Jsc ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ২০২১ (jsc Islam and moral education examination) ৮ম শ্রেনির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা সাজেশন ২০২১ পাঠ ২
আসসামু আলাইকুম আমার সব প্রিয় শিক্ষার্থী বিন্দুরা। কেমন আছেন সবাই। আশা করি সবাই ভালো আছো। আমি ও ভালো আছি। প্রতি দিন এর মত আজ ও আমরা নতুন একটা পোস্ট নিযে এসেছি।
আজ আমরা ৮ম শ্রেনির ইসলাম ধর্ম বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। আজ আমরা ৮ ম শ্রেনির ইসলাম ধর্ম এর ২ য় অধ্যায় থেকে ২ টা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উওর দিবো।
তাই আপনারা মনোযোগ দিয়ে দেখেন। আর কথা না বারিই।
জেএসসি
জেএসসি হলো একটি মাধ্যমিক পরীক্ষা। জেএসসি মানে আমরা বুঝতে পারে অষ্টম শ্রেণীতে যারা পড়ে তারা এইচএসসি দেয়। জেএসসি অষ্টম শ্রেণির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা কারণ তারা সারা বছর সবকিছু পড়ালেখার পরই তারা ডিসেম্বর সরি নভেম্বর মাসে জেএসসি পরীক্ষা টা দেয়।
তাই তাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় জেএসসি পরীক্ষা। আর তাই আমরা এই সাইটে জেএসসি পরীক্ষার বিভিন্ন বিষয়ের সাজেশন দিয়ে থাকি যাতে তাদের সুবিধা হয় এবং জানো সেম টু সেম না আসলেও এধরনের প্রশ্নগুলো পরীক্ষা আসলে তারা সহজেই দিতে পারে।
আর আমাদের সাইটে এসাইনমেন্ট এর কাজগুলো এখন বন্ধ আছে অষ্টম শ্রেণীর আমরা পরের 13 সপ্তাহ থেকে সব অ্যাসাইনমেন্ট অন স্টার্ট করব ইনশাল্লাহ।
আমরা যে সেটা ভালো করতে পারলেই নবম-দশম শ্রেণীতে অনেক কিছু শেখার সেটা অষ্টম শ্রেণীতে শিখে যাব কারণ ইংলিশ এবং বিজ্ঞান অনেক কিছু অষ্টম শ্রেণীতে আছে আপনারা সায়েন্স নিলে বুঝতে পারবেনা পরীক্ষা হবে তাই আপনারা অষ্টম শ্রেণীর একটু ভালোভাবে এবং ভালোভাবে পড়বেন।
নির্দেশনা
আমাদের সাইটটি একটি এডুকেশন বা শিক্ষামূলক সাইট আমাদের সাইটে আপনার সব ধরনের শিক্ষামূলক বিষয় অ্যানসার সাজেশন এবং সবকিছু পেয়ে যাবেন। আমাদের সাইটে যদি কোন প্রকার ভুল এবং কোন সমস্যা হলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বা আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন আমাদের ফেসবুক পেজ এ মেসেজ করতে পারে।
আজ আমরা অষ্টম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষায় অধ্যায়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ের সৃজনশীল নিয়ে আলোচনা করবো যদি সেরকম গুরুত্বপূর্ণ এবং অনেক কার্যকর হতে চলেছে।
কারণ আমরা প্রতি সপ্তাহে প্রত্যেকটা সাবজেক্ট এর প্রত্যেকটা অধ্যায় থেকে দুইটা করে ছিলিস এরকম করে দশটায় হলে 10,05 দিব আমরা এজন্য সবাই আমাদের সাথেই থাকবেন আর কথা না বাড়িয়ে চলুন আজকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করা যাক।
প্রশ্ন ও উওর
প্রশ্নঃ১ আমিরুল সাহেব তার পুত্র সুহাসের জন্মের সপ্তম দিনে দৃষ্টি ছাগল জবাই করে সবাইকে খাওয়ালেন। অপরদিকে খাইরুল সাহেব একটি বিশেষ মাসের দশম দিনে একটি গরু জবাই করে নিয়মমত বদন করলেন। ইমাম সাহেব এ বিষয়ে বললেন, খাইরুল সাহেবের কাজটিতে আমাদের জন্য ত্যাগের শিক্ষা রয়েছে।
ক. হজে মহিলাদের চুলের কতটুকু কাটতে হয়? খ. নামাজের জন্য যেমন তাহরিমা, হজের জন্য তেমন ইহরাম'ব্যাখ্যা করাে।
গ. আমিরুল সাহেবের কাজটিতে কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে। ব্যাখ্যা করাে।
ঘ, খাইরুল সাহেবের কাজটিতে যে ইবাদত পালিত হয়েছে, তা চিহ্নিতপূর্বক ইমাম সাহেবের মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করাে । ৪
উত্তরঃ
ক)হজে মহিলাদের চুলের অগ্রভাগের কিছুটা কাটতে হয় ।
খ) হজের প্রথম ফরজ বিধান হলাে ইহরাম বাধা ইহরাম অর্থ হারাম করা, নিষিদ্ধ করা। পরিভাষায় হজের উদ্দেশ্যে সকল ধরনের নিষিদ্ধ এবং কিছু হালাল কাজ থেকে বিরত থাকার নিয়তে সাদা কাপড় পরিধান করাকে ইহরাম বলে নামাযের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অধ্যায়। ইবাদত
যেমন প্রথম ফরজ হচ্ছে তাহরিমা তথা হাত বাঁধার মাধ্যমে নামাস শর করা, তেমনি ইহরাম বাঁধার মাধ্যমে হজ আদায় শুরু করতে হয়। ইহরাম ব্যতীত হজ আদায় হবে না। এজন্য বলা যায়, নামাযের জন্য যেমন অহরিমা, হজের জন্য তেমন ইহরাম ।
গ) আমিরুল সাহেবের কার্যক্রমে ইসলামের অন্যতম ইবাদত আকিকা পালিত হয়েছে।
আকিকা’ আরবি শব্দ। এর অর্থ ভাঙা, কেটে ফেলা ইত্যাদি। এটি ইসলামের একটি সুন্নত বিধান। এর মাধ্যমে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়। আমিরুল এই বরকতপূর্ণ ইবাদত পালনের দৃষ্টান্ত দেখা যায়।
সাহেবের কাজে পুত্র সন্তান জন্ম লাভের পর আমিরুল সাহেব দুটি ছাগল জবাই করে সবাইকে দাওয়াত করে খাওয়ালেন। তার এ কাজ আকিকারই ইঙ্গিত দেয়। কারণ সন্তান জন্মের পর সপ্তম দিনে তার কল্যাণ কামনা করে আল্লাহর নামে কোনাে হালাল গৃহপালিত পশু জবাই করাকে আকিকা বলে। হাদিসে আছে, প্রতিটি নবজাত সন্তান আকিকার সাথে সম্পৃক্ত। তার জন্মের সপ্তম দিনে তার নামে পশু জবাই করতে হবে। তার নাম রাখা হবে, তার মাথার চুল মুণ্ডন করা হবে।' (নাসায়ি) ছেলে সন্তানের জন্য দুটি ছাগল জবাই করেই আকিকা করা হয়। আর আকিকার পশুর গােশত কুরবানির পশুর গােশতের মতাে বণ্টন করতে হয়। এ গােশত রান্না করে আত্মীয়-স্বজন ও গরিব-মিসকিনকের খাওয়ানাে যায়। সুতরাং বােঝা যায়, আমিরুল সাহেব আকিকা ইবাদতটিই পালন করেছেন।
ঘ) খাইরুল সাহেব কুরবানি আদায় করেছেন, যা ত্যাগের শিক্ষা বহন
কুরবানির সমার্থক শব্দ উযহিয়্যাহ। এর আভিধানিক অর্থ ত্যাগ, উৎসর্গ ইত্যাদি। শরিয়তের পরিভাষায় যিলহজ মাসের ১০ তারিখ সকাল থেকে ১২
তারিখ সন্ধ্যা পর্যন্ত আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য যে পশু জবাই করা হয় তাকে কুরবানি বলে। খাইরুল সাহেবের কাজে এটাই প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপকের খাইরুল সাহেব একটি বিশেষ মাসের দশম দিনে একটি গরু জবাই করে নিয়মমত বণ্টন করেন। খাইরুল সাহেব মূলত কুরবানি আদায় করেছেন। কুরবানি মুসলমানদেরকে হযরত ইব্রাহিম ও ইসমাইল (আ)এর অতুলনীয় ত্যাগে অনুপ্রাণিত করে। এর মাধ্যমে মুসলমানগণ ঘােষণা করেন যে, তাদের কাছে নিজ জানমালের চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মূল্য অনেক বেশি। তারা পশুর গলায় ছুরি চালিয়ে এর রক্ত প্রবাহিত করে আল্লাহর কাছে শপথ করে যে, হে আল্লাহ! তােমার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যেভাবে পশুর রক্ত প্রবাহিত করছি, প্রয়ােজনে আমাদের শরীরের রক্ত প্রবাহিত করতেও কুণ্ঠিত হব না। এছাড়া কুরবানির ত্যাগের শিক্ষা মুসলমানদেরকে সহানুভূতিশীল, পরােপকারী ও আত্মত্যাগী করে। সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগে অনুপ্রাণিত করে। পরিশেষে বলা যায়, কুরবানি এমন একটি অনুরূপ প্রশ্ন নম্বর ইবাদত, যা মুসলমানদেরকে ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত করে ও মানবতাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটায় ।
প্রশ্নঃ২
এ দু'সহকর্মী রাহাত ও সামাদ গত বছর জিলহজ মাসের নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনে বিশেষ বিশেষ জায়গায় কতগুলাে নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন। করেন। কিন্তু সামাদ তার সম্পদে অসহায়-গরিবদের পাওনা অধিকার। আদায় করেননি। বিজ্ঞ ইমাম তা জানতে পেরে সামাদকে ডেকে। বললেন, “তােমার ধন-সম্পদের পবিত্রতার জন্য তা আদায় করা আবশ্যক।
ক, নিসাব কী?
খ, আর সম্মান তাে কেবল আল্লাহ, তার রাসুল এবং মুমিনদের জন্যই'- ব্যাখ্যা করাে।
গ, রাহাত ও সামাদ কোন ইবাদতটি পালন করেছেন? ব্যাখ্যা করাে।
ঘ. সামাদ সম্পর্কে ইমাম সাহেবের উক্তির সঠিকতা নিরূপণ করাে।
উত্তরঃ
ক) যাকাত ফরজ হওয়ার জন্য সম্পদের নির্ধারিত পরিমাণই হলাে নিসাব।
খ। ইমানদার ওয়ার মাধ্যমে মানুষ দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত হতে পারে।
ইমান আল্লাহ তায়ালার একটি বড় নিয়ামত। এটা মানুষকে অসীম কল্যাণ দান করে। মুমিন ব্যক্তি দুনিয়াতে শ্রদ্ধা ও সম্মান এবং আখিরাতে সাফল্য লাভ করে। এজন্য আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আর সম্মান তাে কেবল আল্লাহ, তার রাসুল এবং মুমিনদের জন্যই।' (সূরা মুনাফিকুন, আয়াত-৮)
গ) রাহাত ও সামাদ ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হজ পালন করেছেন। হজ আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ ইচ্ছা করা, সংকল্প করা ইত্যাদি । ইসলামি পরিভাষায়, নির্দিষ্ট দিনসমূহে নির্ধারিত পদ্ধতিতে আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পবিত্র কাবাঘর ও সংশ্লিষ্ট স্থানসমূহে বিশেষ কার্যাদি সম্পাদন করাকে হজ বলে । রাহাত ও সামাদের কাজ এ ইবাদতটিকেই ইঙ্গিত করে ।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, রাহাত ও সামাদ জিলহজ মাসের নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনে বিশেষ জায়গায় কতগুলাে নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করেন। সেখানে অন্য দেশের মানুষের সাথে তার সুসম্পর্ক তৈরি হয়। মূলত, রাহাত ও সামাদের ইবাদতটি হলাে হজ। কেননা, হজ জিলহজ মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত মক্কা, মিনা, আরাফা এবং মুযদালিফায় আল্লাহ ও তার রাসুলের নির্দেশ মােতাবেক কার্য সম্পাদন করতে হয়। সুতরাং বলা যায়, রাহাত ও সামাদ জিলহজ মাসে সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ইবাদত পালনের মাধ্যমে হজের বিধানই সম্পাদন করেছেন।
ঘ) সম্পদ পবিত্র করার জন্য সামাদকে ইমাম সাহেবের যাকাত দেওয়া সম্পর্কিত উপদেশটি সঠিক।
যাকাত শব্দের অর্থ পবিত্রতা । নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক নির্দিষ্ট অংশ গরিব, অভাবী লােকদের মধ্যে বিতরণ করে দেওয়াকে যাকাত বলে। এর মাধ্যমে গরিবের হক আদায় হয়, সম্পদ পবিত্র হয়, যা ইমাম সাহেবের কথায় ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকের ইমাম সাহেব সামাদকে ধন-সম্পদের পবিত্রতার জন্য অসহায়গরিবদের পাওনা তথা যাকাত আদায় করতে বলেন। কারণ সামাদ তার সম্পদের যাকাত আদায় করেননি। যাকাত আদায়ের মাধ্যমে সম্পদ ব্যক্তিবিশেষের হাতে পুঞ্জীভূত থাকে না। আর মানুষের হাতে সম্পদ পুঞ্জীভূত থাকুক আল্লাহ তায়ালা তা পছন্দ করেন না। তিনি চান সম্পদ মানুষের কল্যাণে ব্যয় হােক, সমাজের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হােক।
তাই বলা যায়, ইমাম সাহেবের উপদেশটি সঠিক হয়েছে। আর দেরও উচিত যাকাতের ব্যাপারে সচেতন থাকা এবং মন ও ধন
আজকের পোস্টটি আমাদের এই পর্যন্ত আজকে আমরা ইসলামের অনেক কিছু মানিক দিয়েছি এজেন্সির মাধ্যমে আপনারা ভালোভাবে দেখবেন পড়বেন এবং মনোযোগ দিয়ে সবসময় লেখাপড়া করবে। জেএসসি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
