জেএসসি আই সিটি সাজেশন ২০২১ (class 8 ict suggestion)
আসসামু আলাইকম ছাএ/ছাএীরা কেমন আছো সবাই। মনে করছি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছো। আমরা আজ ৮ম শ্রেণির আইসিটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। আজের পোস্ট টা গুরুত্বপূর্ণ সবাই দেখবা।
আমরা প্রতিদিন মতো আবার চলে এসেছি। আজ আমরা (জেএসসি আই সিটি সাজেশন ২০২১ (class 8 ict suggestion) সম্পর্কে জানবো। অবশ্যই আমাদের সাথে থাকবেন। কারণ আপনারা সাথে না থাকে আমরা কিছু ই না তাই আপনারা আমার সাথে থাকবেন আশা করছি। আর আমরা আজ ৫ টি ৫ নম্বরের প্রশ্ন দিবো আইসিটির।
Education
শিক্ষা হলো শেখার সুবিধার প্রক্রিয়া, অথবা জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ, নৈতিকতা, বিশ্বাস এবং অভ্যাস অর্জনের প্রক্রিয়া। শিক্ষামূলক পদ্ধতিগুলির মধ্যে রয়েছে শিক্ষণ, প্রশিক্ষণ, গল্প বলা, আলোচনা এবং নির্দেশিত গবেষণা। শিক্ষা প্রায়শই শিক্ষাবিদদের নির্দেশনায় হয়, তবে শিক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষিত করতে পারে। শিক্ষা আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে ঘটতে পারে এবং যে কোনো অভিজ্ঞতা যেভাবে মনে করে, অনুভব করে বা কাজ করে তা শিক্ষামূলক বলে বিবেচিত হতে পারে। শিক্ষাদানের পদ্ধতিকে বলা হয় শিক্ষাবিজ্ঞান।
আইসিটি
শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) হল শিক্ষার একটি পদ্ধতি যা তথ্য সরবরাহ এবং সমর্থন করার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে। বিশ্বব্যাপী গবেষণায় দেখা গেছে যে আইসিটি একটি উন্নত শিক্ষার্থী শেখার এবং আরও ভাল শিক্ষাদান পদ্ধতিতে নেতৃত্ব দিতে পারে। জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মাল্টিমিডিয়া এডুকেশন কর্তৃক প্রণীত একটি প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয়েছে যে, পাঠ্যক্রমের সাথে প্রযুক্তির সমন্বয় সাধনের সাথে শিক্ষায় আইসিটির ব্যবহার বৃদ্ধি শিক্ষার্থীদের অর্জনের উপর উল্লেখযোগ্য এবং ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফলাফলগুলি বিশেষভাবে দেখিয়েছে যে শিক্ষার্থীরা যারা শিক্ষার মাধ্যমে ক্রমাগত প্রযুক্তির সংস্পর্শে আসে তাদের ভাল 'জ্ঞান', উপস্থাপনা দক্ষতা, উদ্ভাবনী ক্ষমতা রয়েছে এবং তারা তাদের সমকক্ষের তুলনায় শেখার ক্ষেত্রে আরও প্রচেষ্টা নিতে প্রস্তুত।
প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্ন-১, সাইবার অপরাধ কী? “অপরাধীরা করার জননিত্যনতুন পথ আবিষ্কার করে যাচ্ছে”- বিশ্লেষণ করাে।
উত্তর: তথ্য প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনলাইনে যে কিংবা আপত্তিকর ইমেইল যেগুলাে প্রতি মুহূর্তে পাঠানাে হচ্ছে। স্প্যামের আঘাত থেকে রক্ষা করার জন্য নানা ধরনের ব্যবস্থা নিতে গিয়ে সবার অনেক সময় এবং সম্পদের অপচয় হয়।
প্রতারণা: সাইবার অপরাধের একটি বড় অংশ হচ্ছে প্রতারণা। ভুল পরিচয় এবং ভুল তথ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে নানাভাবে যােগাযােগ করা হয় এবং তাদেরকে নানাভাবে প্রতারিত করার চেষ্টা
অপরাধসমূহ সংগঠিত হয় তাকে বলা হয় সাইবার অপরাধ। যারা সাইবার অপরাধ করে তারা অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত। সাইরাব অপরাধীরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে সাইবার অপরাধ করে থাকে। সাইবার অপরাধীরা সাইবার অপরাধ করার জন্য নিত্যনতুন পথ আবিষ্কার করেন সেগুলাে নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলােস্প্যাম: স্প্যাম হচ্ছে যন্ত্র দিয়ে তৈরি করা অপ্রয়ােজনীয়, উদ্দেশ্যমূলক
করা হয়।
আপত্তিকর তথ্য প্রকাশ: অনেক সময়েই ইন্টারনেটে কোনাে মানুষ সম্পর্কে ভুল কিংবা আপত্তিকর তথ্য প্রকাশ করে দেওয়া হয়। আপত্তিকর তথ্য প্রকাশ করে বিদ্বেষ ছড়ানাের চেষ্টা করায় বাংলাদেশে কয়েকবার ফেসবুক বা ইউটিউবের মতাে জনপ্রিয় সেবা বন্ধ রাখতে হয়েছিল ।
হুমকি প্রদর্শন: ইন্টারনেট, ই-মেইল বা কোনাে একটি সামাজিক যােগাযােগের সাইট ব্যবহার করে কখনাে কখনাে কেউ কোনাে একজনকে নানাভাবে হয়রানি করতে পারে। ইন্টারনেটে যেহেতু একজন সরাসরি অন্য মানুষের মুখােমুখি হতে হয় না, তাই কেউ চাইলে খুব সহজেই আরেকজনকে হুমকি প্রদর্শন করতে পারে । মানুষকে।
প্রশ্ন২/
এ সাইবার অপরাধ কী? চারটি সাইবার অপরাধের ব্যাখ্যা করাে। , , ০.৮ বা ২০১৯/ অথবা, যে অপরাধসমূহ সাইবার অপরাধ হিসেবে পরিগণিত সেগুলাে চিহ্নিত করা।
উত্তর: তথ্য প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনলাইনে যে অধসমূহ হয় তাকে সাইবার অপরাধ বলা হয়।
চরটি সাইবার অপরাধ সম্পর্কে নিম্নে লেখা হলাে: শ্যাম: স্প্যাম হয়ে যন্ত্র দিয়ে তৈরি করা অপ্রয়ােজনীয়, উদ্দেশ্যমূলক কিংবা আপত্তিকর ইমেইল যেগুলাে প্রতি মুহর্তে পাঠানাে হচ্ছে। স্প্যামের অযত থেকে রক্ষা করার জন্য নানা ধরনের ব্যবস্থা নিতে গিয়ে সবার অনেক সময় এবং সম্পদের অপচয় হয়।
প্রতারণা: সাইবার অপরাধের একটি বড় অংশ হচ্ছে প্রতারণা। ভুল পরিচয় এবং ভুল তথ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে নানাভাবে যােগাযােগ করা হয় এবং তাদেরকে নানাভাবে প্রতারিত করার চেষ্টা করা হয়।
আপত্তিকর তথ্য প্রকাশ: অনেক সময়েই ইন্টারনেটে কোনাে মানুষ সম্পর্কে ভুল কিংবা আপত্তিকর তথ্য প্রকাশ করে দেওয়া হয়। আপত্তিকর তথ্য প্রকাশ করে বিদ্বেষ ছড়ানাের চেষ্টা করায় বাংলাদেশে কয়েকবার ফেসবুক বা ইউটিউবের মতাে জনপ্রিয় সেবা বন্ধ রাখতে ।
হুমকি প্রদর্শন: ইন্টারনেট, ই-মেইল বা কোনাে একটি সামাজিক যােগাযােগের সাইট ব্যবহার করে কখনাে কখনাে কেউ কোনাে । একজনকে নানাভাবে হয়রানি করতে পারে। ইন্টারনেটে যেহেতু একজন। মানুষকে সরাসরি অন্য মানুষের মুখােমুখি হতে হয় না, তাই কেউ চাইলে খুব সহজেই আরেকজনকে হুমকি প্রদর্শন করতে পারে।
প্রশ্ন ৩/ঃ
অপরাধ একটি শাস্তিযােগ্য অপরাধ”-ব্যাখ্যা করাে। ট, ক, ৫ বাে-২০১৭/
উত্তর: তথ্য প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনলাইনে যে অপরাধসমূহ সংগঠিত হয় তাকে বলা হয় সাইবার অপরাধ । অপরাধীরা সাইবার অপরাধ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন পথ আবিষ্কার করে যাচ্ছে। প্রচলিত কিছু সাইবার অপরাধ হচ্ছে- প্যাম, প্রতারণা, আপত্তিকর তথ্য প্রকাশ, হুমকি প্রদর্শন, সাইবার যুদ্ধ।
এ ধরনের অপরাধ অবশ্যই শাস্তিযােগ্য অপরাধ। কেননা, ভুল পরিচয় এবং ভুল তথ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে নানাভাবে যােগাযােগ করা হয় এবং তাদেরকে নানাভাবে প্রতারিত করার চেষ্টা করা হয়। যা আইনের দৃষ্টিতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। এটি একটি নতুন ধরনের অপরাধ এবং এই অপরাধকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে তা সবাই এখনাে ভালাে করে জানে না। কোন ধরনের সাইবার অপরাধ হলে কোন ধরনের শাস্তি দিতে হবে, সেই বিষয়গুলাে নিয়ে এখন গবেষণা চলছে।
প্রশ্ন-৪. অনলাইনে ব্যাংকের অর্থ চুরি কোন ধরনের অপরাধের
আওতায় পড়ে? বর্ণনা করাে।
উত্তর: অনলাইনে ব্যাংকের অর্থ চুরি তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তিতে সাইবার অপরাধের আওতায় পড়ে । তথ্য প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধমূলক কার্যক্রম করা হয় তাকে বলা হয় সাইবার অপরাধ।
অসৎ হ্যাকাররা ব্যাংকের তথ্য ভাণ্ডারে প্রবেশ করে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অপরাধীদের নিজস্ব অ্যাকাউন্ট নম্বরে টাকা স্থানান্তর করে ব্যাংকের রিজার্ভের টাকা চুরি করে থাকে। সম্প্রতি এমন একটি ঘটনা ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৮১ মিলিয়ন ডলার ডিজিটাল পদ্ধতিতে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে চুরি করা হয়। যা একটি ব্যাংকের অর্থ চুরির একটি মারাত্মক সাইবার অপরাধ ।
প্রশ্ন-5, আজকাল টেন্ডারের পরিবর্তে ই-টেন্ডারের প্রচলন কারণ কি তা ব্যাখ্যা করাে? মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় অথবা, ই-টেন্ডারিং সম্পর্কে সংক্ষেপে আলােচনা করাে।
হওয়ার , ঢাকা
ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা উত্তর: ই-টেন্ডারিং হচ্ছে ইন্টারনেট নির্ভর টেন্ডার প্রসেসিং । ই-টেন্ডারিংএ টেন্ডার সংক্রান্ত তথ্য, টেন্ডার আহ্বান, এবং টেন্ডারের জন্য আবেদনপত্র গ্রহণসহ যাবতীয় সকল কাজ ওয়েবের মাধ্যমে করা হয় ।
যে সমস্ত কাজ করতে অনেক টাকা ব্যয় করতে হয় সেগুলাে সাধারণত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে টেন্ডারের মাধ্যমে করা হয়। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলাে কাজ করার জন্য লিখিত আবেদন জানায় এবং কর্তৃপক্ষ সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে কাজটি করার জন্য কাউকে বেছে নেয়।
কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় দুর্নীতপরায়ণ প্রতিষ্ঠানগুলাে অন্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কাজের সুযােগ না দিয়ে জোর করে নিজেরাই কাজটি নিয়ে নিত। কিন্তু ই-টেন্ডারিং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনাে মানুষ বা প্রতিষ্ঠান সরাসরি উপস্থিত না হয়ে শুধু প্রয়ােজনীয় তথ্যগুলাে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সরবরাহ করে পুরাে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে। ফলে দুর্নীতি করার সুযোেগ অনেক কমে গিয়েছে। অর্থাৎ ই-টেন্ডারিং এর মাধ্যমে দুনীতি মুক্ত এবং যােগ্য প্রতিষ্ঠান দ্বারা ব্যয়বহুল কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে।
শেষ
আজকের টপিক টি এখানে শেষ করছি।
