Jsc ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ২০২১ (jsc Islam and moral education examination) ৮ম শ্রেনির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা সাজেশন ২০২১
আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা। কেমন আছেন সবাই আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছো আশা করছি। সুস্থ থাকুন আমাদের সাথেই থাকুন। প্রতি দিন এর মত আজ আমরা, ৮ম শ্রেনির যে শিরিজ টা হচ্ছে। আজ আমরা ৮ম শ্রেনির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয় আলোচনা করবো। আশা করি সবাই পাশে থাকবেন। শুরু করা যাক।
আজ আমরা ৮ম শ্রেনির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয় ১ম অধ্যায় থেকে কিছু প্রশ্ন ও উওর দিবো। আজ আমরা আজ ২টা সৃজনশীল দিবো ১ম অধ্যায় থেকে।আপনারা ভালো করে অনুশীলন করবেন।উওর গুলো কোনো ভুল হলে কমেন্ট করবেন।
আবার আমরা ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেনির এসাইনমেন্ট এর উওর দেওয়া শুরু করবো। আমরা এসএসসি টা সমস্যার কারণে দিতে পারে নি। কিন্তু এগুলো দেওয়া আমরা আবার শুরু করো। তাই আমাদের সাইট সাথে সব সময় পাশে থাকেন।
Jsc ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ২০২১ (jsc Islam and moral education examination) ৮ম শ্রেনির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা সাজেশন ২০২১ দুইটা পর্যন্ত ভালোভাবে পড়েন দেখবেন চলুন শুরু করা যাক।
আকাইদ -১ম
আকাইদ অধ্যায় থেকে আজ আমরা দুইটি শিশির ভেজা সূর্য নিয়ম একাই দরকার থেকে আপনাদের জেএসসি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে তাই আপনারা প্রশ্ন উত্তর গুলো ভালভাবে লিখবেন এবং করবেন
প্রশ্ন ও উওর
প্রশ্ন -১
মিজান সাহেব শ্রেণিতে পাঠদানকালে বলেন- মহান আল্লাহ সর্বাধিক গুণের অধিকারী। মানুষ যদি এসব গুণাবলি অনুযায়ী নিজের জীবন পরিচালনা করে সে সফলকাম হবে। অপরদিকে জাবেদ বললমহান আল্লাহ যদি এ যুগে একজন নবি বা রাসুল পাঠাতেন তাহলে আমরা অনেক উপকৃত হতাম এবং তার অনুসরণ করতাম। এ কথা শুনে ইমাম সাহেব বললেন- 'মুসলমান হিসেবে এরূপ ধারণা করা পাপ।
ক. জাহান্নাম কী?
খ. 'সালাত জান্নাতের চাবি'— বুঝিয়ে লেখাে।
গ. মিজান সাহেবের আলােচনায় তােমার পঠিত কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করাে।
ঘ. জাবেদের ধারণাটি কীসের পরিপন্থি তা চিহ্নিত করে ইমাম সাহেবের মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করাে ।
উত্তর:
ক/ জাহান্নাম হলাে পরকালীন শাস্তির স্থান।
খ। সালাত জান্নাতের চাবি'-উক্তিটিতে সালাতের গুরুত্ব প্রকাশ পেয়েছে। সালাত ইসলামের পাঁচটি রুকনের মধ্যে দ্বিতীয়। তাই সালাতের গুরুত্ব অনেক বেশি । মহানবি (স.) বলেছেন, সালাত জান্নাতের চাবি'। অর্থাৎ সালাত আদায় ছাড়া কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আলােচ্য উক্তিটিতে এ কথাই প্রতিফলিত হয়েছে ।
গ) মিজান সাহেবের আলােচনায় আসমাউল হুসনার গুরুত্ব ফুটে ওঠেছে
আল্লাহ তায়ালার গুণবাচক নামসমূহকে একত্রে আসমাউল হুসনা বঙ্গ হয়। আল্লাহ তায়ালার অসংখ্য গুণবাচক নাম রয়েছে। এগুলাে জানা এবং এর রঙে রঙিন হওয়া আমাদের জন্য খুবই জরুরি। মিজান সাহেব এ বিষয়ের প্রতিই ইঙ্গিত করেছেন।
শিক্ষক মিজান সাহেব বলেন, মহান আল্লাহ সর্বাধিক গুণের অধিকারী। তার গুণাবলি অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করলে মানুষ সফল হৰে । তার এ কথা যুক্তিযুক্ত। কারণ আল্লাহর এ গুণবাচক নামগুলাে তার পরিচয় ও ক্ষমতার প্রকাশ ঘটায়। এসব নামের মাধ্যমে আমরা আল্লাহ তায়ালার গুণ ও বৈশিষ্ট্য জানতে পারি । ফলে তার আদেশ-নিষেধ পালন করা সহজ হয়। আল্লাহ তায়ালার গুণবাচক নামসমূহ আমাদের উত্তম চরিত্রবান হতে অনুপ্রাণিত করে। আল্লাহ তায়ালার এসব গুণ মানুষ তাদের জীবনে চর্চা করলে তারা সচ্চরিত্রবান হয়। সমাজে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবােধ প্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বোত্তম গুণাবলি মহান আল্লাহর। সুতরাং আল্লাহর গুণাবলি অনুসরণ করলে উত্তম চরিত্রবান হওয়া সম্ভব । মিজান সাহেবের বক্তব্যে এ বিষয়টিই প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ/ জাবেদের ধারণাটি খতমে নবুয়তের পরিপন্থি, যা তার জন্য মন্দ পরিণাম বয়ে আনবে। এ সম্পর্কে ইমাম সাহেবের বক্তব্যটি যথার্থ । খতমে নবুয়ত অর্থ নবিগণের দায়িত্বের পরিসমাপ্তি বা নবুয়তের সমাপ্তি। মহানবি (স.)-এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ নবুয়তের সমাপ্তি টেনেছেন। কিন্তু জাবেদের মধ্যে এ বিশ্বাস অনুপস্থিত।
উদ্দীপকে জাবেদ বলেছে- মহান আল্লাহ যদি এ যুগে একজন নবি বা রাসুল পাঠাতেন তাহলে আমরা অনেক উপকৃত হতাম এবং তাঁর অনুসরণ করতাম । তার এ কথা সত্য নয়। তার এরূপ ধারণার জন্য পরকালে তাকে কঠিন শাস্তি ভােগ করতে হবে। যা ইমাম সাহেবের মন্তব্যেও প্রকাশ পায়। কারণ আমাদের প্রিয় নবি (স.) হলেন সর্বশেষ নবি । তারপর আজ পর্যন্ত কোনাে নবি আসেননি আর কিয়ামত পর্যন্ত আসবেনও না। মহানবি (স.)এর হাদিস এবং তার ওপর নাজিল করা কুরআনই সব মানুষের হিদায়েতের জন্য যথেষ্ট। তাই মানুষের পরিবর্তনের জন্য আর কোনাে নবি আসার প্রয়ােজন নেই। মহানবি (স.) নিজেই বলেছেন, আমিই শেষ নবি। আমার পরে আর কোনাে নবি আসবেন না।' (সহিহ মুসলিম) জাবেদের মানসিকতা এ বাস্তব সত্যের বিপরীত |
খতমে নবুয়তে সন্দেহ ও অবিশ্বাস করা কুফরির অন্তর্ভুক্ত। আর কুফরি মানুষের মধ্যে অবাধ্যতা ও অকৃতজ্ঞতার জন্ম দেয়। এর ফলে সমাজে নানা ধরনের অন্যায় ও অনৈতিক কাজের প্রসার ঘটে। এ কারণে আল্লাহ কাফিরদের ওপর চরম অসন্তুষ্ট হয়ে তাদের জন্য জাহান্নাম প্রস্তুত করে রেখেছেন। আল্লাহ এ সম্পর্কে বলেন, 'যারা কুফরি করবে এবং আমার নিদর্শনগুলােকে অস্বীকার করবে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানে তারা চিরদিন থাকবে।' (সূরা আল-বাকারা, আয়াত-৩৯) তাই বলা যায়, খতমে নবুয়তে অনুরুপ প্রশ্ন নম্বর অবিশ্বাস জাবেদের জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনবে।
প্রশ্ন-২
জনাব নাদিম মাঝে মধ্যে সালাত আদায় করেন। তার। এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে গাছপালা উপড়ে পড়ায় এবং জানমালের প্রচুর ক্ষতি হওয়ায় তিনি মনে করেন, ঘূর্ণিঝড় হতে রক্ষা করার কেউ নেই অপরপক্ষে তার ভাই জনাব নাহিদ একটি অফিসে শুধু নিজ বেতনের ওপর নির্ভর করে চাকরি করেন। অনন্ত জীবনে জবাবদিহিতার জন্য তিনি। গােপনে গ্রাহকদের নিকট থেকে কোনাে অর্থ বা উপঢৌকন গ্রহণ করেন। না। এ জন্য তিনি সমাজে সবার শ্রা অর্জন করেন এবং পরকালেও তার জীবন মঙ্গলময় হবে ।
ক)আসমানি কিতাব' কাকে বলে?
খ, আখিরাতের যে কোনাে দুটি স্তর ব্যাখ্যা করাে।
গ, জনাব নাদিমের বিশ্বাসটি আসমাউল হুসনার কোন বৈশিষ্ট্যের অন্তরায়? ব্যাখ্যা করাে।
ঘ, জনাব নাহিদের অন্তরে বিদ্যমান ইমানের বিষয়টি চিহ্নিতপূর্বক এর সামাজিক ও ধর্মীয় সুফল বর্ণনা করাে।
ক) আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে নবি-রাসুলদের ওপর যে ঐশীগ্রন্থ অবতীর্ণ করেছেন তাকে আসমানি কিতাব বলে।
খ)- আখিরাতের দুটি স্তর হলােবারযাখ ও কিয়ামত।
১. বারযাখ: দুটি বস্তুর মধ্যবর্তী পর্যায়কে বারযাখ বলে। মানুষের মৃত্যু থেকে কিয়ামত বা পুনরুত্থান পর্যন্ত সময় হলাে বারযাখ ।
২. কিয়ামত: কিয়ামত অর্থ দণ্ডায়মান হওয়া, উঠা। ইসলামি পরিভাষায় কবর থেকে উঠে মানুষ সেদিন আল্লাহর সামনে দণ্ডায়মান হবে তাই একে কিয়ামত বলা হয়।
গ) নাদিমের বিশ্বাস ‘আল্লাহু মুহাইমিনুন' এ বৈশিষ্ট্যের অন্তরায়।
মুহাইমিনুন শব্দের অর্থ নিরাপত্তাদানকারী, রক্ষণাবেক্ষণকারী, আশ্রয়দাতা। আল্লাহু মুহাইমিনুন অর্থ আল্লাহ আশ্রয়দাতা। আল্লাহ তায়ালা হলেন প্রকৃত রক্ষাকর্তা। তিনিই একমাত্র এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল। কিন্তু নাদিমের মধ্যে এ বিশ্বাসের অনুপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকের নাদিম মাঝে মধ্যে সালাত আদায় করলেও ঘূর্ণিঝড়ে গাছপালা উপড়ে পড়া এবং জানমালের ক্ষতি হওয়ায় তিনি মনে করেন ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করার মত কেউ নেই। তার এ ধারণা সঠিক নয়। কেননা আল্লাহ তায়ালাই আমাদের রক্ষক। তিনি আমাদের বিপদাপদ থেকে রক্ষা করেন। শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে তিনিই হেফাজত করেন। হিংসুক, জাদুকর, ষড়যন্ত্রকারী, সকলের অনিষ্ট থেকে রক্ষাকারী একমাত্র তিনিই। তাঁর সুরক্ষাই প্রকৃত সুরক্ষা। কেউ তার সুরক্ষা ভেদ করতে পারে না। তিনি যাকে রক্ষা করেন কেউ তার কোনাে অনিষ্ট করতে পারে না। সবসময় সকল বিপদে তারই আশ্রয় চাইতে হবে। আমাদের প্রিয়নবি (স.) তাঁর নিকটই আশ্রয় প্রার্থনা করতে আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন।
ঘ) নাহিদের অন্তরে ইমানের গুরুত্বপূর্ণ দিক আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস বিদ্যমান। এর সামাজিক ও ধর্মীয় সুফল অপরিসীম। |
মৃত্যুর পর মানুষের যে নতুন জীবন শুরু হয় তার নাম আখিরাত। এটি মানুষের চিরস্থায়ী আবাস। এখানে মানুষের দুনিয়ার সব কাজের হিসাব গ্রহণ করা হবে। আর এ বিষয়ে বিশ্বাস মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত রাখে। নাহিদের মানসিকতায় এ বিশ্বাসই পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকের নাহিদ শুধু নিজের বেতনের ওপর নির্ভর করেন। অনন্ত জীবনের জবাবদিহিতার ভয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে গােপনে কোনাে অর্থ বা উপঢৌকন গ্রহণ করেন না। তার কর্মকাণ্ডে পরকালীন জবাবদিহিতার ভয় কাজ করেছে। কারণ আখিরাতে সব মানুষকে মহান আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হবে। দুনিয়ার সব কাজকর্মের হিসাব দিতে হবে। এ হিসাব না দিয়ে কেউ এক পাও নড়তে পারবে না। আর দুনিয়ার সব কাজকর্মের হিসাব সেদিন আমলনামায় দেখা যাবে। হাশরের মাঠে মিজানের পাল্লায় যার নেকির পরিমাণ বেশি হবে সে যাবে জান্নাতে। আর যার পাপের বেশি হবে সে যাবে জাহান্নামে। আখিরাতের প্রতি এ বিশ্বাস মানুষকে সব ধরনের অনৈতিক কাজ থেকে বিরত রাখে এবং ভালাে কাজের প্রতি উৎসাহী করে।
উপরের আলােচনা থেকে বলা যায়, আমাদের সকলের উচিত আখিরাতে জবাবদিহিতার প্রতি লক্ষ রেখে দুনিয়ার জীবন পরিচালনা করা ।
আজ আমরা ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণীর প্রশ্ন উত্তর দিলাম আপনারা ভালো করে পড়বেন দেখবেন এবং ভালো করবে।
আমরা একাদশ সপ্তাহে অ্যাসাইনমেন্ট ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর সব অ্যানসার এবং উত্তর দিয়ে দেবো আস্তে আস্তে আপনার অবশ্যই আমাদের সাইটটিতে চোখ রাখবে ইনশাআল্লাহ সবাই দিতে পারে
