৮ম শ্রেণির (৯ম সপ্তাহের) বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট এর সমাধান 2021

৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট এর সমাধান (৯ম  সপ্তাহের) 2021 



আসসালামু আলাইকুম  প্রিয় ছাত্র-ছাত্রী বন্ধুরা। কেমন আছো তোমরা ?  আশা করি সবাই ভাল এবং সুস্থ আছো। বরাবরের মত, প্রতি সপ্তাহে তোমাদের জন্য ৬ষ্ঠ , ৭ম, ৮ম , ৯ম, শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রকাশের পরে ,আমরা অভিলম্বভাবে  ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম,৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর দিয়ে দিচ্ছি ২০২১ এর সব রকম এ্যাসাইনমেন্ট। আজকের এই পোস্টে, আমি বা আমরা তোমাদের ৬ষ্ঠ, ৭ম,৮ম, ৯ম, শ্রেণীর ৮ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন ও উত্তর / সমাধান শেয়ার করে শেয়ার করব। ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট অষ্টম সপ্তাহের জন্য এসাইনমেন্ট। 2021 8th week assignment PDF download.Link For click here.


Covid-19 করনা  মহামারীর কারণে এই বছরের এপ্রিল মাসে শেষের  চলমান নির্ধারিত কাজ (এসাইনমেন্ট)  কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে  সে মাসের 24 তারিখ থেকে পুনরায় অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম  চালু করে দেওয়া হয় । 2021 শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনা চালু রাখার জন্য পুনরায় ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণীর বিভিন্ন বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া চালু থাকবে এবং আমরা সমাধান দিতে থাকব। 


নির্দেশনা 

করোনা মহামারীতে অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে বাংলাদেশে অনেক আক্রান্ত হচ্ছে এবং ইন্ডিয়াতে অনেক জন মারা গেছে তাই আমরা মাক্স পরে বের হ।  কোন কারণ ছাড়া বাড়ি থেকে বেরোবো ন।  আমাদের অ্যাসাইনমেন্ট দিয়েছে আমরা তার সমাধান দেব আপনারা বাইরে বেরো বেন না। বাইরে না বেরিয়ে যদি কোনো কারণ থাকে তাহলে অবশ্যই মাক্স পড়ে বের হবেন। 

https://mathseducationbd.blogspot.com সাইটের পক্ষ থেকেই নির্দেশনাগুলো।



অধ্যায় ও অধ্যায় শিরোনামঃ

ব্যাপন--..-- অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন। পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত পাঠ নম্বর ও বিষয়বস্তুঃ ব্যাপন অভিস্রবণ অভিস্রবণের গুরুত্ব প্রস্বেদন প্রস্বেদন এর গুরুত্ব

অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজঃ

তোমার প্রতিদিনের পর্যবেক্ষণ থেকে ব্যাপন ও অভিস্রবণ এর দুটি করে ঘটনা উল্লেখ করো। ব্যাপন ও অভিস্রবণ প্রক্রিয়া থেকে যেকোন একটির জন্য পরীক্ষা সম্পন্ন করে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ধারাবাহিকভাবে লেখ।

সংকেতঃ
ব্যাপন এর বৈশিষ্ট্য অভিস্রবণ এর বৈশিষ্ট্য ব্যাপন ও অভিস্রবণ এর পরীক্ষা -.--.ছোলা পানিতে ভেজান--..-- রান্নার গন্ধ ছড়িয়ে পড়া--..-- ফুড কালার পানিতে ছড়িয়ে পড়ে-.--.- এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ।



উত্তরঃ

আমার প্রতিদিনের পর্যবেক্ষণ থেকে ব্যাপন ও অভিস্রবণ এর দুটি করে ঘটনা উল্লেখ করো। ব্যাপন ও অভিস্রবণ প্রক্রিয়া থেকে যেকোন একটির জন্য পরীক্ষা সম্পন্ন করে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ধারাবাহিকভাবে লেখা হলঃ

আমার বাবার পারফিউমের বােতলের মাথায় চাপ দিলে ফুস করে। শব্দ করে বাতাস ও তরল বের হয় । ঘরের যে প্রান্তেই থাকি না কেন --..-- কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সুগ্রান আসে নাকের ভিতর । ভেবে দেখেছি পারফিউমের কণাগুলাে কত দ্রুত আমার নাকে চলে আসে এটাই হলাে ব্যাপন।

আবার বাতাসের মধ্যে যদি কোনাে হালকা গ্যাসীয় বস্তু ছড়িয়ে দেই তাহলে তা বেশি ঘনত্ব থেকে কম ঘনত্বের দিকে ছুটে যাবে। এটাও ব্যাপনের জন্য হয়ে থাকে। কয়েকটি শুকনাে কিশমিশুকে একটা কাপে পানি ঢেলে তাতে কয়েক ঘণ্টা ছেড়ে রাখলে পরে দেখা যাবে যে কিশমিশগুলাে ফুলে ঢােল। কারণ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিশমিশের পাতলা পর্দা ভেদ করে ভেতরে পানি ঢুকে গেছে।
-.--.ক-.--.- ব্যাপন এর বৈশিষ্ট্যঃ
তরল বা বায়বীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্তভাবে অধিক ঘনত্বের অঞ্চল থেকে কম ঘনত্বের অঞ্চলে যাওযাকে ব্যাপন বলে। কঠিন পদার্থের ব্যাপন ঘটে না। নিন্মে ব্যাপন এর কিছু বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলাঃ

১.-.-.- বস্তুর ভর ও তাপমাত্রা ---... ব্যাপনের হার বস্তুর ভরের উপর নির্ভরশীল। ভর যত বেশি হবে বস্তুর ব্যাপনের হার তত কম হবে। অর্থাৎ--..-- ব্যাপন হার বস্তুর ভরের -.--.মােলার ভর-.--.- ব্যস্তানুপাতিক। ”

২.-.-.- পদার্থের অণুর ঘনত্ব---... যে পদার্থের ব্যাপন ঘটবে সে পদার্থের অণুর ঘনত্ব বেশি থাকলে ব্যাপন হার বেশি হবে--..-- অণুর ঘনত্ব কম হলে ব্যাপন হার কম হবে।

৩.-.-.- মাধ্যমের ঘনত্ব---... যে মাধ্যমে ব্যাপন ঘটবে সে মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি বলে ব্যাপন হার কম বে-.-.-. মাধ্যমের ঘনত্ব কম হলে ব্যাপন হার বেশি হবে।

৪.-.-.- বায়ুমণ্ডলের চাপ---... বায়ুমণ্ডলের চাপ বাড়লে ব্যাপন হার কমবে--..-- বায়ুমণ্ডলের চাপ কম হলে ব্যাপন হার বাড়বে।

৫.-.-.- ঘনত্বের তারতম্য---... ঘনত্বের তারতম্য যত বেশি হয় তত তাড়াতাড়ি কণাগুলাে ছড়িযে পড়ে। সাধারণত একই সময়ে এবং একই স্থানে পরিবেশের তাপমাত্রা ও বায়ুমণ্ডলের চাপ সমান থাকে--..-- সেক্ষেত্রে ব্যাপন পদার্থের ঘনত্ব এবং মাধ্যমের ঘনত্বই ব্যাপন নিয়ন্ত্রণকারী প্রভাবক হযে দাঁড়ায। মাধ্যম ও ব্যাপন পদার্থ -.--.যেমন-....-বেলুন ভর্তি বাতাস এবং চারপাশের বাতাস-.--.- যদি একই হয় তাহলে ততক্ষণ পর্যন্ত ব্যাপন ঘটবে যতক্ষণ পর্যন্ত দুটোর ঘনত্ব সমান না হয়।

-.--.খ-.--.- অভিস্রবনণর বৈশিষ্ট্যঃ


অভিস্রবণ বলতে দুটো ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দিয়ে পাশাপাশি আলাদা করে রাখলে পর্দা ভেদ করে কম ঘন দ্রবণ থেকে অধিক ঘন দ্রবণের দিকে দ্রাবক অণু প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে বােঝায়। নিন্মে অভিস্রবণের কিছু বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলােঃ ন .-----.--.-দুটো দ্রবণ এর ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে ..----.--.-অভিস্রবণ এক প্রকার ব্যাপন
৩.-.-.- অভিস্রবণ কেবলমাত্র তরলের ক্ষেত্রে ঘটে। একে অন্যভাবে বলা যায় কোনাে শক্তির প্রযােগ ছাড়াই তরলের বাস্তবিক চলাচল।অভিস্রবণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায় অন্তঃঅভিস্রবণ--..-- বহিঃঅভিস্রবণ। ৪.-.-.- কোষের বাইরে অবস্থিত তরল পদার্থ যখন অর্ধভেদ্য পর্দা ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করে তখন সেই প্রক্রিয়াকে অন্তঃঅভিস্রবণ বলে। কোষের ভেতর থেকে যখন তরল পদার্থ পর্দা ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে যায় তখন সেই প্রক্রিয়াকে বহিঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়া বলে।

-.--.গ-.--.- ব্যাপন ও অভিস্রবণের পরীক্ষণঃ


ব্যাপন জিনিসটা আমাদের আশপাশে অহরহ ঘটে। সূক্ষ্ম পর্যায় থেকে শুরু করে বড় বড় কাজেও ব্যাপন দেখা যায়। যেমন ঘরের এক পাশে কেউ সুগন্ধি স্প্রে করলে সেটা মুহূর্তের মধ্যে সারা ঘরে ছড়িয়ে যায়। কেন..--.. কারণ সুগন্ধিটা বােতলের ভেতর খুব চাপের মধ্যে থাকে। এতই চাপে থাকে যে সে গ্যাস থেকে তরল হয়ে যায়। ওই তরল যখন আচমকা বের হওয়ার সুযােগ পায়--..-- তখন তার মাথা খারাপ হয়ে যায়। সে যেখানেই কম ঘনত্ব পাবে--..-- সেখানেই ছুটে যাবে। আমাদের চারপাশে সাধারণত যে বাতাস থাকে--..-- সেটা বেশ কম ঘনত্বের। আর তাই সুগন্ধির কণাগুলাে দ্রুত সব জায়গায় দখল করে নেয়। এটা ব্যাপন প্রক্রিয়ার বেশ ভালো উদাহরণঃ এক গ্লাস পানিতে এক ফোঁটা গাঢ় নীল জলরং ঢেলে দিলে সেই রং ছড়িয়ে যেতে থাকে। ততক্ষণ ছড়াতে থাকে--..-- যতক্ষণ পুরাে পানি নীল হয়ে যাচ্ছে। সেই রঙিন পানি আবার যদি আরেকটি বড় পানিভর্তি গ্লাসে ঢালি তা হলে কী ঘটবে..--.. ওই বড় গ্লাসেরও সব পানি রঙিন হয়ে যাবে-.-.-. কিন্তু পরেরবার দেখা যাবে বড় গ্লাসের পানির রং আগের চেয়ে হালকা হয়ে গেছে। কারণ পরের গ্লাসে পানির পরিমাণ বেশি। এতে বােঝা যায়--..-- ব্যাপন প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলতেই থাকবে--..-- যতক্ষণ না দুটি তরলের ঘনত্ব সমান হচ্ছে। মানে একটি পাত্রে রঙিন পানি ঢাললে রংগুলাে ততক্ষণ পর্যন্ত ছড়াবে--..-- যতক্ষণ না সেটা গ্লাসের সব পানির অণুতে মিশে যাচ্ছে। মানে সব জায়গায় পানির ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত রং ছড়াতেই থাকবে। অভিস্রবণের বেলায়ও তাই। পানিতে ডােবানাে কিশমিশ ফুলে ঢােল হবে ঠিকই--..-- কিন্তু কিশমিশটা ফুলতে ফুলতে একেবারে ডিমের সমান বড় হয়ে যাবে না। কারণ একটা পর্যায়ে তার পানি শােষণ করা বন্ধ হয়ে যাবে। কোন পর্যায়ে..--.. যখন কিশমিশের ভেতরের ঘনত্ব আর বাইরের পানির ঘনত্ব একই হয়ে যাবে।

আমাদের সাইট এ ১০০% সঠিক উওর পাবেন। আমাদের সাইট টি ভালো লাগলে একটা কমেন্ট করবেন এবং শেয়ার করে দিবেন।।


 

Md Nayeem Hasan neion

আমার নাম নাঈম হাসান (নিয়ন). আমি ব্লগ লিখতে ভালোবাসি .facebook

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

জেএসসি