Jsc বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পাঠ ২ ২০২১ (jsc Bangladesh and world identity examination) ৮ম শ্রেনির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় সাজেশন পাঠ ২
আসসালামু আলাইকুম প্রিয় শপথ প্রিয় সকল শিক্ষার্থী বৃন্দরা।কেমন আছো সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছো। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আমরা দুইদিন সমস্যার কারণে আগের পোস্টে বলেছি দুইদিন সমস্যার কারণে আমরা কোন ধরনের কিছু দিতে পারিনি সাইটে।
প্রতিদিনের মত আমরা একটি করে পোস্ট দেই কিন্তু এবার থেকে আমরা দুইটি করে পোস্ট দিব আমরা প্রথম পোস্টিং আইসিটি নিয়ে দিয়েছি এবং আজকে আর একটি পোস্ট দিয়েছি সেটা হচ্ছে সমাজ বা বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম শ্রেণি।
আপনারা চাইলে আইসিটির পোস্টটি দেখে আসতে পারে নিমকি আমরা দিয়ে দিলাম।
আজ আমরা আজ আমরা বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এর দ্বিতীয় পার্ট নিয়ে আলোচনা করবো বাট বইতে দ্বিতীয় অধ্যায় ২ টাইটেল দেওয়া হয়েছে Jsc বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পাঠ ২ ২০২১ (jsc Bangladesh and world identity examination) ৮ম শ্রেনির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় সাজেশন পাঠ ২.
আজ আমরা দ্বিতীয় অধ্যায় থেকে দুইটি শিমুল শীল প্রশ্ন দেবো প্রত্যেকটি পোষ্টের মতো প্রত্যেকটি বিষয়ের মত।
শুরু করা যাক আর কথা না বাড়িয়ে।
jsc examination
জেএসসি পরীক্ষা স্ট্রিম শ্রেণীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা পুরোপুরি মুক্ত এবং পালন করার পর আমাদের দেশের একটি পরীক্ষা নেওয়া হয় যেটা ফুল বাংলাদেশ দিয়ে থাকে এজন্য আপনাদের হবে পড়তে এবং শিখতে হবে।
আপনারাও করেনা কেউ ঘর থেকে বের হবেন না কারণ এখন কর্নার অবস্থা অনেক খারাপ আমাদের দেশ অনেক খারাপ চলনা আমরা পালিয়ে যাই।
প্রশ্ন ও উওর
প্রশ্ন ১ একটি সমাজকল্যাণ সংস্পর সভাপতি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতাসীনরা জনাব 'ক' কে দায়িত্ব হস্তান্তর না করে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। জনাব ‘ক’ এ ঘটনা বুঝতে পেরে তার অনুসারীদের নিয়ে সভা করে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। ক্ষমতাসীনদের আক্রমণের মুখে জনাব 'ক' এর অনুসারীরা একটি কমিটি গঠন করে প্রতিরােধ গড়ে তােলেন। পgf
ক. ‘অপারেশন সার্চলাইট' কী?
খ. মুক্তিযুদ্ধে যৌথবাহিনীর ভূমিকা । ব্যাখা করো।
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত কমিটির সাথে বাংলাদেশের
কোন সরকারের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করাে।
ঘ. জনাব ‘ক’ এর বক্তব্যের সাথে বাংলাদেশের কোন ভাষণের সাদৃশ্য রয়েছে? উক্ত ভাষণ বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে মূল্যায়ন করাে।
উত্তরঃ
ক) অপারেশন সার্চলাইট' হলাে— ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে বাঙালিদের ওপর চালানাে পাকিস্তানিদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ।
খ) মুক্তিযুদ্ধে যৌথবাহিনীর ভূমিকা ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর আক্রমণ সুদৃঢ় করা।
১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর যৌথবাহিনী গঠন করা হয়। গঠিত হওয়ার পর এ বাহিনী মুক্তিযুদ্ধকে দারুণ গতিশীল করে তােলে। তাদের সুদৃঢ় পদক্ষেপের কারণে পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।
গ) উদ্দীপকে উল্লেখিত কমিটির সাথে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের মিল রয়েছে।
১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় মুজিবনগর সরকার। ওই দিনই মন্ত্রিসভা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘােষণাপত্র এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ২৬শে মার্চ ঘােষিত স্বাধীনতার ঘােষণা অনুমােদন করে। মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল। শপথবাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি (পদাধিকারবলে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক)। সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করা হয়। অন্য তিনজন মন্ত্রী ছিলেন অর্থমন্ত্রী এম. মনসুর আলী; স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান, পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী খন্দকার মােশতাক আহমেদ।
ঘ) জনাব ‘ক’ এর বক্তব্যের সাথে ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ভাষণের সাদৃশ্য রয়েছে। এ ভাষণ বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে মন্তব্যটি সঠিক
১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করেও ক্ষমতা পায়নি আওয়ামী লীগ। এ কারণে আওয়ামী লীগ সভাপতি ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বাঙালির উদ্দেশ্যে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। যার প্রতিফলন ঘটেছে জনাব ‘ক’ এর বক্তব্যে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েও দায়িত্ব না পেয়ে জনাব ‘ক’ তার অনুসারীদের নিয়ে একটি সভা করেন। সভায় জনাব ক’ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও তার ৭ই মার্চের ভাষণে বাঙালির অধিকার আদায়ের জন্য স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক দেন। তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি মােকাবিলার জন্য প্রয়ােজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্বের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এ ভাষণ ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ। বঙ্গবন্ধুর ভাষণের জাদুস্পর্শে বাঙালি জাতি বীরের জাতিতে পরিণত হয়। তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। এরই ফলাফল হলাে স্বাধীন বাংলাদেশ। উপরের আলােচনা থেকে বলা যায়, জনাব ‘ক’ এর বক্তব্যের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে ইঙ্গিত করা
হয়েছে- যা বাঙালির স্বাধীনতার মূলমন্ত্র।
প্রশ্ন 2 রহিম পার্শ্ববর্তী ‘ক’ দেশের নাগরিক। যে দেশটি ‘খ’ দেশের স্বাধীনতার সময় অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছিল । অপরপক্ষে করিম 'গ' দেশের নাগরিক; যে দেশের এক গায়ক গান গেয়ে অর্থ জোগাড় করে ‘খ’ দেশকে সহযােগিতা করেছিল। কিন্তু সেই দেশটি ‘: দেশের বিরােধী পক্ষের হয়ে কাজ করেছিল ।
ক. কালুরঘাট সম্প্রচার কেন্দ্রের পরবর্তী নামকরণ কী?
খ, অনিয়মিত বাহিনী কেন গঠিত হয়?
গ. পাঠ্যবইয়ের কোন দেশের সাথে ‘ক’ দেশের মিল রয়েছে?ব্যাখ্যা করাে।
ঘ. তুমি কি মনে কর, ‘গ’ দেশের বিরােধিতার জন্যই ‘খ’ দেশের স্বাধীনতা অর্জন বিলম্বিত হয়? মতামত দাও। 8
উত্তরঃ
ক) কালুরঘাট সম্প্রচার কেন্দ্রের পরবর্তী নামকরণ হয় স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র'।
খ। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করার জন্য অনিয়মিত বাহিনী গঠিত হয় ।
ছাত্র, যুবক, শ্রমিক, কৃষক ও সকল পর্যায়ের মুক্তিযােদ্ধাদের নিয়ে বিভিন্ন সেক্টরের অধীনে অনিয়মিত বাহিনী গঠিত হয়। এই বাহিনীর সরকারি নাম ছিল ‘গণবাহিনী বা ফ্রিডম ফাইটার।
গ) পাঠ্যবইয়ের ভারতের সাথে ‘ক’ দেশের মিল রয়েছে ।
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালায়। প্রাণ বাঁচাতে অসংখ্য বাঙালি দেশত্যাগ করতে শুরু করে। ভারত সরকার পলায়নরত এ রকম প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় এবং ভরণপােষণের দায়িত্ব নেয়। ভারতের মাটিতে বাঙালি যুবকদের সশস্ত্র ট্রেনিং দেওয়া হয়। এছাড়া ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীসহ বিভিন্ন মন্ত্রী, নেতা ও কর্মকর্তারা বিদেশ সফর করে বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনে ভূমিকা রাখে। ৬ই ডিসেম্বর ভারত প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। ২১শে নভেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনী গঠিত হয়। এক কথায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সর্বস্তরের জনগণ স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ও সবধরনের সহযােগিতা নিয়ে এগিয়ে আসে।
উদ্দীপকের রহিম ক' দেশের নাগরিক। তার দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পার্শ্ববর্তী ‘খ’ দেশকে নানাভাবে সাহায্য করে। যা উপরে আলােচিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের ভূমিকার অনুরূপ।
ঘ) হ্যা, আমি মনে করি ‘গ’ অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের বিরােধিতার জন্য ‘খ’ দেশ অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন বিলম্বিত হয়।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নীতি ছিল পাকিস্তানের পক্ষে। অস্ত্র ও প্রত্যক্ষ সমর্থন দিয়ে দেশটি পাকিস্তানকে সহায়তা করে। ১৯৭১ সালের ৩রা ডিসেম্বর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র প্রচণ্ড ভারত বিরােধী ও পাকিস্তান-ঘেঁষা নীতি অনুসরণ করতে থাকে। স্বভাবতই তাদের ভূমিকা বাংলাদেশের বিপক্ষে যায়। এমনকি পাকিস্তানের পরাজয়ের মুখে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব উত্থাপন করে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে বাধাগ্রস্ত করতেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। তবে দেশটির একজন বিখ্যাত শিল্পী জর্জ হ্যারিসন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য গান গেয়ে অর্থ জোগাড় করেছিলেন।
উদ্দীপকের ‘গ’ দেশটিও ‘খ’ দেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল। কিন্তু ‘গ’ দেশের একজন গায়ক গান গেয়ে অর্থ জোগাড় করে ‘খ’ দেশকে সহযােগিতা করেছিল যা যুক্তরাষ্ট্র ও জর্জ হ্যারিসনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সার্বিক আলােচনা থেকে বলা যায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ বিরােধিতার জন্যই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন বিল্বম্বিত হয়।
আমাদের সাইট একটি নিরভুল ওয়েবসাইট। আমাদের ওয়েবসাইট কোনো ভুল পেলে কমেন্ট করবেন।
আল্লাহ হাফেজ।
