অষ্টম শ্রেণি বিজ্ঞান: ৫ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান ২০২১
আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই। আশা সবাই ভালো আছো। আমিও ভালো আছি। প্রতিদিন এর মত আজ ও আমরা নতুন পোস্ট নিয়ে এসেছি।
আজ আমরা অষ্টম শ্রেণি বিজ্ঞান: ৫ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান ২০২১। আমরা অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান এর ২ টা সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান দিবো। তাই সম্পন্ন পড়ুন।
আমরা বিজ্ঞান সব অধ্যায এর প্রশ্ন ও উওর এবং শুধু প্রশ্ন দেই আজ আমরা বিজ্ঞান ৫ম অধ্যায় সমন্বয় ও নিঃসরণ এই অধ্যায় এর প্রশ্ন দিবো।
বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উওরঃ
১ম অধ্যায়ঃ প্রাণি জগতের শ্রেণিবিন্যাস
২য় অধ্যায়ঃ জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি
৩য় অধ্যায়ঃ ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন
৪র্থ অধ্যায়ঃ উদ্ভিদ বংশ বৃদ্ধি
৫ম অধ্যায়ঃ সমন্বয় ও নিঃসরণ
৬ষ্ঠ অধ্যায়ঃ পরমাণুর গঠন
৭ম অধ্যায়ঃ পৃথিবী ও মহাকর্ষ
৮ম অধ্যায়ঃ রাসায়নিক বিক্রিয়া
৯ম অধ্যায়ঃ বর্তনী ও চলবিদ্যুৎ
১০ ম অধ্যায়ঃ অম্ল, ক্ষারক ও লবণ
একাদশ অধ্যায়ঃ আলো
দ্বাদশ অধ্যায়ঃ মহাকাশ ও উপগ্রহ
এয়োদশ অধ্যায়ঃ খাদ্য ও পুষ্টি
চতুর্দশ অধ্যায়ঃ পরিবেশ এবং বাস্তুতন্ত
আজ আমরা ৫ম অধ্যায় নিয়ে কথা বলবো।
১নং প্রশ্নের
আবির বাজার থেকে টসহ একটি ফুলের গাছ কিনে এনে তার পড়ার টেবিলের উপর রেখে দিল। কয়েকদিন পর দেখা গেল | গাছটি জানালার দিকে বেঁকে যাচ্ছে। তার ভাই আশিক শীতের সকালে নিঃশ্বাস ফেলার সময় লক্ষ করল তার নাক দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছে ।
পঞ্চ ১-৩ (পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় |
ক, নির্দেশক কাকে বলে?
খ. রূপচাদাকে কেন কনড্রিকথিস বলা হয়? খ. পূর্বমধ্যের দৈর্ঘ্য
বৃদ্ধিকারী হরমােন ব্যাখ্যা করাে। গ. আবিরের গাছটি বেঁকে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের ধোঁয়ায় যা যা রয়েছে তার পরীক্ষামূলক প্রমাণ
উপস্থাপন করাে।
১ নং প্রশ্নের উত্তর
ক) যেসব পদার্থ নিজেদের রং পরিবর্তনের মাধ্যমে কোনাে একটি বস্তু অম্ল, ক্ষারক না নিরপেক্ষ তা নির্দেশ করে সেসব পদার্থকে নির্দেশক বলে
খ) রূপচাঁদা মাছ সমুদ্রে বাস করে। এদের ককাল তরুণাস্থিময়। এদের দেহ প্লাকয়েড আঁইশ দ্বারা আবৃত, মাথার দুই পাশে ৫-৭ জোড়া ফুলকাছিদ্র থাকে। এদের কানকো থাকে না। এসকল বৈশিষ্ট্য কন্ড্রিকথিস শ্রেণির প্রাণীদের মধ্যে লক্ষণীয়। তাই রূপচাদাকে | কনড্রিকথিস বলা হয়।
গ) আবির বাজার থেকে কিনে আনা টবটি পড়ার টেবিলের উপর রেখে |
দিয়ে কয়েকদিন পর দেখলাে গাছটি জানালার দিকে বেঁকে গেছে। অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক উদ্দীপক উদ্ভিদদেহে যে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে তার ফলে উদ্ভিদে চলন ঘটে। মাটিতে আবদ্ধ উদ্ভিদের ক্ষেত্রে কিছু উদ্দীপকের প্রভাবে এদের দেহের বিভিন্ন অঙ্গ যেমনঃ কাণ্ড, মূল ইত্যাদি | নানাভাবে বেঁকে যায়। উদ্ভিদের কাণ্ডের চলন আলাের দিকে এবং মূরের | চলন অন্ধকারের দিকে ঘটে। আবিরের গাছটিই তেমনি সূর্যালােকের | উদ্দীপনার প্রভাবে বেঁকে যায়। উদ্ভিদের আলাের প্রতি সাড়া দান করার | মাধ্যমে এই চলনকে ফটোট্রপিক চলন বা ফটোট্রপিজম বা আলােক | দিকমুখীতা বলে ।
সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা দ্বারা বলা যায় যে, ফটোট্রপিজম বা আলােক দিকমুখীতার জন্যই আবিরের গাছটি জানালার দিকে বেঁকে যায়।
ঘ. উদ্দীপকে যে ধোয়ার কথা বলা হয়েছে তা মানুষের নিঃশ্বাসের ধোয়া। নিঃশ্বাসের বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প থাকে যা নিচের দুটি পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণ করা যায়-
নিঃশ্বাসের বায়ুতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের উপস্থিতি পরীক্ষা: কাজ: নিঃশ্বাস বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইডের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ
প্রয়ােজনীয় উপকরণ: টেস্টটিউব, কাচ বা প্লাস্টেকের নল, চুনের পানি পদ্ধতি; একটি টেস্টটিউবের ভিতর কিছুটা স্বচ্ছ চুনের পানি নেই । এবার টেস্টটিউবটির মধ্যে কাচ বা প্লাস্টিকের নল প্রবেশ করাই এবং নলটিতে ফু দেই। কী হয় লক্ষ করি। কিছুক্ষণ ফু দেওয়ার পর দেখা | যাবে চুনের পানি ঘােলাটে হয়ে যাচ্ছে ।
ফলাফল: আমরা জানি, কার্বন ডাইঅক্সাইড চুনের পানিকে ঘােলা করে। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, আমাদের নিঃশ্বাসের বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইড আছে।
নিঃশ্বাসের বায়ুতে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি পরীক্ষা:
কাজ: নিঃশ্বাস বায়ুতে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ
প্রয়ােজনীয় উপকরণ; এক খণ্ড কাচ বা আয়নার উপর মুখ দিয়ে (নাক দিয়ে নয়) নিঃশ্বাস ছাড়ি। নিঃশ্বাসের বায়ুর সাথে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও | জলীয়বাষ্প বের হয়। জলীয়বাষ্প ঠাণ্ডা কাচে জলীয় কণার সৃষ্টি করে | ফলে আয়না বা কাচখণ্ডটিকে ঘােলাটে ও কিছুটা অস্বচ্ছ দেখায়। কিছুক্ষণ
পর আয়না থেকে জলীয় কণা উবে যায়। আয়নাটি আবার স্বচ্ছ দেখায় । ফলাফল: এ থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি নিঃশ্বাস বায়ুতে জলীয়বাষ্প | থাকে।
২নং প্রশ্নের
মামুনের মস্তিষ্কের সবচেয়ে উন্নত ও সুগঠিত অংশ সেরিব্রাম, এটি বিশেষ কর্মকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। মামুনের দেহের নাইট্রোজেন | ঘটিত তরল নিষ্কাশন, বায়বীয় বর্জ্য C), এবং লবণ ঘটিত ক্ষতিকর বর্জ্য নিষ্কাশনের আলাদা আলাদা রেচন অঙ্গ বিদ্যমান।
> পাঠ৬ ৪৭ এ ১ ৪১২ (গত? শাবরেটরি হাই স্কল, ঢাকা
ক, ফাইটোহরমোন কী?
গ. বিশেষ বিশেষ কর্মকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত অংশটির বর্ণনা
ঘ. উদ্দীপকের বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য তিন ধরনের অঙ্গের মধ্যে কোন দুটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর ব্যাখ্যা করাে।
২ নং প্রশ্নের উত্তর
ক) উদ্ভিদদেহে উৎপাদিত বিশেষ যে জৈব রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে উদ্ভিদের বৃদ্ধি, বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি হয়ে থাকে তাকে ফাইটোহরমােন বলে ।
খ। পর্বমধ্যের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধিকারী হরমােন হলাে জিন্সেরেলিন। চারাগছি,
বীজপত্র ও পত্রের বর্ধিষ্ণু অঞ্চলে এদের দেখা যায় । জিব্বেরেলিন হরমােনের প্রভাবে পর্বমধ্যগুলাে দৈর্ঘ্যে বৃদ্ধি পায় বলে খাটো উদ্ভিদে এ হরমােন প্রয়ােগ করলে উদ্ভিদটি অন্যান্য সাধারণ উদ্ভিদের থেকেও অধিক লম্বা হয়। বীজের সুপ্তাবস্থা কাটাতে এ হরমােনের কার্যকারিতা রয়েছে।
গ বিশেষ বিশেষ কর্মকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত অংশটি হলাে গুরুমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম।
গুরুমস্তিষ্কের ডান ও বাম দিকের দুটি খণ্ডকে সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার বলে। মানবদেহের প্রতিপার্শ্বের সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার তার বিপরীত পার্শ্বের স্নায়ু উদ্দীপনা প্রেরণ করে। অর্থাৎ, বাম পার্শ্বের সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার বামপার্শ্বে উদ্দীপনা প্রেরণ করে। ফলে ঐ অংশের সব কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণে মস্তিষ্কের এ অংশটি কাজ করে। মানবদেহের মস্তিষ্কে সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার অধিকতর উন্নত ও সুগঠিত যা দুই খণ্ডে ঘনিষ্ঠভাবে স্নায়ুতন্ত্র দিয়ে সংযুক্ত। গুরুমস্তিষ্কের অন্তঃস্তরে কেবল স্নায়ুতন্ত্র থাকে। গুরুমস্তিষ্কের ভেতরের স্তর দিয়ে স্নায়ুতন্ত্র একস্থান থেকে অন্যস্থানে যায়। মস্তিষ্কের এ অংশটির উপরিভাগে ধূসর পদার্থের কয়েকটি স্তরে বিশেষ আকারের স্নায়ুকোষ দেখা যায়। এ স্নায়ুকোষগুলাে গুরুমস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে গুচ্ছ বেঁধে স্নায়ুকেন্দ্র সৃষ্টি করে ।
সূতরাং, গুরুমস্তিষ্কে তৈরি স্নায়ুকেন্দ্র জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে বিশেষ বিশেষ কর্মকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
ঘ) মামুনের অর্থাৎ মানুষের দেহের নাইট্রোজেন ঘটিত তরল, বায়বীয় বর্জ্য CO, এবং লবণ ঘটিত ক্ষতিকর বর্জ্য নিষ্কাশনের অঙ্গ হলাে যথাক্রমে বৃক্ক, ফুসফুস ও চর্ম ।
বর্জ্য নিষ্কাশনের এ তিন ধরনের অঙ্গের মধ্যে বৃব্ধ ও চর্ম এ দুটিই বেশি কার্যকর। কারণ ফুসফুস প্রধানত মানুষের শ্বাসক্রিয়া বা শ্বসনে মূল ভূমিকা পালন করে। ফুসফুস বর্জ্য হিসেবে যে কার্বন ডাই অক্সাইড নিষ্কাশন করে তা অল্প পরিমাণে থাকা দেহের জন্য তেমন ক্ষতিকর নয়। যদিও বেশি পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইড দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
| অন্যদিকে বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের জন্য অঙ্গ হিসেবে বৃদ্ধ ও চর্ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৃক্কের মাধ্যমে দেহের নাইট্রোজেন ঘটিত তরল, দূষিত পদার্থ পরিত্যক্ত হয়। বৃক্ক হলাে মূত্র তৈরির কারখানা আর মূত্রের মাধ্যমেই | দেহের প্রায় আশি ভাগ নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশিত হয়। তাই বৃক্কই দেহের প্রধান রেচন অঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে চর্ম বা ত্বক হলাে মানবদেহের বহিরাবরণ। ত্বকে লােমকূপ নামক অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে। ত্বকের সকল লােমকূপ দিয়ে ঘাম বের।
......
বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উওরঃ
১ম অধ্যায়ঃ প্রাণি জগতের শ্রেণিবিন্যাস
২য় অধ্যায়ঃ জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি
৩য় অধ্যায়ঃ ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন
৪র্থ অধ্যায়ঃ উদ্ভিদ বংশ বৃদ্ধি
৫ম অধ্যায়ঃ সমন্বয় ও নিঃসরণ
৬ষ্ঠ অধ্যায়ঃ পরমাণুর গঠন
৭ম অধ্যায়ঃ পৃথিবী ও মহাকর্ষ
৮ম অধ্যায়ঃ রাসায়নিক বিক্রিয়া
৯ম অধ্যায়ঃ বর্তনী ও চলবিদ্যুৎ
১০ ম অধ্যায়ঃ অম্ল, ক্ষারক ও লবণ
একাদশ অধ্যায়ঃ আলো
দ্বাদশ অধ্যায়ঃ মহাকাশ ও উপগ্রহ
এয়োদশ অধ্যায়ঃ খাদ্য ও পুষ্টি
চতুর্দশ অধ্যায়ঃ পরিবেশ এবং বাস্তুতন্ত
প্রশ্ন ও উওর পিডিএফ ফাইলঃ ডাওনলোড ক্লিক,,,,
Meta tag:অষ্টম শ্রেণি বিজ্ঞান: ৫ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান ২০২১,অষ্টম শ্রেণির এসাইনমেন্ট বিজ্ঞান সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর,৮ম শ্রেণির ৯ম সপ্তাহের বিজ্ঞান এ
