Jsc তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ২০২১ (jsc ICT examination) ৮ম শ্রেনির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সাজেশন

 Jsc তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ২০২১ (jsc ICT examination)

আসসালামু আলাইকুম সকল প্রিয় ছাএ/ছাএীরা কেমন আছেন সবাই।আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছো এবং সুস্থ আছেন। আমরা প্রতি দিন এর মত আজকে ও একটা নতুন পোস্ট নিয়ে এসেছি। আপনারা আগেই বুঝতে পেরেছেন আজ আমরা ৮ম শ্রেনির কোন বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করবো।?(৮ম শ্রেনির প্রতিদিন)।। 




আজ আমরা ৮ম শ্রেনির তথ্য ও যোগাযোগ / ICT প্রযুক্তি বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করবো।  এসাইনমেন্ট বন্ধের কারণে আমরা এগুলো দিচ্ছি। আজ আমরা ৮ম শ্রেনির  ICT
 ১ম অধ্যায় এর থেকে প্রশ্ন ও উওর দিবো আমরা। আমরা ১ম অধ্যায় থেকে মোট ৭ টা প্রশ্ন ও উওর দিবো। আর কথা না বলে কাজ শুরু করি।
 

ICT

Ict full meaning  information and communications technology.বাংলার যাকে আমরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলি।আমাদের ICT থেকে অনেক কিছু যানতে হবে। ICT. অনেক সহজ। 


 কিছু বিষয় 

আজ আমরা অষ্টম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে টি-শার্টে প্রশ্ন দিব। আপনার প্রশ্ন গুলো ভালোভাবে লিখবেন করবেন এবং ভালোভাবে জ্ঞান অর্জন করবেন কোন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে। 
বিষয়ঃICT 
অধ্যায়ঃ ১ম (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব) 


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব

 প্রশ্ন ও উওরঃ



১/ দৈনিন্দন জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার উল্লেখ করো। 

উত্তর: দৈনন্দিন জীবনে প্রায় সবক্ষেত্রেই এখন তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির প্রভাব আছে। তার মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযােগ্য ব্যবহার উল্লেখ করা হলাে:

 ১. বিদেশ থেকে সহজেই মােবাইল ফোনের মাধ্যমে টাকা পাঠানো ২. মােবাইল ফোনেই পরীক্ষার ফলাফল জেনে নেওয়া। 
৩. ঘরে বসেসই ইন্টারনেটের মাধ্যমে চাকরির দরখাস্ত করা। 
৪. মােবাইলের মাধ্যমেই ট্রেনের টিকেট কাটা। 
৫. প্রয়ােজনীয় তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে ইন্টাররেটের মাধ্যমে জেনে নেওয়া । 
৬. বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে নাগরিক সেবাসমূহ অনলাইনের মাধ্যমে
জেনে নেওয়া।

৭. একজন শিক্ষার্থীর শ্রেণির কাজের কঠিন সমস্যাটি সমাধানে ইন্টারনেটের সাহায্য নেওয়া।

এ রকম বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছি।



প্রশ্ন-২/ আইসিটির কারণে অনেক কাজের ধরণ বদলে যাচ্ছে উক্তিটি শির্ষেণ করাে। বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম

উত্তর: তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির ব্যাপক বিকাশের ফলে কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। বিশেষ করে কিছু সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়েছে এবং অনেক কাজের ধারা পরিবর্তন হয়েছে। কোনাে প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তি ব্যবহৃত হলে সেখানে দক্ষ জনশক্তির প্রয়ােজন হয় । কেননা প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। উদাহরণস্বরূপ পূর্বে অনেক অফিসে অপারেটিং সিস্টেম windows-7 ব্যবহার করা হতাে। কিন্তু বর্তমানে অপারেটিং সিস্টেম Windows-10 বিভিন্ন অফিসে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ফলে প্রযুক্তি দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে এবং সাথে সাথে এর ব্যবহারিক দিকও পরিবর্তিত হচ্ছে। অর্থাৎ পরবর্তিত কাজের পরিস্থিতিতে কর্মক্ষেত্রে ঠিকে থাকার জন্য নিজেকে ক্রমাগত দক্ষ হতে হচ্ছে। ফলে দক্ষ তা ন্ননয়নের কর্মসূচিতে প্রতিনিয়ত  পরিবর্তন সাধিত করা হচ্ছে। এভাবে কর্মক্ষেত্রে আইসিটির প্রয়ােগ কাজের ধরণ বদলে দিচ্ছে



প্রশ্ন-৩/ বেকার সমস্যা নিরসনে তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির ব্যবহার আলােচনা করাে

উত্তর: তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির অন্যতম হাতিয়ার হলাে ইন্টারনেট। ইন্টারনেট বিকাশের ফলে বর্তমানে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলাের জন্য ঘরে বসে কাজের সুযােগ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অফিস অটোমেশনের ফলে বিভিন্ন নতুন নতুন কাজের সৃষ্টি হয়। যেমন- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক পেমেন্ট সিস্টেম, ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, অফিস অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম, সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ, অফিস ব্যবস্থাপনা, অফিসের কার্যক্রম সিসিটিভির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণসহ বিভিন্ন কাজে দক্ষ জনবলের প্রয়ােজন। এছাড়াও মােবাইল অপারেটর কোম্পানিতে বিপুল সংখ্যক কর্মীর কর্মসংস্থানের সুযােগ হচ্ছে। তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে সাথে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে বেকার সমস্যা নিচ্ছে।



প্রশ্ন-৪ বাংলাদেশে মােবাইল ফোনের বিস্তার সুজনের দিপ্ত উন্মােচন করেছে। সংক্ষেপে লিখাে। 

উত্তর: তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির প্রয়ােগের ফলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রযুক্তিতে জনগণের সংযুক্তি বাড়ে। ফলে সৃষ্টি করে নতুন নতুন কর্মসংস্থান। তদুপ বাংলাদেশে মােবাইল ফোনের বিস্তার-এ নতুন কর্ম সৃজনের দিগন্ত উন্মােচন হয়েছে। নিম্নে সংক্ষেপে লেখা হলো: ক. মােৰাইল কোম্পানিতে কাজের সুযােগ: দেশের মােবাইল অপারেটর কোম্পানিতে বিপুলসংখ্যক কর্মীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। মােবাইল কোম্পানি দেশের অন্যতম প্রযুক্তি বিষয়ক কোম্পানি।

খ. মােবাইল ফোনসেট বিক্রয়, বিপনন ও রক্ষণাবেক্ষণ: দেশের প্রায় ১২ কোটি মােবাইল গ্রাহককে মােবাইল ফোন সেট সরবরাহ, সেগুলাের বিপনন, ইত্যাদি বিভিন্ন মানের সেবার জন্য বিপুল পরিমাণ কর্মীর চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে।

গ, বিভিন্ন মােবাইল সেবা প্রদানবর্তমানে মােবাইলে নতুন নতুন সুযােগ সুবিধা যুক্ত হওয়ায় সৃষ্টি হচ্ছে বিভিন্ন মােবাইল সেবাকেন্দ্র। ফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ঘ. নতুন খাতের সৃষ্টি: মােবাইলে প্রযুক্তি বিস্তারের ফলে মােবাইল ব্যাংকিংয়ের মতাে অসংখ্য নতুন খাতের সৃষ্টি হয়েছে। যার মাধ্যমে র্কে নতুন কর্মপ্রত্যাশীর কর্মসংস্থানের সুযােগ হয়েছে। 



প্রশ্ন- ৫“উটসাের্সিং বলতে কী বুঝ? সংক্ষেপে বর্ণনা দাও। 

প্রশ্ন-৫ আউটসাের্সিং কী? এর মাধ্যমে কী কাজ করা হয়। আলােচনা করাে। এদিবাে

উত্তর: ইন্টারনেটের বিকাশের ফলে বর্তমানে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলাের জন্য ঘরে বসে অন্য দেশের কাজ করে দেওয়ার সুযােগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের নিজেদের অনেক কাজ, যেমন-ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যােগ করা, সফটওয়্যার তৈরি ইত্যাদি অন্য দেশের কর্মীর মাধ্যমে সম্পন্ন করে থাকে। এটিকে বলা হয় আউটসাের্সিং (Outsourcing)। ইন্টারনেট সংযােগ থাকলে যে কেউ এ ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এক্ষেত্রে কাজের দক্ষতার পাশাপাশি ভাষার দক্ষতাও সমানভাবে প্রয়ােজন হয়। এই সকল কাজ ইন্টারনেটে অনেক সাইটে পাওয়া যায়। এর মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলাে আপওয়ার্ক (www.upwork.com), fzpainon (www.freelancer.com) ইত্যাদি। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় তিরিশ হাজার মুক্ত পেশাজীবী এই সকল সাইটের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানে সক্ষম হয়েছে।



প্রশ্ন ৬, যােগাযােগ কাকে বলে? প্রকার কী কী? ব্যাখ্যা করাে। 

অথবা, যােগাযােগ করারর পদ্ধতিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়- বর্ণনা করাে। 

উত্তর: একে অপরের সাথে বিভিন্ন উপায়ে তথ্য আদান-প্রদান করাকে যােগাযােগ বলে। যােগাযােগ করার পদ্ধতি দুটি প্রকার যথা: ক ব্রডকাস্ট পদ্ধতি ও খ. দ্বিমুখী পদ্ধতি।

ব্রডকাস্ট হলাে যােগাযােগ করার একটি স্বীকৃত পদ্ধতি। যখন একজন বা একটি প্রতিষ্ঠান ‘একমুখী’ পদ্ধতিতে অনেকের সাথে যােগাযােগ করে, সেটাকে ইংরেজিতে বলে ব্রডকাস্ট'। রেডিও, টেলিভিশন তার সবচেয়ে সহজ উদাহরণ- যেখানে রেডিও বা টিভি স্টেশন থেকে সবার জন্য অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়। যাদের জন্য অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়, তারা কিন্তু পাল্টা যােগাযােগ করতে পারে না।

যােগাযােগের একমুখী ব্রডকাস্ট পদ্ধতির সম্পূরক রূপটি হচ্ছে দ্বিমুখী যােগাযােগ পদ্ধতি। যখন একাধিক ব্যক্তি একই সময়ে একে অপরের সাথে যােগাযােগ করতে পারে তখন তাকে দ্বিমুখী যােগাযােগ পদ্ধতি বলে। যেমন- মেবাইল ফোন, টেলিফোন। টেলিফোরনে দুজন একই সাথে পরস্পরের সাথে যােগাযােগ করতে পারে।



প্রশ্ন-৭, ব্রডকাস্ট পদ্ধতি বলতে কী বােঝ? 


 উত্তর: ব্রডকাস্ট হলাে যােগাযােগ করার একটি স্বীকৃত পদ্ধতি। যখন উৎস ‘একমুখী’ পদ্ধতিতে অনেকের সাথে যােগাযােগ করে, সেটাকে ইংরেজিতে বলে ব্রডকাস্ট'। রেডিও টেলিভিশন তার সবচেয়ে সহজ উদাহরণ- যেখানে রেডিও বা টিভি স্টেশন থেকে সবার জন্য অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়। যাদের জন্য অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়, তারা কিন্তু পাল্টা যােগাযােগ করতে পারে না। কোনাে কোনাে লাইভ অনুষ্ঠানে দর্শক বা শ্রোতাদের অবশ্য ফোন করে যােগাযােগের সুযােগ দেওয়া হয়। যেখানে লক্ষ লক্ষ শ্রোতাদের মধ্যে থেকে এক-দুজন যােগাযােগ করতে পারে, কাজেই এটি আসলে একমুখী ব্রডকাস্টই বলা যায়। ব্রডকাস্ট পদ্ধতির যােগাযােগের আরাে উদাহরণ হচ্ছে খবরের কাগজ ও ম্যাগাজিন এবং নিউজ চ্যানেল।



সেসামে 1০০ %ইউনিক পোস্ট করা হয় তাই আমাদের সাইটটি বেশি বেশি করে ভিজিট করবেন এবং সব গুলো দেখবেন আমরা এই কয়দিনে জেসিবি অষ্টম শ্রেণীর নিয়ে কাজ করছি আপনারা সবাই দেখবে না। 

আপনার যদি অ্যানসার গুলো সব রকমের সাজিয়েছি  পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে চান তাহলে এখানে ক্লিক করুন শুধু আজকের প্রশ্নের উত্তরের পিডিএফ ফাইল আর যদি চান এই লিংকে যান পেয়ে যাবেন। 


Md Nayeem Hasan neion

আমার নাম নাঈম হাসান (নিয়ন). আমি ব্লগ লিখতে ভালোবাসি .facebook

2 মন্তব্যসমূহ

নবীনতর পূর্বতন

জেএসসি