৮ম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশ্ন ও সমাধান ২০২১(ICT Creative Qns /Ans)
Class 8/জেএসসি
জেএসসি) হল একটি পাবলিক পরীক্ষা যা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা স্কুলের আট বছর সফলভাবে শেষ করার পর গ্রহণ করে। এর পরেই মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি)। জেএসসি চালু হওয়ার আগে, তার জায়গায় এক একটি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল (তখন মাধ্যমিক ব্রিটি বা জুনিয়র স্কলারশিপ নামে পরিচিত)। এটি একটি স্বেচ্ছাসেবী বৃত্তিমূলক পরীক্ষা ছিল এবং বাধ্যতামূলক নয় তা । ২০১১ সাল থেকে, জেএসসি পরীক্ষার প্রশ্নে একাধিক প্রশ্নের (and থেকে ১১ এর মধ্যে, যার মধ্যে to থেকে ss টি সেটের উত্তর দেওয়া প্রয়োজন) চারটি প্রশ্নের সেট রয়েছে, প্রত্যেকটি বিষয়ে শিক্ষার্থীর জ্ঞান, বোঝাপড়া, আবেদন এবং উচ্চতর অর্ডার চিন্তা দক্ষতা থাকা প্রয়োজন হয় । সমাধান করার বিষয়। এই সিস্টেমকে সৃজনশীল (স্থানীয়ভাবে শ্রীজনশীল বলা হয়) প্রশ্ন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এটা বলা হয় [কার দ্বারা?] যে জেএসসি চালু করা হয়েছিল যাতে দেশের দরিদ্র ও নিituteস্নুষরা পরীক্ষায় ভালো করতে পারে। পরীক্ষার্থীরা, যদি তারা ব্যর্থ হয়, তাহলে পরের বছরে অন্যান্য নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের সাথে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
৫টি প্রশ্ন - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
- স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম কী? স্প্রেডশিট পরিসংখ্যান কাজকে কিভাবে সহজ ও নির্ভুল করেছে,-ব্যাখ্যা করো।
- মাইক্রোফট এক্রের কী? এর ব্যবহারিক ক্ষেএগুলো দেখো।
- ফর্মুলা ও ফাংশন কী? ফর্মুলা ও ফাংশন ব্যবহার করে B1, B2,D4,D5 এবং E7 সেলে সংরক্ষিত ৫টি ডেটা যোগ করার পদ্ধতি বণর্না করো।
- স্প্রেডশিটের মাধ্যমে কাজ করা যায় এমন দুটি কাজের বর্ণনা দাও।
- মাইক্রোসফট এক্সেল-২০০৭ উইন্ডাে এর পরিচিতি বর্ণনা করাে।
১নং প্রশ্নের উত্তর
উত্তর: স্প্রেডশিট: স্প্রেডশিট হলাে এক ধরনের কম্পিউটার প্রােগ্রাম। এটিকে কখনাে কখনাে ওয়ার্ক বুক বলা হয়। একে একটি রেজিস্টার খাতার সাথে তুলনা করা যেতে পারে। একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন অনেকগুলাে পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলাে পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলাে ওয়ার্কশিট থাকে । একেকটা ওয়ার্কশিটে বহু সংখ্যক সারি ও কলাম থাকে। পরিসংখ্যানের কাজে স্প্রেডশিট: স্প্রেডশিটের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার
হয় পরিসংখ্যানিক কাজে। পরিসংখ্যান কাজে বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্তের যােগফল, গড়, মােট সংখ্যার সংখ্যা, সর্ববৃহৎ ও সর্বনিম্ন সংখ্যা ছাড়াও পরিমিত ব্যবধান এবং ভেদাংক ইত্যাদি বের করতে হয়। এ সকল কাজ করতে, প্রেডশিটে বিভিন্ন ধরনের ফাংশন যেমন: যােগফল এর জন্য SUM, সর্ববৃহৎ সংখ্যার জন্য MAX, গড়ের জন্য Average, সর্বনিম্ন এর জন্য MIN, মােট সংখ্যার রেঞ্জ বের করতে Count, ভেদাংকের জন্য VAR ফাংশনসমূহ ব্যবহার করা যায়। ফলে পরিসংখ্যানের কাজ সহজ ও নির্ভুল হয় ।
২নং প্রশ্নের উত্তর
উত্তর: মাইক্রোসফট এক্সেল মাইক্রোসফট এক্সেল হলাে স্প্রেডশিট প্রােগ্রাম। এটি মাইক্রোসফট কোম্পানি কর্তৃক এক্সেল প্রােগ্রাম। এর সাহায্যে গাণিতিক হিসাব-নিকাশের কাজ
একটি উদ্ভাবিত সহজে করা যায় । মাইক্রোসফট এক্সেলের ব্যবহারিক ক্ষেত্রে:
১. দৈনন্দিন হিসাব সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করতে পারি ।
২. কোনাে বড় প্রতিষ্ঠারে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করতে পারি।
৩. অর্থনৈতিক বাজেট প্রণয়ন করতে পারি
৪. ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় যাবতীয় কাজ।
৫. শিল্প কলকারখানার উৎপাদন ব্যবস্থাপনার কাজ।
৬. আয়কর ও অন্যান্য হিসাব নিকাশ তৈরি করা ।
৭. কোম্পানির কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা তৈরির কাজ।
৮.পরিসংখ্যানের কাজে
৩নং প্রশ্নের উত্তর
ওয়ার্কশিটের বিভিন্ন সেলের অ্যাড্রেসবারে গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য যে সূত্র ব্যবহার করা হয় তাকে ফর্মুলা বলে। আর পূর্বনির্ধারিত ফর্মুলাকে বলা হয় ফাংশন। B1, B2, D4, D5 এর যােগফল E7 সেলে সংরক্ষিত করতে ফর্মুলা ও ফাংশন এর কার্যপদ্ধতি বর্ণনা করা হলাে:
কর্মুলার সাহায্যে: ফর্মুলার সাহায্যে B1, B2, D4, D5 এর যােগফল নির্ণয়ের জন্য প্রথমে E7 সেলে কার্সর রেখে ‘=' চিহ্ন দিতে হবে । এরপর টাইপ করতে হবে B1 + B2 + D4 + D5। অর্থাৎ = B1 + B2 + D4 + D5।
ফাংশনের সাহায্যে: ফাংশনের সাহায্যে B1, B2, D4, D5 এর যােগফল নির্ণয়ের জন্য sum ফাংশন ও সেল রেঞ্জ ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ E7 সেলে কার্সর রেখে ‘=' চিহ্ন দিয়ে টাইপ করতে হবে sum (BL: D5)। অর্থাৎ = sum (B1 : D5)।
৪নং প্রশ্নের উত্তর
উত্তর: স্প্রেডশিটের মাধ্যমে যােগ ও বিয়ােগের কাজ করার প্রক্রিয়া নিম্নে
বর্ণনা করা হলাে
যােগ : এক্সেলে দুইভাবে যােগ করা যায়। স্বয়ংক্রিয়ভাবে এবং ম্যানুয়ালি। যদি A1 সেলে 10 এবং A2 সেলে 20 থাকে তাহলে কারসরটি A3 সেলে রেখে সামেশন 'S' চিহ্নিত আইকনে ক্লিক করে তারপর এন্টার চাপলে A3 সেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে 30 লেখা হয়ে যাবে । আবার ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে A3 সেলে কারসর রেখে, প্রথমে = লিখে টাইপ করতে হবে A1 + A2। তাহলে সম্পূর্ণ লেখাটি হবে = A1 + A2। এখন এন্টার বােতামে চাপ দিলে A3 সেলে 30 লেখা হয়ে যাবে। বিয়ােগ ; এক্সেলে বিয়ােগ করার পদ্ধতিও যােগ করার পদ্ধতির মতাে।
তবে এক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিয়ােগ করার কোনাে ব্যবস্থা নেই, ম্যানুয়ালি বিয়ােগ করতে হয়। ম্যানুয়ালি বিয়ােগ করার পদ্ধতি হলােঃ
যদি A1 সেলে 20 ও A2 সেলে 10 থাকে তাহলে কারসরটি A3 সেলে রাখতে হবে। এখানে প্রথমে ‘=' চিহ্ন দিতে হবে। এরপর টাইপ করতে হবে A1 – A2। তাহলে সম্পূর্ণ লেখাটি দাঁড়াবে = A1 = A1 - A2। এখন এন্টার কি চাপ দিলে A3 সেলে 10 লেখা হয়ে যাবে।
৫নং প্রশ্নের উত্তর
উত্তর: মাইক্রোসফট এক্সেল-২০০৭ উইন্ডাের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ রয়েছে। যেমন- টাইটেল বার, অফিস বাটন, রিবন, স্ট্যাটাস বার প্রভৃতি। নিচে এগুলাে সম্পর্কে বর্ণনা করা হলাে।
টাইটেল বার: এক্সেল উইন্ডাের একবারে উপরে ওয়ার্কবুকের শিরােনাম লেখা থাকে। এটাকে টাইটেল বার বলা হয় ।
অফিস বাটন: এক্সেল উইন্ডাের উপরের বাম দিকে কোনার দিকে বড় গােলাকার বাটনটি হলাে অফিস বাটন। এটাতে ক্লিক করে নতুন এক্সেল ওয়ার্কবুক খােলা, আগের ওয়ার্কবুক খােলা, ওয়ার্কবুক সংরক্ষণ করাসহ আরাে অনেক কাজ করা যায়।
কুইক অ্যাকসেস টুলবার: অফিস বাটনের পাশেই কুইক অ্যাকসেস টুলবারের অবস্থান। সচরাচর যে বাটনগুলাে বেশি ব্যবহৃত হয়, সেগুলাে এখানে থাকে। রিবন: মাইক্রোসফট এক্সেলে বিভিন্ন কমান্ডকে গুচ্ছাকারে সাজানাে হয়েছে। এগুলােকে একত্রে রিবন বলা হয়। প্রত্যেকটা মেনুর আওতায় আইকনের মাধ্যমে কমান্ডগুলাে সাজানাে।
সেল অবস্থান ও সেলের বিষয়বস্তু দেখানাের বার বা ফর্মুলা বার: রিবনের ঠিক নিচেই এর অবস্থান। এখানে সেলের অবস্থান বা সেল রেফারেন্স প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি সেলের বিষয়বস্তু বা কন্টেন্ট দেখানাে হয়।
স্ট্যাটাস বার: ওয়ার্কশিটের নিচের দিকে স্ট্যাটাস বারের অবস্থান। বিভিন্ন কাজের সময় তাৎক্ষণিক অবস্থা এ বারে দেখানাে হয়। এছাড়া স্ট্যাটাস বারের বাম দিকে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে ওয়ার্কশিট দেখার অপশন রয়েছে। শিট ট্যাব: একটা ওয়ার্কবুকে যতগুলাে ওয়ার্কশিট থাকে শিট ট্যাবে সেগুলাে দেখানাে হয়। বিভিন্ন শিটের মধ্যে আসা যাওয়া করার জন্য শিট ট্যাব ব্যবহার করা যায় ।
শেষ
আজকের পোস্টটি এখানেই শেষ করছি সবাই ভালো থাকবেন।
