবস্থানের কারণে জলের নাম হয় কখনাে কূপজল আবার কখনাে গঙ্গাজল । মূলে সব জল একই উৎস ও উপাদান থেকে এসেছে। কূপের জলকে প্রাত্যহিক প্রয়ােজনে ব্যবহার করা হয়। আর গঙ্গার জলকে পবিত্র মনে করা হয়। কিন্তু ভাববার বিষয় হলাে, দুই স্থানের হলেও এদের মূলে যেমন একই উপাদান, তেমনি জাতি-ধর্মের অন্তরালে পৃথিবীর সব মানুষ একই স্রষ্টার একই উপাদানে সৃষ্টি। তাই অভিন্ন মানবসত্তা বোেঝাতে। কবি আলােচ্য উক্তিটির অবতারণা করেছেন।
গ) দৃশ্যকল্প-.- এ মাবধর্ম' কবিতায় উল্লিখিত জাতিভেদের দিকটি ফুটে উঠেছে।
মানবধর্ম’ কবিতায় কবি লালন শাহ মানুষের জাতপাত নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। তিনি জাতপাতের পরিচয়কে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন । কিন্তু অনেকেই নিজের ধর্মকে বড় মনে করে অন্যকে তুচ্ছজ্ঞান করে। কবির মতে, মনুষ্যধর্মই মূলকথা, সব মানুষই সমান। জাতের পরিচয়ে মানুষকে আলাদা করা ঠিক না।
উদ্দীপকে নিয়াজ চৌধুরীর অতীত বংশ পরিচয় অনেক বড়। তাই এ নিয়ে তাঁর গল্পের এবং গর্বের শেষ নেই। পূর্বপুরুষ পির থাকায় তিনি নিজেকে অন্যদের থেকে আলাদা মনে করেন। মানবধর্ম' কবিতাতেও কবি জাত নিয়ে বড়াই করার কথা বলেছেন। কবি মনে করেন, মানুষের মানুষ পরিচয়টাই মুখ্য। জাত-ধর্মের পার্থক্যই পৃথিবীর সব বড় বড় সমস্যার মূল কারণ। তবুও মানুষ জাত-ধর্ম নিয়ে বড়াই করে। তাই বলা যায়, দৃশ্যকল্প-১-এর নিয়াজ চৌধুরীর এই জাত-ধর্মের বড়াইয়ের দিকটি মানবধর্ম' কবিতাতেও ফুটে উঠেছে।
ঘ) দৃশ্যকল্প-২-এর বক্তব্যে মানবধর্ম' কবিতায় বর্ণিত বিভেদহীন সমাজ গড়ার প্রত্যাশার স্বরূপ তুলে ধরা হয়েছে।
‘মানবধর্ম' কবিতায় লালন ফকির নিজেকে কোনাে বিশেষ ধর্ম বা জাতের মানুষ হিসেবে পরিচয় দেননি। তাঁর মতে, মনুষ্যধর্মই মূল কথা। মনুষ্যধর্ম মানুষকে জাতপাতের বিভেদ থেকে মুক্ত করে।
উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২-এ জাত-ধর্মকে বড় করে দেখা হয়নি। এখানে মানুষের মানুষ পরিচয়কে বড় করে দেখানাে হয়েছে। নানান জাতপাতের ভেদাভেদ থাকলেও জন্ম বা মৃত্যুতে মানুষের মাঝে কোনাে ভেদাভেদ থাকে না। জগৎ জুড়ে সব মানুষ দেখতে একই রকম, যদিও জাত ভিন্ন। মানবধর্ম’ কবিতায় লালন শাহ ভিন্ন জাতকে গুরুত্ব না দিয়ে মনুষ্য পরিচয়কে মুখ্য বলেছেন। দৃশ্যকল্প-২-এ কবির এই প্রত্যাশারই প্রতিফলন ঘটেছে। এখানে কবি জগৎ ঘুরেও মানুষে মানুষে কোনাে ভিন্নতা পাননি। জাতপাতের উর্ধ্বে আত্মার ধর্ম তথা মানবধর্মই উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ ও আলােচ্য কবিতার মূল বিষয়। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ ।..
আমাদের সাইট এ প্রতি নিয়ত নতুন নতুন পোস্ট করি।আমাদের এই সাইট টি 100 পার্সেন্ট নির্ভুল এবং গ্যারান্টি পণ্যের ডিসাইড আপনাদের কোথাও ভুল ত্রুটি দেখান অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্টে কমেন্টে জানাবেন এবং যারা যারা নতুন তাদের কে সাজেস্ট করবেন যেন আমাদের সাইটটি ভিজিট করুন ভাল পোষ্ট যাক সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারেন যাতে সবাই ভালো জিনিস পড়তে লিখতে ভয় আছে মনে সংশয় আগে পেতে আমাদের লক্ষ্য করুন।
ধন্যবাদ সবাইকে।

অনেক সুন্দর
উত্তরমুছুন