Jsc ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ৩য় অধ্যায় সাজেশন ২০২১ (jsc Islam and moral education examination)
আসসামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছো সবাই। আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছো। আমি ও ভালো আছি। আমরা প্রতিদিন মত আজ নতুন একটা পোস্ট নিযে এসেছি। আজ পোস্ট এ আমরা যা যা যানবো।
(Jsc ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ৩য় অধ্যায় সাজেশন ২০২১) আজ আমরা ৮ম ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয় এ ৩ অধ্যায় নিয়ে আলোচনা করবো। আমরা আলোচনা করবো বলতে আমরা সাজেশন দিবো। আমাদের সাইট এর আগের জারা দেখছেন। তারা জানেন আমরা প্রতিদিন ২ করে সৃজনশীল দিই। আজ ও আমরা ২ টা সৃজনশীল দিবো।
Class 8/ jsc
যারা আপনার অষ্টম শ্রেণী বা জেএসসি পরীক্ষার্থী আপনারা অবশ্যই জানেন আপনি যে পরীক্ষাটা কত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনারা ভালো করে পড়বেন এবং শিখবেন আপনার ভাল করে পড়লেই আপনারা ভাল রেজাল্ট করতে পারবেন ।
তাই আপনার ভালো ভালো করে সাজেশন গুলো দেখবেন এবং ভালো করে সাজেশন গুলো দেখবেন এবং আমরা অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর গুলো দিচ্ছি না একটু সমস্যার কারণে।
আর যেটা বলতেছি অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা যদি ভাল করে পড়ে নেবেন আপনাদের শ্রেণি দশম শ্রেণীতে কতটুকু সমস্যা হবে না যেটা আমি মনে করি ইনশাআল্লাহ.
english
Those of you who are in 8th class or JSC exam, you must know how important the exam is, so you will study and learn well. If you study well, you will get good results, so you will see the suggestions well and you will see the suggestions well I am not giving these because of a little problem and what I am saying is that if the students of 8th class read well, there will not be much problem in your 10th class which I think inshaAllah.
প্রশ্ন ও উওর
প্রশ্ন। 1)/ তারিক তার শিক্ষকের মাধ্যমে জানতে পারে রমজান মাসে এমন একটি রাত আছে যে রাতের ইবাদত হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম অপরদিকে তার বন্ধু রাফসান ছােটখাটো খারাপ কাজকে মন্দ মনে করে এবং তার ধারণা এসব ছােটখাটো খারাপ কাজের হিসাব আল্লাহ নেবেন না। পাঠ-৬ ও ৭/রা, বাে, ১৯/
ক. নাযিরা তিলাওয়াত’ কী?
খ. আমি এই কিতাবে কোনাে কিছুই বাদ দেইনি’– ব্যাখ্যা করাে
গ. শিক্ষকের বক্তব্যে তােমার পঠিত কোন সূরার ইঙ্গিত রয়েছে? ব্যাখ্যা করাে।
ঘ. রাফসানের ধারণাটি সংশ্লিষ্ট সূরার আলােকে মূল্যায়ন করাে।
প্রশ্নের উত্তরঃ
ক কুরআন মজিদ দেখে দেখে তিলাওয়াত করাই হলাে নাযিরা তিলাওয়াত।
খ) আমি এ কিতাবে কোনাে কিছুই বাদ দেইনি'- উক্তিটি দিয়ে পবিত্র কুরআনের পূর্ণাঙ্গতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। আল-কুরআন জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎস। মানুষের জীবনে যেসব সমস্যার উদ্ভব হয় কুরআনে তার সুষ্ঠু সমাধান আছে। আল্লাহ বলেন, আমি এ কিতাবে কোনাে কিছুই বাদ দেইনি।' (সূরা আনআম, আয়াত-৩৮) মানুষের ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক যাবতীয় কিছু কুরআনে বর্ণিত আছে।
গ। শিক্ষকের বক্তব্যে সূরা আল-কাদরের ইঙ্গিত রয়েছে। আল-কাদর আল-কুরআনের অত্যন্ত মর্যাদাসম্পন্ন একটি সূরা। এটি মক্কা নগরীতে অবতীর্ণ হয়। এ সূরায় লাইলাতুল কদরের ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে, যা শিক্ষকের আলােচনায়ও ফুটে উঠেছে।
তারিকের শিক্ষক রমযান মাসের একটি রাতের কথা বলেন, যে রাতের ইবাদত হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। এ কথার প্রমাণ সূরা আল-কাদরে রয়েছে। কারণ সূরায়ই ফজিলতপূর্ণ একটি রাতের কথা বলা হয়েছে। কম ইবাদত করে বেশি সাওয়াব লাভের জন্য কাদরের রাত অতি গুরুত্বপূর্ণ।
এ রাতে আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদেরকে রহমত, বরকত ও শান্তির সওগাত দিয়ে প্রেরণ করেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, মহিমান্বিত রাত হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে প্রত্যেক কাজের জন্য ফেরেশতাগণ ও রুহ ( জিব্রাইল ফেরেশতা) তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে অবতীর্ণ হয়।
আর সে রাতের উদয় হওয়া পর্যন্ত শান্তিই শান্তি (বিরাজ করে)।' (সূরা আল কাদর, আয়াত ৩-৫) তাই সবার উচিত এ রাতে যথাযথভাবে ইবাদত করা। সুতরাং শিক্ষক তার বক্তব্যে সূরা আল-কাদরের কথাই তুলে ধরেছেন।
ঘ সূরা যিলযালের শিক্ষা অনুযায়ী রাফসানের ধারণা যথার্থ নয়। সূরা যিলযাল পবিত্র কুরআনের ৯৯তম সূরা। এ সূরায় মহান আল্লাহ শেষ বিচারের দিন মানুষের ছােট-বড় সব ধরনের গুনাহের হিসাব নেওয়ার ঘােষণা দিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি মানুষকে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র গুনাহ থেকেও বেঁচে থাকার শিক্ষা প্রদান করেছেন।
কিন্তু রাফসানের আচরণে এ শিক্ষার প্রতিফলন লক্ষ করা যায় না। উদ্দীপকের রাফসান ছােটখাটো খারাপ কাজকে মন্দ মনে করে না। একই সাথে তার ধারণা এসব খারাপ কাজের জন্য আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে না। তার ধারণা সঠিক নয়।
কেননা মহান আল্লাহ সূরা যিলযালে বলেছেন, “কেউ অণু পরিমাণ সকাজ করলে তা সে দেখবে আর কেউ অণু পরিমাণ মন্দ কাজ করলে, তাও সে দেখতে পাবে।' (সূরা যিলযাল, আয়াত ৭ ও ৮) এ সূরাটি অবতীর্ণ হওয়ার শানে নুযুল লক্ষ করলে বিষয়টি আরও সহজে বােঝা যাবে। এর শানে নুযুল হলাে একদা জনৈক ব্যক্তি একজন ফকিরকে অতি অল্প পরিমাণ খাদ্য দান করে। অতঃপর সে বলল, এ সামান্য দানে কি সাওয়াব হবে? অপর একজন লােক ছােট ছােট গুনাহ করত।
এগুলাে থেকে বিরত থাকত না। বরং সে এগুলােকে অবহেলা করত। এগুলাের কোনাে গুরুত্ব দিত না। এ দুই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতেই আল্লাহ তায়ালা সূরা যিলযাল নাজিল করেন। উপরের আলােচনা থেকে বলা যায়, পুণ্য বা পাপ তা যত ছােটই হােক না কেন, কিয়ামতের দিন তার জন্য জবাবদিহি করতে হবে। এগুলাের জন্য পুরস্কার বা শাস্তি ভােগ করতে হবে। তাই আমাদের সকলের উচিত সূরা যিলযাল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সব ধরনের পাপ থেকে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখা।
QN2........
জনাব সাইফুল ইসলাম বেশি সাওয়াবের আশায় রমযান মাসে তাড়াহুড়া করে কুরআন তিলাওয়াত করতে থাকেন। আর তার বড় ভাই সােহান অর্থসহ বুঝে কুরআন শরিফ তিলাওয়াত করলেন এবং তা থেকে নীতিমূলক ও নিষেধমূলক কতক বিষয় জানতে পারলেন। সােহানের তিলাওয়াতের পদ্ধতি দেখে মসজিদের ইমাম জনাব আব্দুল হামিদ বললেন, 'কুরআন তিলাওয়াতের এটিই সঠিক পদ্ধতি।
ক, নাযিরা তিলাওয়াত কী?
খ. যে প্রতারণা করে সে আমার উম্মত নয়'- ব্যাখ্যা করাে।
গ. সাইফুল ইসলামের তিলাওয়াতে কোন বিধানটি লঙ্ঘিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করাে।
ঘ, জনাব সােহান যে সকল বিষয় জেনেছেন তা উল্লেখপূর্বক ইমাম সাহেবের মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করাে।
প্রশ্নের উত্তরঃ
ক দেখে দেখে কুরআন পাঠের রীতিকে নাযিরা তিলাওয়াত বলে ।
খ) প্রতারণার মাধ্যমে ইমান নষ্ট হওয়ায় প্রতারকেরা রাসুল (স.)-এর উম্মত নয়।
মানুষকে ঠকিয়ে, বিশ্বাস ভঙ্গ করে কিংবা প্রকৃত অবস্থা গােপন রেখে ধোকার ওপর স্বার্থসিদ্ধি লাভ করাকে প্রতারণা বলে। এর মাধ্যমে মানুষকে ধোকা দিয়ে তার অধিকার নষ্ট করা হয়। আর এরূপ কাজ ইমানের পরিপন্থি। এজন্যই রাসুল (স.) বলেছেন, 'যে প্রতারণা করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।' (মুসলিম)
গ। সাইফুল ইসলামের তিলাওয়াতে তাজবিদ তথা সহিহ শুদ্ধভাবে কুরআন পাঠের ওয়াজিব বিধানটি লজ্জিত হয়েছে।
আল-কুরআন তিলাওয়াত খুবই ফজিলতপূর্ণ আমল। এর দ্বারা বান্দা প্রভূত সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী হয়। তবে এ সম্মান লাভের জন্য এটি শুদ্ধভাবে পাঠ করা আবশ্যক। শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত করা ওয়াজিব। এ নিয়মকে তাজবিদ বলা হয়। কিন্তু সাইফুল ইসলামের তিলাওয়াতে এ বিধানের ব্যতিক্রম লক্ষণীয়।
উদ্দীপকের সাইফুল ইসলাম বেশি সাওয়াবের আশায় রমযান মাসে তাড়াহুড়া করে কুরআন তিলাওয়াত করেন। অথচ শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াতের জন্য তাজবিদের বিধান দেওয়া হয়েছে, যা অনুসরণ করা অত্যাবশ্যক। কেননা উচ্চারণ ভি হলে অর্থেরও পরিবর্তন ঘটে।
ফলে কুরআন পাঠ সাওয়াব হওয়ার বদলে গুনাহ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “আপনি ধীরে ধীরে ও সুস্পষ্টভাবে কুরআন তিলাওয়াত করুন।' (সূরা আল মুযযাম্মিল, আয়াত-৪) তাই বলা যায়, তাড়াহুড়া করে কুরআন তিলাওয়াত করায় সাইফুল ইসলাম তাজবিদের বিধান লঙ্গন করেছে ।
ঘ) আল-কুরআন পাঠ করে জনাব সােহান আল্লাহর পরিচয় ও তার আদেশ-নিষেধ সংক্রান্ত বিষয় জেনেছে।
আল-কুরআন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মহাগ্রন্থ। এই কিতাবের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর পরিচয় ও তার আদেশ-নিষেধ সম্পর্কে জানতে পারি। জনাব সােহানও এই বিষয় সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করেছেন।
উদ্দীপকের জনাব সােহান অর্থসহ কুরআন পাঠ করে তা থেকে নীতি ও নিষেধাজ্ঞামূলক কিছু বিষয় জানতে পারলেন। তার তিলাওয়াতের এ পদ্ধতি দেখে মসজিদের ইমাম সাহেব বলেন, কুরআন তিলাওয়াতের এটিই সঠিক পদ্ধতি। কুরআন তিলাওয়াত সম্পর্কিত ইমাম সাহেবের এ বক্তব্যটি যথার্থ ।
কারণ আল-কুরআন হলাে হিদায়াতগ্রন্থ। এটি জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎস। মানুষের জীবনের সার্বিক দিক-নির্দেশনা পবিত্র কুরআনে বিদ্যমান। এ দিকনির্দেশনা সম্পর্কে জানতে গেলে কুরআন সঠিকভাবে পাঠ করে এর ভাব ও ভাষা বুঝতে হয়। আর এর জন্য প্রয়ােজন পবিত্র কুরআন সঠিকভাবে পাঠ করে এর অর্থ বােঝা এবং উপলব্ধি করা। অর্থ না বুঝে কুরআন তিলাওয়াত করলে সঠিক বিধি-বিধান জানা সম্ভব হয় না। সম্পর্কিত
উপরের আলােচনা থেকে বলা যায়, আল-কুরআনের গুরুত্ব ইমাম সাহেবের মন্তব্যটি যথার্থ । তাই আমাদের উচিত কুরআন শুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করে এর অর্থসমূহ উপলব্ধি করা এবং তা প্রয়ােগ করা ।
সহিহবাস্তবজীবনে..
শেষ
আজকের টপিক এখানেই শেষ করছি। সবাই ভালো থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
